অন্যান্যদের চেয়ে ডায়াবেটিস রোগীদের পিত্তথলিতে পাথরের ঝুঁকি বেশি!
- আপডেট সময় : ০২:২৯:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৪ ২৭৭ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
ডায়াবেটিস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ফলে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। একইভাবে, ডায়াবেটিস রোগীদের পিত্তথলিতে পাথর বা গলব্লাডার স্টোন হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় বেড়ে যায়।
বিভিন্ন বয়সের মানুষ এখন এই সমস্যায় ভুগছেন। এই রোগের প্রধান লক্ষণ হল পেটে ব্যথা। নিয়মিত পেটে ব্যথা পিত্তথলির পাথরের লক্ষণ।
মূলত, দীর্ঘ সময় ধরে খালি পেটে থাকলে পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ওজন বৃদ্ধি গলব্লাডারে চাপ দেয়। এই কারণেও অনেক সময় পিত্তথলিতে পাথর জমে। ৪০ বছর বয়সের পরে এই রোগের ঝুঁকি বেশি।
শরীরে পানির ঘাটতি হতে দেওয়া উচিত নয়। আপনার ডায়াবেটিস থাকলেও সতর্ক থাকুন। পরিবারে কারো এ রোগ থাকলেও সতর্ক থাকা ভালো। এই রোগ প্রায়ই বংশগত হয়।
যেসব লক্ষণ দেখলে সাবধান হবেন-
১. পিত্তথলিতে পাথর হলে মাংস বা তেল-মসলাযুক্ত খাবার খেলে পেটে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। অনেকের বমিও হয়।
২. কখনও কখনও কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে এবং সাথে পেটে ব্যথাও হয়।
৩. পিত্তথলির প্রধান লক্ষণ হল পেটের ডান দিক থেকে শুরু হয়ে ডান কাঁধ পর্যন্ত ব্যথা পৌঁছানো। এমনটা হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
৪. প্রস্রাবের রঙ দেখেও আপনি সতর্ক হতে পারেন। গাঢ় খয়েরি রঙের প্রস্রাব পিত্তথলির পাথর নির্দেশ করতে পারে।
৫. পিত্তথলিতে পাথর জমার কারণে অনেকেই জন্ডিসের মতো রোগে ভোগেন। জন্ডিস হলেও সতর্ক থাকতে হবে।


























