ঢাকা ০১:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গাজীপুরে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ Logo জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন বিএম কলেজের দুই শিক্ষার্থী Logo গৌরনদীর দুই যুবক মাদকসহ বরিশালে আটক Logo সীমান্তে ফের বড় চালান জব্দ, ভারতীয় পণ্যের রহস্যময় প্রবেশপথে বিজিবির হানা Logo কুষ্টিয়ায় জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বিএনপি অফিসে হামলা ভাংচুর, আ’লীগ নেতার বাড়িতে আগুন Logo এ দেশে কেউ আর ভাগ্যহত থাকবে না: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী পুতুল Logo কুড়িগ্রামে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের প্রশিক্ষণ, সনদ বিতরণ ও পরিচিতি সভা Logo বাঁশ এখন বাণিজ্যিক চাষের উদ্ভিদ, লাভবান হচ্ছেন অনেক পরিবার Logo মন্দিরের মেহেদি পরলে এক বছরের মধ্যে বিয়ে নিশ্চিত, তিন ঘণ্টায় শেষ ৩৫০০ কেজি Logo মাদকের গডফাদার বিএনপির হলেও ধরতে যেন হাত না কাঁপে: আইনমন্ত্রী

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৩২:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ২১৪ বার পঠিত

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও বিজয়নগর উপজেলার মধ্যে সরাসরি সংযোগ সড়ক সীমনা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কের তিতাস নদীর তীরবর্তী এলাকায় কৃষিজমি ও জলাশয় ভরাট করে গড়ে তোলা অবৈধ দোকান ও স্থাপনার বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। শনিবার সকাল ১১ টার দিকে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন। এ সময় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রিন্স সরকার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান ও মোঃ আতাউর রহমান উপস্থিত ছিলেন। অভিযানকালে অবৈধভাবে নির্মিত বেশ কয়েকটি দোকান ও স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়। একই সাথে সড়কে অবৈধভাবে যানবাহন পার্কিং করার অপরাধে দুই ব্যক্তিকে মোট ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযান চলাকালে অধিকাংশ দখলদার ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। এ সময় কয়েকটি দখলকৃত দোকান ও জমির মালিকদেরকে জমির বৈধ মালিকানার কাগজপত্র এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে ভূমি অফিসে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হলে তাদের স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা। অভিযানে প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকারী সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন বলেন, তিতাস নদী, কৃষিজমি ও জলাশয় রক্ষায় অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আজ প্রাথমিকভাবে চারটি দোকান ভেঙে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি সড়ককে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা অন্যান্য অবৈধ স্থাপনাও পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হবে। তিনি বলেন, যারা এই কৃষি জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন, তাদের বৈধ কাগজপত্র যাচাই করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

আপডেট সময় : ০৭:৩২:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও বিজয়নগর উপজেলার মধ্যে সরাসরি সংযোগ সড়ক সীমনা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কের তিতাস নদীর তীরবর্তী এলাকায় কৃষিজমি ও জলাশয় ভরাট করে গড়ে তোলা অবৈধ দোকান ও স্থাপনার বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। শনিবার সকাল ১১ টার দিকে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন। এ সময় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রিন্স সরকার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান ও মোঃ আতাউর রহমান উপস্থিত ছিলেন। অভিযানকালে অবৈধভাবে নির্মিত বেশ কয়েকটি দোকান ও স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়। একই সাথে সড়কে অবৈধভাবে যানবাহন পার্কিং করার অপরাধে দুই ব্যক্তিকে মোট ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযান চলাকালে অধিকাংশ দখলদার ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। এ সময় কয়েকটি দখলকৃত দোকান ও জমির মালিকদেরকে জমির বৈধ মালিকানার কাগজপত্র এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে ভূমি অফিসে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হলে তাদের স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা। অভিযানে প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকারী সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন বলেন, তিতাস নদী, কৃষিজমি ও জলাশয় রক্ষায় অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আজ প্রাথমিকভাবে চারটি দোকান ভেঙে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি সড়ককে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা অন্যান্য অবৈধ স্থাপনাও পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হবে। তিনি বলেন, যারা এই কৃষি জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন, তাদের বৈধ কাগজপত্র যাচাই করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।