বিএনপির চলমান অবরোধে জনসাধারনের অংশগ্রহণ নেই: জয়
- আপডেট সময় : ০১:৩০:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩ ২০২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
বিএনপির চলমান অবরোধে জনগণের অংশগ্রহণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। রোববার (১২ নভেম্বর) সজীব ওয়াজেদ জয়ের ভেরিফায়েড এক্স হ্যান্ডেলে (আগের টুইটার) পোস্ট করা একটি একটি ভিডিও থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সজীব ওয়াজেদ জয় সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি শাখার সভাপতি কলিম উদ্দিন মিলনের নেতৃত্বে বিএনপির সমাবেশ থেকে অন্তত দুটি বাস ভাংচুরের মিডিয়া কভারেজ দেখিয়ে চলমান অবরোধে জনসাধারণের অংশগ্রহণ না করার বিষয়ে তার পুর্বের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
সমকালের ধারণকৃত ও প্রচারিত ভিডিও থেকে জানা যায়, ৮ নভেম্বর বিএনপি নেতা কলিমের নেতৃত্বে কয়েকজন মদনপুর ঘেরাও করে। তারা লাঠিসোটা ও রড নিয়ে সিলেট মহাসড়ক মোড় অবরোধ করে ভাংচুর চালায়। ভাঙচুরের সময় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম ও সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলামকেও লাঠিসোঁটা নিয়ে দেখা গেছে।
সজীব ওয়াজেদ তার ভেরিফায়েড এক্স হ্যান্ডেল (আগের টুইটার) থেকে এই ধরনের মিডিয়া রিপোর্ট সংকলন করে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন।
ভিডিওতে দেখা যায়, বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সুনামগঞ্জে তাদের আকস্মিক উপস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে রাস্তার দোকানদাররা তাদের দোকানপাট বন্ধ করে দেয়। এসময় তারা লাঠিসোঁটা ও রড নিয়ে একটি বাস ভাঙচুর করে। হামলায় আরও একটি সিএনজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভাঙচুরের সময় ও পরে ‘অবরোধ চলবে’, ‘জ্বালো, জ্বালো’, ‘জিয়ার সৈনিক’ স্লোগান দেওয়া হয়।
পরে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মিলন হামলাকারীদের স্বাগত জানিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা দেন যাতে তিনি কঠোর পরিণতির হুঁশিয়ারি দেন।
ভিডিওতে প্রায় ২০ জনের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করে সজিব ওয়াজেদ লিখেছেন, ‘বক্তৃতা চলাকালীন, তিনি দাবি করেন যে অবরোধে দেশবাসীর সমর্থন রয়েছে। কিন্তু মিডিয়ায় সম্প্রচারিত ভিডিওটিতে দেখা যায় যে এতে কোনো গণ অংশগ্রহণ ছিল না, শুধুমাত্র তার ২০ জন অনুগত ক্যাডারে একটি দল ছিল।’
আরও সহিংসতার ডাক দিলে একই গোষ্ঠী আরেকটি বাস ভাংচুর করে এবং পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।
এদিকে, সন্ধ্যার পর জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল চট্টগ্রাম মহানগর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সালাউদ্দিন কাদের আসাদের নেতৃত্বে একদল অগ্নিসংযোগকারী অবরোধ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে আরেকটি সমাবেশ করে। ভিডিও অনুসারে যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনার রিপোর্টের মধ্যে তাদের আগুনের লাঠি বহন করতে দেখা যায়, যা পথচারীদের মধ্যে আতঙ্কের অনুভূতি সৃষ্টি করে।























