ঢাকা ১০:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের DFO আমিনুলের বিরুদ্ধে ১৬ দফা অনিয়মের অভিযোগ, অপসারণসহ পাঁচ দফা দাবি Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী

আখাউড়ায় ৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন নিলামে বিক্রি

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:১৩:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৫০৭ বার পঠিত

মনিরুজ্জামান মনির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো পাকা ভবন মাত্র ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকায় নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। নিলামে কেনা ব্যক্তিরা ৮টি ভবন মাত্র ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকায় নিলামে কিনে ১৩/১৪ লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন। এতে করে সরকার বিপুল পরিমান টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে। গত ২ জানুয়ারি দুপুরে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা ৮ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবন নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানায়, একটি প্রভাবশালী মহল সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে কম দাম দেখিয়ে ভবনগুলো নিলামে উঠিয়েছেন। ৮টি ভবনের ভিত্তি মূল্য তারা নির্ধারণ করেছিলেন মাত্র ১ লাখ ৬৮ হাজার ১১৬ টাকা। পরে সামান্য বেশি দর দেখিয়ে ভবনগুলো প্রকাশ্যে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করেছে নিলাম কমিটি। নিলামে কেনা সংশ্লিষ্টরা পরে আটটি বিদ্যালয়ের একেকটি ভবন দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা করে বিক্রি করেছেন। দুই থেকে তিনটি বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি পুরনো ভবনগুলো কিনেছেন।

জানা গেছে, নুরপুর ক্যাপ্টেন মাহবুব ৯১ হাজার, ভাটামাথা ৯১ হাজার, নয়াদিল ২ লাখ ১৬ হাজার, আনোয়ারপুর প্রায় ১ লাখ ৩ হাজার, ছয়গড়িয়া ১ লাখ ৩০, রাধানগর ২ লাখ ১০ হাজার, জাঙ্গাল ১ লাখ ৪২ ও নুরপুর ১ লাখ ২৫ টাকা বিক্রি করা হয়েছে। সরকারিভাবে নিলামে কিনে ভবনগুলো মোট ১০ লাখ ৯৮ হাজার টাকায় বিক্রি করা করেছে সংশ্লিষ্টরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২ জানুয়ারি দুপুরে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা ৮ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবন নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। সে সময় নিলাম কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাবেয়া আক্তার, উপজেলা প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ ইলিয়াস উদ্দিনসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। উপজেলার রাধানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জাঙ্গাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছয়ঘরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নুরপুর ক্যাপ্টেন মাহবুব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নয়াদিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আনোয়ারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাটামাথা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন নিলামে বিক্রি করা হয়।

পূর্বের নির্ধারণ করা ভিত্তি মূল্যের চেয়ে মাত্র ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকা বেশিতে এসব বিদ্যালয়ের পুরনো ভবনগুলো বিক্রি করা হয়।

সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এর মধ্যে আনোয়ারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন মাত্র ৯ হাজার ৫০০ টাকায়, ভাটামাথার ভবন ১৩ হাজার ৫০০ টাকায়, নুরপুর ক্যাপ্টেন মাহবুরের ভবন ১৩ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। এছাড়া রাধানগরের ভবন ৩০ হাজার টাকা, নুরপুরের ভবন ২৮ হাজার টাকা, নয়াদিলের ভবন ৩০ হাজার টাকা, ছয়ঘরিয়ার ভবন ২৪ হাজার টাকা ও জাঙ্গালের ভবন ২৮ হাজার ৫০০ টাকায় প্রকাশ্যে নিলামে তুলে বিক্রি করা হয়। ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ৩ শতাংশ ট্যাক্স যোগ করে মূল্য দাঁড়ায় ২ লাখ ১১ হাজার ৮১০ টাকা।

