শেখ হাসিনার ৪৩তম ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আগামীকাল
- আপডেট সময় : ০১:৫০:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মে ২০২৩ ২০৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪৩তম ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আগামীকাল বুধবার (১৭ মে)।
১৯৮১ সালের ১৭ মে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যার পর দীর্ঘ নির্বাসন কাটিয়ে বাংলার মাটিতে ফিরে আসেন তিনি। ওই দিন বিকেল সাড়ে ৪টায় ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে কলকাতা হয়ে তৎকালীন ঢাকা কুর্মিটোলা বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সারাদেশে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে ইতিহাসের সবচেয়ে নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারকে নৃশংস হত্যাকারীরা হত্যা করে। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ঘাতক গোষ্ঠী স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিনষ্ট করে বাঙালি জাতির অস্তিত্ব বিপন্ন করার বহুমুখী ষড়যন্ত্র শুরু করে।
১৯৮১ সালের ১৪-১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ঐতিহাসিক হোটেল ইডেনে আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তিনি সর্বসম্মতিক্রমে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।
সামরিক শাসকের রক্তপাত ও বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালের ১৭ মে তার প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসেন। দীর্ঘ ৬ বছর নির্বাসন শেষে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে ফিরে আসেন তিনি। সেদিন মিছিলের নগরীতে পরিণত হয় রাজধানী ঢাকা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মিছিল আর স্লোগানে মুখরিত ঢাকা শহর। প্রতিকূল আবহাওয়া ও ভারি বর্ষণও সেদিন লাখো মানুষের পদযাত্রা থামাতে পারেনি। জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে কুর্মিটোলা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও শেরেবাংলা শহর।
বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে এক নজর দেখার জন্য সেদিন সারা বাংলাদেশের মানুষের গন্তব্য ছিল রাজধানী ঢাকা। স্বাধীনতার অমর স্লোগান ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বাংলার আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করে। জনতার কণ্ঠ বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করে‘হাসিনা তোমায় কথা দিলাম পিতৃ হত্যার বদলা নেব’; “ঝড়-বৃষ্টির অন্ধকার রাতে আমরা আছি তোমার সাথে”। “শেখ হাসিনার আগমন, শুভেচ্ছা ও স্বাগত”।























