যানবাহনের ভাড়া ও নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে: ডা. জাহেদ
- আপডেট সময় : ০৬:০৮:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬ ৩৩ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। মঙ্গলবার ।। ২১ এপ্রিল ২০২৬ ।।
জ্বালানির দাম বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে পরিবহন ভাড়া সমন্বয়ের বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, জ্বালানির নতুন মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভাড়া নির্ধারণের বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং এটি যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে সরকারি কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান উল্লেখ করেন, ভাড়া বৃদ্ধির প্রভাব শুধু বাসেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং ট্রাক ভাড়ার ওপর এর বড় প্রভাব পড়বে, যা শেষ পর্যন্ত জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়াবে। তিনি বলেন, সরকার শুধু ভোক্তাদের স্বার্থ নয়, ব্যবসায়ীদের বিষয়টিও বিবেচনায় নেয়।
তিনি আরও বলেন, যারা বাস বা ট্রাক চালান তারাও এই রাষ্ট্রের নাগরিক। তাই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না, যাতে তাদের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সরকার কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের নয়; বরং সবার স্বার্থ বিবেচনায় এমন একটি সমাধান খোঁজা হচ্ছে, যাতে সবার ক্ষতি কম হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে কিছুটা কষ্ট সবারই ভাগ করে নিতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন, যা বৈশ্বিক বাস্তবতার অংশ।
জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে তিনি বলেন, বড় ধরনের সংকট না থাকলেও চাহিদা বৃদ্ধির কারণে কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছে। নতুন জাহাজ আসছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কাজ চলছে। কোথাও কোথাও বেশি দামে জ্বালানি বিক্রি হওয়ায় মানুষ বেশি করে কিনছে, ফলে কৃত্রিম চাপ তৈরি হচ্ছে।
তিনি জানান, কিছু এলাকায় সীমিত ঘাটতি থাকলেও সামগ্রিকভাবে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ ঘাটতি রয়েছে, যা বৈশ্বিক প্রবণতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বর্তমানে চাহিদা আগের তুলনায় কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই আতঙ্কে অতিরিক্ত জ্বালানি কিনছেন, এতে পরিস্থিতি আরও চাপের মধ্যে পড়ছে।
ডা. জাহেদ বলেন, দেশে একটি প্রবণতা রয়েছে—জ্বালানির দাম বাড়লেই পরিবহন ভাড়া ও দ্রব্যমূল্য প্রয়োজনের চেয়ে বেশি বাড়ানো হয়। সরকার এ বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করবে। তিনি সাধারণ মানুষকে কিছুটা ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান এবং বলেন, সবাইকেই এই পরিস্থিতির প্রভাব মোকাবিলা করতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সমাজের দুর্বল জনগোষ্ঠীর ওপর এই চাপ বেশি পড়ে। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ডিমের দাম সামান্য বাড়লেও অনেক পরিবারের জন্য তা বড় সিদ্ধান্তের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই এসব মানুষের জন্য প্রয়োজন হলে বিশেষ সহায়তা কর্মসূচি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।






