সরকারি এই নিলামের পর আখাউড়া উপজেলায় পরিষদের ডাকবাংলোতে বসে নিলামকারীরা ভবনগুলো ফিরতি নিলামে বিক্রি করেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান, গত বৃহস্পতিবার সরকারি নিলাম বিক্রির আগে স্থানীয় এক প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধির বড় ভাই সেখানে গিয়ে ঠিকাদারদেরকে একত্রিত করে সমঝোতা করে নেন। ভবনগুলো সরকারি নিলামে অতিরিক্ত মূল্যে না কেনার বিষয়ে আলোচনা করেন। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে সামান্য বেশি দামে কিনে পরে ফিরতি ডাকে আবার বেশি দামে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন তারা। আর যিনি ডাক পাবেন তার কাছ থেকে টাকা নিয়ে নিজেদের মধ্যে বন্টন করা হবে। আটটি বিদ্যালয়ের পুরনো ভবন কম দামে নিলামে বিক্রির জন্য সংশ্লিষ্টদের সাথে ১০ লাখ টাকার সমঝোতা হয়।

আনোয়ারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুলতানা ফেরদৌসি জানান, ‘ভবনটি যে দামে (নয় হাজার ৫০০ টাকা) বিক্রি হয়েছে সেটা খুবই কম। তবে কিভাবে দাম নির্ধারণ করা হয় তা তার জানা নেই।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ ইলিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘উপজেলা প্রকৌশলী এবিষয়ে বিশেষজ্ঞ। তারা মূল্য নির্ধারণ করেছে।
উপজেলা প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম বলেন, আমাদের দপ্তর পরিমাপ করে রেট শিডিউল অনুয়ায়ী মূল্য নির্ধারণ করেছে। কিভাবে করেছেন এটা আমি বোঝাতে পারব না। সমঝোতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ রকম খবর আমাদের কাছে নাই। এসব আমরা জানি না। ভবনগুলোর মূল্য আগে থেকে নির্ধারণ করে শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নিলাম ডাক কমিটির সভাপতি রাবেয়া আক্তার বলেন, ‘উপজেলার নিলাম কমিটির বিশেষজ্ঞ সদস্যরা রেট শিডিউল অনুযায়ী প্রাক্কলন করে দিয়েছে। সেটির উপর ভিত্তি করে আমরা নিলামে ডাক তুলেছি। তিনি বলেন, আমরা উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে উচ্চ দরের যাদেরকে পেয়েছি, তাদেরকে প্রদান করেছি।

আখাউড়ায় ৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন নিলামে বিক্রি

আপডেট সময় : ০৮:১৩:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

মনিরুজ্জামান মনির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো পাকা ভবন মাত্র ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকায় নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। নিলামে কেনা ব্যক্তিরা ৮টি ভবন মাত্র ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকায় নিলামে কিনে ১৩/১৪ লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন। এতে করে সরকার বিপুল পরিমান টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে। গত ২ জানুয়ারি দুপুরে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা ৮ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবন নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানায়, একটি প্রভাবশালী মহল সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে কম দাম দেখিয়ে ভবনগুলো নিলামে উঠিয়েছেন। ৮টি ভবনের ভিত্তি মূল্য তারা নির্ধারণ করেছিলেন মাত্র ১ লাখ ৬৮ হাজার ১১৬ টাকা। পরে সামান্য বেশি দর দেখিয়ে ভবনগুলো প্রকাশ্যে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করেছে নিলাম কমিটি। নিলামে কেনা সংশ্লিষ্টরা পরে আটটি বিদ্যালয়ের একেকটি ভবন দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা করে বিক্রি করেছেন। দুই থেকে তিনটি বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি পুরনো ভবনগুলো কিনেছেন।

জানা গেছে, নুরপুর ক্যাপ্টেন মাহবুব ৯১ হাজার, ভাটামাথা ৯১ হাজার, নয়াদিল ২ লাখ ১৬ হাজার, আনোয়ারপুর প্রায় ১ লাখ ৩ হাজার, ছয়গড়িয়া ১ লাখ ৩০, রাধানগর ২ লাখ ১০ হাজার, জাঙ্গাল ১ লাখ ৪২ ও নুরপুর ১ লাখ ২৫ টাকা বিক্রি করা হয়েছে। সরকারিভাবে নিলামে কিনে ভবনগুলো মোট ১০ লাখ ৯৮ হাজার টাকায় বিক্রি করা করেছে সংশ্লিষ্টরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২ জানুয়ারি দুপুরে আখাউড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা ৮ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরোনো ভবন নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। সে সময় নিলাম কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাবেয়া আক্তার, উপজেলা প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ ইলিয়াস উদ্দিনসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। উপজেলার রাধানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জাঙ্গাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছয়ঘরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নুরপুর ক্যাপ্টেন মাহবুব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নয়াদিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আনোয়ারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাটামাথা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন নিলামে বিক্রি করা হয়।

