ঢাকা ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তি ও সতর্কীকরণ নোটিশ দৈনিক বাংলাদেশ কণ্ঠের নাম ও পরিচয় ব্যবহার নিয়ে সতর্কীকরণ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এমপির ভাতিজা পরিচয়ে দাপট, সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা দাবি Logo আপনি আওয়ামীগের চোর, সরাইল থানার ওসিকে রুমিন ফারহানা Logo মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানের সুস্থতা কামনায় পলাশ উপজেলা প্রেসক্লাবে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo সিরাজগঞ্জের নিমগাছী মৎস্য প্রকল্পের খুঁটি-তার ব্যক্তিগত বাসায় নেওয়ার অভিযোগ, জব্দ করে ইউপি চেয়ারম্যান Logo ইউপি সদস্য প্রার্থী আব্দুল হালিম হাওলাদারের যুব সমাজের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত Logo পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়কের পিতার ইন্তেকাল: সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে জানাজা সম্পন্ন! Logo পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের পর ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্কে রুমিন ফারহানা Logo বিয়ের প্রলোভন ও অশ্লীল ভিডিওর ভয় দেখিয়ে নারী নির্যাতন: পটুয়াখালীতে জাহাঙ্গীর গাজীর বিরুদ্ধে ভূক্তোভূগীর সংবাদ সম্মেলন। Logo ৮,০০০ এমএএইচ ব্যাটারি ও স্মার্ট ফিচারে ভিভো ওয়াই৩২

সকাল-সন্ধ্যা হরতাল:বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বাসায় পুলিশি অভিযান

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:০৩:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৩ ৩৯০ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

গণসমাবেশে সংঘর্ষের পর সকাল-সন্ধ্যা হরতালের দিন বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বাসায় তল্লাশি চালায় পুলিশ। রোববার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতার বাসায় অভিযান চালানো হয়।

আজ সকালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গুলশানের বাসায় অবস্থান নেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পরে তাকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে সকাল থেকে রাজধানীর শাহজাহানপুরে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বাড়ি ঘেরাও করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ৬টার দিকে বাড়ির ভেতরে তল্লাশি চালালে তাকে পাওয়া যায়নি।

একইভাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বনানীর বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। আমির খসরু বাড়িতে না থাকায় পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি।

অন্যদিকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালামের শান্তিনগরের বাসায়, ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হকের পল্লবীর বাসায় ও যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুর বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। এছাড়া বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের গুলশানের বাসায় অভিযান চালানো হয়।

গতকাল শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ ছিল। মহাসমাবেশ শুরুর আগে দুপুর থেকে কাকরাইলে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। পরে সংঘর্ষ বিজয়নগর জলের ট্যাঙ্ক ও শান্তিনগর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে পুলিশের এক সদস্য ও যুবদলের এক ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে ৪১ পুলিশ ও ২৫ আনসার সদস্য আহত হয়। আহত হয়েছেন অন্তত ২০ সাংবাদিক।

সংঘর্ষের সময় অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, বাস, মোটরসাইকেলসহ বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আগুন দেওয়া হয়েছে মোট ৫৫টি গাড়িতে। হামলা হয় কাকরাইলে প্রধান বিচারপতির বাসভবন ও রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে। এছাড়া কাকরাইল, ফকিরাপুল, নাইটিঙ্গেল মোড় ও শান্তিনগর এলাকার সাতটি পুলিশ বক্স পোড়ানো হয়। কমলাপুরে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।

সকাল-সন্ধ্যা হরতাল:বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বাসায় পুলিশি অভিযান

আপডেট সময় : ০৩:০৩:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

গণসমাবেশে সংঘর্ষের পর সকাল-সন্ধ্যা হরতালের দিন বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বাসায় তল্লাশি চালায় পুলিশ। রোববার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতার বাসায় অভিযান চালানো হয়।

আজ সকালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গুলশানের বাসায় অবস্থান নেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পরে তাকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে সকাল থেকে রাজধানীর শাহজাহানপুরে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বাড়ি ঘেরাও করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ৬টার দিকে বাড়ির ভেতরে তল্লাশি চালালে তাকে পাওয়া যায়নি।

একইভাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বনানীর বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। আমির খসরু বাড়িতে না থাকায় পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি।

অন্যদিকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালামের শান্তিনগরের বাসায়, ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হকের পল্লবীর বাসায় ও যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুর বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। এছাড়া বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের গুলশানের বাসায় অভিযান চালানো হয়।

গতকাল শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ ছিল। মহাসমাবেশ শুরুর আগে দুপুর থেকে কাকরাইলে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। পরে সংঘর্ষ বিজয়নগর জলের ট্যাঙ্ক ও শান্তিনগর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে পুলিশের এক সদস্য ও যুবদলের এক ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে ৪১ পুলিশ ও ২৫ আনসার সদস্য আহত হয়। আহত হয়েছেন অন্তত ২০ সাংবাদিক।

সংঘর্ষের সময় অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি, বাস, মোটরসাইকেলসহ বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আগুন দেওয়া হয়েছে মোট ৫৫টি গাড়িতে। হামলা হয় কাকরাইলে প্রধান বিচারপতির বাসভবন ও রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে। এছাড়া কাকরাইল, ফকিরাপুল, নাইটিঙ্গেল মোড় ও শান্তিনগর এলাকার সাতটি পুলিশ বক্স পোড়ানো হয়। কমলাপুরে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।