ঢাকা ০৩:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সহজ অর্থায়নে স্বপ্নের গাড়ি, ইউসিবি-বিওয়াইডির নতুন যাত্রা শুরু Logo ডিউরাবিলিটি আর এআইয়ের নতুন কম্বিনেশনে এলো টেকনো স্পার্ক ৫০সি Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় “গ্রাম আদালত কার্যক্রম” সম্পর্কে গণসচেতনতা তৈরীতে সমন্বয় সভা Logo প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান-পদায়নে সুখবর Logo ৬০ লাখ ডলারে গয়না লুটের মামলায় মাত্র ১ ইউরো ক্ষতিপূরণ পেলেন কিম কার্দাশিয়ান Logo ভেজা আউটফিল্ডে ম্যাচ পরিত্যক্ত, না খেলেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ Logo পরাজয় ঢাকতে হলিউডি সিনেমার মতো গল্প তৈরি করে যুক্তরাষ্ট্র: আইআরজিসি Logo ফার্নিচারসহ ব্যয়বহুল পণ্য আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ Logo ৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা Logo রাজাপুরে রফিকুল ইসলাম জামালকে গণসংবর্ধনা

যৌতুকের চাপে বিয়ের ১০ মাসের মাথায় আত্মহত্যা করলেন নববধূ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৪০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২২০ বার পঠিত

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কাদিপুরে বিয়ের ১০ মাসের মাথায় ফাঁস দিয়ে সুখজান খাতুন (১৯) নামের এক নববধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ৩ ফেব্রুয়ারি শনিবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে উপজেলার হাউলি ইউনিয়নের কাদিপুর গ্রামে নববধূর শ্বশুর বাড়িতে নিজ শয়নকক্ষের আড়াই ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ঝাঝরি বেগমপুর গ্রামের কুদ্দুস আলীর মেয়ে। খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ হেফাজতে নিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার কাদিপুর গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে ইকবল হোসেনের সাথে ১০ মাস আগে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ঝাঝরি বেগমপুর গ্রামের কুদ্দুস আলীর মেয়ে সুখজানের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সুখে শান্তিতে বসবাস করছিলেন ওই দম্পতি। তবে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মিল থাকলেও মাঝে মাঝে ইকবল তার স্ত্রীর কাছে টাকা দাবি করত। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডার ফলে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়। তার জের ধরে এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে এলাকাবাসীর ধারণা। তবে নিহত নববধূর পরিবারের দাবি তার মেয়েকে মেরে ফেলা হয়েছে।

নিহত সুখজানের মা সেলিনা খাতুন বলেন, বিয়ের পর থেকেই জামাই বিভিন্ন জিনিস ও টাকা চায়, আমি সব দিয়েছি। কয়েকদিন আগে আমার মেয়েকে চাপ দিতে থাকে দেড় লক্ষ টাকার জন্য। টাকা দিতে রাজি হয়েছি, বলেছিলাম কিছু দিন পর দিবুনি। এরপরেও তারা আমার মেয়েকে মেরে ফেললো। মাত্র ১০ মাস আগে মেয়ের বিয়ে দিলাম, আর মেয়ে আমার শেষ হয়ে গেলো।

এ বিষয়ে মেয়ের চাচাতো ভাই জুড়ন আলি বলেন, আমার বোনের বিয়ের দেওয়া পর থেকে বিভিন্ন সময় টাকা চাইতেন ইকবাল। কিছুদিন আগেও দেড় লক্ষ টাকা দাবি করে আমরা এটা দিতে পারি নাই তার কারণে আমার বোনকে তারা মেরে ফেলতে পরে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি অপেরেশন হিমেল রানা মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যৌতুকের চাপে বিয়ের ১০ মাসের মাথায় আত্মহত্যা করলেন নববধূ

আপডেট সময় : ০৭:৪০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কাদিপুরে বিয়ের ১০ মাসের মাথায় ফাঁস দিয়ে সুখজান খাতুন (১৯) নামের এক নববধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ৩ ফেব্রুয়ারি শনিবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে উপজেলার হাউলি ইউনিয়নের কাদিপুর গ্রামে নববধূর শ্বশুর বাড়িতে নিজ শয়নকক্ষের আড়াই ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ঝাঝরি বেগমপুর গ্রামের কুদ্দুস আলীর মেয়ে। খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ হেফাজতে নিয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলার কাদিপুর গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে ইকবল হোসেনের সাথে ১০ মাস আগে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ঝাঝরি বেগমপুর গ্রামের কুদ্দুস আলীর মেয়ে সুখজানের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে সুখে শান্তিতে বসবাস করছিলেন ওই দম্পতি। তবে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মিল থাকলেও মাঝে মাঝে ইকবল তার স্ত্রীর কাছে টাকা দাবি করত। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডার ফলে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়। তার জের ধরে এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে এলাকাবাসীর ধারণা। তবে নিহত নববধূর পরিবারের দাবি তার মেয়েকে মেরে ফেলা হয়েছে।

নিহত সুখজানের মা সেলিনা খাতুন বলেন, বিয়ের পর থেকেই জামাই বিভিন্ন জিনিস ও টাকা চায়, আমি সব দিয়েছি। কয়েকদিন আগে আমার মেয়েকে চাপ দিতে থাকে দেড় লক্ষ টাকার জন্য। টাকা দিতে রাজি হয়েছি, বলেছিলাম কিছু দিন পর দিবুনি। এরপরেও তারা আমার মেয়েকে মেরে ফেললো। মাত্র ১০ মাস আগে মেয়ের বিয়ে দিলাম, আর মেয়ে আমার শেষ হয়ে গেলো।

এ বিষয়ে মেয়ের চাচাতো ভাই জুড়ন আলি বলেন, আমার বোনের বিয়ের দেওয়া পর থেকে বিভিন্ন সময় টাকা চাইতেন ইকবাল। কিছুদিন আগেও দেড় লক্ষ টাকা দাবি করে আমরা এটা দিতে পারি নাই তার কারণে আমার বোনকে তারা মেরে ফেলতে পরে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি অপেরেশন হিমেল রানা মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।