পূর্বের নির্ধারণ করা ভিত্তি মূল্যের চেয়ে মাত্র ৮০০ থেকে ৩ হাজার টাকা বেশিতে এসব বিদ্যালয়ের পুরনো ভবনগুলো বিক্রি করা হয়।

সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এর মধ্যে আনোয়ারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন মাত্র ৯ হাজার ৫০০ টাকায়, ভাটামাথার ভবন ১৩ হাজার ৫০০ টাকায়, নুরপুর ক্যাপ্টেন মাহবুরের ভবন ১৩ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। এছাড়া রাধানগরের ভবন ৩০ হাজার টাকা, নুরপুরের ভবন ২৮ হাজার টাকা, নয়াদিলের ভবন ৩০ হাজার টাকা, ছয়ঘরিয়ার ভবন ২৪ হাজার টাকা ও জাঙ্গালের ভবন ২৮ হাজার ৫০০ টাকায় প্রকাশ্যে নিলামে তুলে বিক্রি করা হয়। ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ৩ শতাংশ ট্যাক্স যোগ করে মূল্য দাঁড়ায় ২ লাখ ১১ হাজার ৮১০ টাকা।

সরকারি এই নিলামের পর আখাউড়া উপজেলায় পরিষদের ডাকবাংলোতে বসে নিলামকারীরা ভবনগুলো ফিরতি নিলামে বিক্রি করেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান, গত বৃহস্পতিবার সরকারি নিলাম বিক্রির আগে স্থানীয় এক প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধির বড় ভাই সেখানে গিয়ে ঠিকাদারদেরকে একত্রিত করে সমঝোতা করে নেন। ভবনগুলো সরকারি নিলামে অতিরিক্ত মূল্যে না কেনার বিষয়ে আলোচনা করেন। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে সামান্য বেশি দামে কিনে পরে ফিরতি ডাকে আবার বেশি দামে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন তারা। আর যিনি ডাক পাবেন তার কাছ থেকে টাকা নিয়ে নিজেদের মধ্যে বন্টন করা হবে। আটটি বিদ্যালয়ের পুরনো ভবন কম দামে নিলামে বিক্রির জন্য সংশ্লিষ্টদের সাথে ১০ লাখ টাকার সমঝোতা হয়।

আনোয়ারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুলতানা ফেরদৌসি জানান, ‘ভবনটি যে দামে (নয় হাজার ৫০০ টাকা) বিক্রি হয়েছে সেটা খুবই কম। তবে কিভাবে দাম নির্ধারণ করা হয় তা তার জানা নেই।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ ইলিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘উপজেলা প্রকৌশলী এবিষয়ে বিশেষজ্ঞ। তারা মূল্য নির্ধারণ করেছে।
উপজেলা প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম বলেন, আমাদের দপ্তর পরিমাপ করে রেট শিডিউল অনুয়ায়ী মূল্য নির্ধারণ করেছে। কিভাবে করেছেন এটা আমি বোঝাতে পারব না। সমঝোতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ রকম খবর আমাদের কাছে নাই। এসব আমরা জানি না। ভবনগুলোর মূল্য আগে থেকে নির্ধারণ করে শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নিলাম ডাক কমিটির সভাপতি রাবেয়া আক্তার বলেন, ‘উপজেলার নিলাম কমিটির বিশেষজ্ঞ সদস্যরা রেট শিডিউল অনুযায়ী প্রাক্কলন করে দিয়েছে। সেটির উপর ভিত্তি করে আমরা নিলামে ডাক তুলেছি। তিনি বলেন, আমরা উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে উচ্চ দরের যাদেরকে পেয়েছি, তাদেরকে প্রদান করেছি।