ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কর্মকর্তাকে জিম্মি করে সরকারি কোয়ার্টার থেকে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট Logo ডাবল রেললাইনে যুক্ত হচ্ছে ঢাকা-সিলেট রুট: প্রধানমন্ত্রীর Logo আইজিপির সঙ্গে ইউনেস্কো প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ Logo লেবাননের সাথে যুদ্ধবিরতির কোনো চুক্তি হবেনা : ইসরায়েলি সেনাপ্রধান Logo ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ ও মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা Logo ৬ বিভাগে প্রবল বর্ষণের পূর্বাভাস, পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা Logo ইরান যুদ্ধ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ‘আসল খরচ’ হতে পারে ৪০–৫০ বিলিয়ন ডলার Logo প্রথম ভোটযুদ্ধেই বাজিমাত করলেন থালাপতি বিজয় Logo ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না বর্তমান সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo নাহিদ ইসলাম দুর্নীতিতে জড়িত না হলেও নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ: রাশেদ খাঁন

ঘাটতি কাটাতে নেপাল ও ভুটান থেকে বিদ্যুৎ আনার উদ্যোগ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:০৬:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ মে ২০২৩ ২৫৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
ঘাটতি কমাতে নেপাল ও ভুটান থেকে বিদ্যুৎ আনার চেষ্টা চলছে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বিভাগ ইতোমধ্যে ভারতের সঙ্গে এ বিষয়ে বেশ কয়েকবার আলোচনা করেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকের পর উভয় দেশ চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। ফলে খুব শিগগিরই এই চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চুক্তি হলেই বাংলাদেশ নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করতে পারবে।

জানা গেছে, নেপাল ও ভুটান থেকে বিদ্যুৎ কেনার বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে। দুই দেশ থেকে বিদ্যুৎ আনতে ভারতের সহযোগিতা প্রয়োজন। দীর্ঘ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করতে হবে।এতদিন ভারত এই বিষয়ে সম্মতি দিতে গড়িমসি করে আসছিল। তবে সম্প্রতি এসব বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনার পর কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে।

চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা সংক্রান্ত বাংলাদেশ-ভারত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির ২১তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সংক্রান্ত চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। বাংলাদেশের পক্ষে বিদ্যুৎ সচিব মোঃ হাবিবুর রহমান নেতৃত্ব দেন এবং ভারতের বিদ্যুৎ সচিব অলক কুমার নেতৃত্ব দেন। বৈঠকে বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি ও সঞ্চালন লাইন নির্মাণে সম্মতি প্রাপ্ত হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ভারতীয় কোম্পানি জিএমআর নেপালে একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করেছে। এই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির জন্য বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে আলোচনা করছিল। বিদ্যুৎ খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য গঠিত বাংলাদেশ-ভারত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটি ইতোমধ্যে ২০টি বৈঠক করেছে। তবে এবার ২১তম বৈঠকে দুই দেশই বিভিন্ন বিষয়ে একমত হয়েছে। দুই দেশই ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। বৈঠকে ভুটানে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বাংলাদেশ, ভারত ও ভুটানের ত্রিপক্ষীয় বিনিয়োগ নিয়েও আলোচনা হয়। এছাড়া বাংলাদেশে ওই বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

ঘাটতি কাটাতে নেপাল ও ভুটান থেকে বিদ্যুৎ আনার উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০২:০৬:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ মে ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:
ঘাটতি কমাতে নেপাল ও ভুটান থেকে বিদ্যুৎ আনার চেষ্টা চলছে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বিভাগ ইতোমধ্যে ভারতের সঙ্গে এ বিষয়ে বেশ কয়েকবার আলোচনা করেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ-ভারত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকের পর উভয় দেশ চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। ফলে খুব শিগগিরই এই চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চুক্তি হলেই বাংলাদেশ নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করতে পারবে।

জানা গেছে, নেপাল ও ভুটান থেকে বিদ্যুৎ কেনার বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে। দুই দেশ থেকে বিদ্যুৎ আনতে ভারতের সহযোগিতা প্রয়োজন। দীর্ঘ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করতে হবে।এতদিন ভারত এই বিষয়ে সম্মতি দিতে গড়িমসি করে আসছিল। তবে সম্প্রতি এসব বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনার পর কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে।

চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা সংক্রান্ত বাংলাদেশ-ভারত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির ২১তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সংক্রান্ত চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। বাংলাদেশের পক্ষে বিদ্যুৎ সচিব মোঃ হাবিবুর রহমান নেতৃত্ব দেন এবং ভারতের বিদ্যুৎ সচিব অলক কুমার নেতৃত্ব দেন। বৈঠকে বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি ও সঞ্চালন লাইন নির্মাণে সম্মতি প্রাপ্ত হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ভারতীয় কোম্পানি জিএমআর নেপালে একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করেছে। এই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির জন্য বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে আলোচনা করছিল। বিদ্যুৎ খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য গঠিত বাংলাদেশ-ভারত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটি ইতোমধ্যে ২০টি বৈঠক করেছে। তবে এবার ২১তম বৈঠকে দুই দেশই বিভিন্ন বিষয়ে একমত হয়েছে। দুই দেশই ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। বৈঠকে ভুটানে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বাংলাদেশ, ভারত ও ভুটানের ত্রিপক্ষীয় বিনিয়োগ নিয়েও আলোচনা হয়। এছাড়া বাংলাদেশে ওই বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।