আগৈলঝাড়ায় বিদ্যালয় বন্ধ করে মাঠে মেলা
- আপডেট সময় : ০৯:৩৩:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৪ ৩৫০ বার পঠিত

আগৈলঝাড়া প্রতিনিধিঃ
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে রামানন্দের আঁক মাধ্যমিক ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ করে বিদ্যালয় মাঠে সোমবার ও মঙ্গলবার সকাল থেকে স্টল সাজিয়ে বিভিন্ন প্রকার দোকান বসিয়ে মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাঠের পশ্চিমপার্শ্বে রয়েছে ১৮নং রামানন্দের আঁক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উত্তর পাশে রয়েছে রামানন্দের আঁক মাধ্যমিক বিদ্যালয়। দুটি বিদ্যালয়ের একই মাঠে বসানো হয়েছে মেলার দোকান। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সেখানে উপস্থিত থাকলেও উপস্থিত হয়নি কোন ছাত্র-ছাত্রী। মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধের ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পরস্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের রামানন্দের আঁক গ্রামে গ্রামবাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের পৗষ সংক্রান্তি ধরে রাখতে এবছরও মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেলা উপলক্ষে রামানন্দের আঁক মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ করে বিদ্যালয় মাঠে স্টল সাজিয়ে বিভিন্ন প্রকার দোকান বসানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে মেলা কমিটির সভাপতি রামকৃষ্ণ হালদার ও সাধারণ সম্পাদক মনোতোষ বিশ্বাস জানান, প্রতিবছর এই গ্রামে মারবেল খেলা ও মেলা বসে। স্কুল বন্ধ করে স্কুল মাঠে কারা দোকান বসিয়েছে তা আমাদের জানা নেই।
১৮নং রামানন্দের আঁক সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শঙ্কর লাল বিশ্বাস বলেন, মাঠের জায়গা আমাদের স্কুলের না। আমাদের বিদ্যালয়ে ১৬০জন শিক্ষার্থী ও ৬ জন শিক্ষক রয়েছে। আমরা স্কুল খোলা রেখেছি এবং সকল শিক্ষক উপস্থিত রয়েছি। কিন্তু মেলার কারনে কোন ছাত্র-ছাত্রী স্কুলে আসেনি।
এ ব্যাপারে রামানন্দের আঁক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরুন ঘটক বলেন, আমার কাছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মিহির কুমার বিশ্বাস মেলার জন্য বিদ্যালয় মাঠ চেয়েছিলেন। আমি তাকে স্কুল মাঠে মেলার জন্য মৌখিক ভাবে অনুমতি দিয়েছি। আর স্কুল বন্ধ রেখেছি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুর রহমান বলেন, বিদ্যালয় মাঠে মেলা করতে হলে লিখিত ভাবে জানিয়ে অনুমতি নিতে হয়। স্কুল বন্ধ করে তারা স্কুল মাঠে মেলা বসিয়েছে তার কোন অনুমতি নেয়া হয়নি।
আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিহা তানজিন বলেন, স্কুল বন্ধ রেখে স্কুল মাঠে মেলা বসানো বে—আইনি। আমি বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে জানিয়ে খোঁজ নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


















