ফুসফুসের সমস্যা থেকে বাঁচাবে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড
- আপডেট সময় : ০৩:৪২:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৪ ৩০৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
শীতকালে বায়ু দূষণ বেড়ে যায়। অন্যদিকে শ্বাসকষ্টের বিভিন্ন সমস্যাও এ সময় বেড়ে যায়। একই সঙ্গে অনেক মানুষও আছে যাদের ধূমপানের নেশা রয়েছে। যা ফুসফুসের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। কিন্তু শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট খাবার খেলেই আপনি সেই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। আর তা হল ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড।
ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোর এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ফুসফুসকে বাঁচাতে পারে। ভার্জিনিয়া স্কুল অফ মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক জন কিম সম্প্রতি ফুসফুসের জটিল রোগ পালমোনারি ফাইব্রোসিস নিয়ে গবেষণা করেছেন।
সেই গবেষণায় বলা হয়েছে, এই বিশেষ ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড ফুসফুসের খারাপ অবস্থার মোকাবিলা করতে পারে। কিন্তু পালমোনারি ফাইব্রোসিস আসলে কি? কেন হয় এই রোগ? চলুন জেনে নিই-
পালমোনারি ফাইব্রোসিস: আসলে আমাদের ফুসফুসের ভিতরে অনেক ছোট ছোট বায়ুথলি আছে। তাদের অ্যালভিওলি বলা হয়। এগুলোর মধ্যে প্রতিনিয়ত অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড দেওয়া নেওয়া চলতে থাকে।
অ্যালভিওলির মাঝে মাঝে একটি বিশেষ যোগাযোগের পথ থাকে। বিজ্ঞান যাকে ক্যাপিলারি নেটওয়ার্ক বলে। পালমোনারি ফাইব্রোসিসে এই যোগাযোগের অঞ্চলগুলি নষ্ট হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় অ্যালভিওলি।
ফলে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের আদান-প্রদান ঠিকমতো হয় না। ধূমপান পালমোনারি ফাইব্রোসিসের প্রধান কারণ। এছাড়াও, কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি রয়েছে যেমন হার্টের সমস্যা।
এই গবেষণার অন্যতম প্রধান গবেষক ও চিকিৎসক জন কিম বলেন, রক্তে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই রোগের ঝুঁকি কমে। এই রোগের ক্ষেত্রে সাধারণত ফুসফুস প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়। ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের কল্যাণে তার আর প্রয়োজন হয় না। ট্রান্সপ্লান্ট ছাড়াই রোগীরা বেশি দিন বাঁচতে পারেন।
যে কারণে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড বেশ উপকারী-
সাধারণত সামুদ্রিক মাছ যেমন স্যামন, ডিম, আখরোট, সয়াবিন, বাদামের মধ্যে এই বিশেষ ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায়। এই ফ্যাটি অ্যাসিড হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। বর্তমান গবেষণা পরামর্শ দেয় যে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ফুসফুসের জটিল রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও ভূমিকা পালন করে। তবে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড কীভাবে ফুসফুসকে সুস্থ রাখে তা এখনও জানা যায়নি। এ নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন বলে জানান এই গবেষক।


























