ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo এশিয়ান গেমসের ব্যাডমিন্টনে বাংলাদেশের ইতিহাস, শেষ ষোলোতে গৌরব-আয়মান Logo ডাবল গ্র্যামি জয়ী কণ্ঠশিল্পী ক্যাসান্দ্রা উইলসন মারা গেছেন Logo যুক্তরাষ্ট্রে ৩৬ বছরের মধ্যে জনপ্রিয়তায় সর্বনিম্ন ডোনাল্ড ট্রাম্প Logo সাদিক কায়েমকে সতর্ক করে রফিকুল ইসলাম মাদানীর ফেসবুক পোস্ট Logo ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পুলিশ সদস্যদের পরিবর্তন দেখাতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকির মুখে বাংলাদেশ, বিশ্বকে প্রধানমন্ত্রীর ৫ বার্তা Logo ডিজিটাল ব্যাংক চালুর সম্মতি পেল বিকাশ, রবি ও বাংলালিংকসহ ৪ প্রতিষ্ঠান Logo বেহেশতের টিকিট বিক্রিকারীরা আবার ফ্যাসিস্টদের সাথে হাত মিলিয়েছে Logo ​কুমিল্লায় ব্র্যাকের কর্মশালা অনুষ্ঠিত-প্রবাসে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে’ জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা। Logo ভ্যান ছিনতাই করতে চালককে হত্যা, মরদেহে ইট বেঁধে ফেলা হয় নদীতে

জাবির অত্যাধুনিক ছয়টি হল এবং বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের উদ্বোধন

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:০৭:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৩ ২৫০ বার পঠিত

জাবি প্রতিনিধি :
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) নবনির্মিত অত্যাধুনিক ছয়টি আবাসিক হল ও ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বেলা পৌনে ১১টায় ৯৭ হাজার ৪৭১ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৪ মন্ত্রণালয়ের ১৫৭ টি প্রকল্প ও ১০ হাজার ৪১ টি অবকাঠামো উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে উদ্বোধন করেন তিনি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি মডেল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের লক্ষ্যে ২০১৮ সালের ২৩ অক্টোবর একনেকে ১ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। এই অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৩টি স্থাপনা তৈরি হবে। এরই মধ্যে ছয়টি আবাসিক হলের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে।

এর আগে, গত ১১ আগস্ট নবনির্মিত ছয়টি হলের নামকরণ করা হয়। ছাত্রীদের তিনটি হলের মধ্যে ১৭ নং হলের নাম বেগম রোকেয়া হল, ১৮ নং হলের নাম ফজিলাতুন্নেছা হল ও ১৯ নম্বর হলের নাম বীরপ্রতীক তারামন বিবি হল নামকরণ করা হয়েছে। আর ছাত্রদের ৩টি হলের মধ্যে ২০ নং হলের নাম শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল, ২১ নং হলের নাম শেখ রাসেল হল ২২ ও নং হলের নাম কাজী নজরুল ইসলাম হল হিসেবে নামকরণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে অনেক কাজ করেছিলাম। তবে পরে শুনি, আমরা নাকি কিছুই করিনি। তাই এবার যে কাজগুলো করেছি, সেগুলোর উদ্বোধন করে দিয়ে যাই। জনগণ ভোট দিলে আবারও ক্ষমতায় আসবো, না আসতে পারলেও কোনো আফসোস থাকবে না। কারণ আমরা দেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করতে পেরেছি। জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য আমরা কাজ করে আসছি। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য বদল হবে, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাবো। বিভিন্ন ধরনের দূর্যোগ মোকাবেলা করে আমরা বাংলাদেশেকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতায় আছি বলে বদলে যাওয়া বাংলাদেশ উপহার দিতে পেরেছি।

অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ নূরুল আলম প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অধিকতর উন্নয়নের জন্য ১ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছিলেন। সেই প্রকল্পের প্রথম ধাপে শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকটকে প্রায়োরিটি দিয়ে আমরা ৬টি হল নির্মাণ করেছি। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক খাতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের কাজ চলমান। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে এই অভূতপূর্ব সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য আমি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।’

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান অডিটোরিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত হন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নূরুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোস্তফা ফিরোজ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তন থেকে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

জাবির অত্যাধুনিক ছয়টি হল এবং বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের উদ্বোধন

আপডেট সময় : ০৭:০৭:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৩

জাবি প্রতিনিধি :
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) নবনির্মিত অত্যাধুনিক ছয়টি আবাসিক হল ও ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বেলা পৌনে ১১টায় ৯৭ হাজার ৪৭১ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৪ মন্ত্রণালয়ের ১৫৭ টি প্রকল্প ও ১০ হাজার ৪১ টি অবকাঠামো উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে উদ্বোধন করেন তিনি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি মডেল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের লক্ষ্যে ২০১৮ সালের ২৩ অক্টোবর একনেকে ১ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। এই অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৩টি স্থাপনা তৈরি হবে। এরই মধ্যে ছয়টি আবাসিক হলের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে।

এর আগে, গত ১১ আগস্ট নবনির্মিত ছয়টি হলের নামকরণ করা হয়। ছাত্রীদের তিনটি হলের মধ্যে ১৭ নং হলের নাম বেগম রোকেয়া হল, ১৮ নং হলের নাম ফজিলাতুন্নেছা হল ও ১৯ নম্বর হলের নাম বীরপ্রতীক তারামন বিবি হল নামকরণ করা হয়েছে। আর ছাত্রদের ৩টি হলের মধ্যে ২০ নং হলের নাম শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল, ২১ নং হলের নাম শেখ রাসেল হল ২২ ও নং হলের নাম কাজী নজরুল ইসলাম হল হিসেবে নামকরণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে অনেক কাজ করেছিলাম। তবে পরে শুনি, আমরা নাকি কিছুই করিনি। তাই এবার যে কাজগুলো করেছি, সেগুলোর উদ্বোধন করে দিয়ে যাই। জনগণ ভোট দিলে আবারও ক্ষমতায় আসবো, না আসতে পারলেও কোনো আফসোস থাকবে না। কারণ আমরা দেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করতে পেরেছি। জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য আমরা কাজ করে আসছি। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য বদল হবে, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাবো। বিভিন্ন ধরনের দূর্যোগ মোকাবেলা করে আমরা বাংলাদেশেকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতায় আছি বলে বদলে যাওয়া বাংলাদেশ উপহার দিতে পেরেছি।

অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ নূরুল আলম প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অধিকতর উন্নয়নের জন্য ১ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছিলেন। সেই প্রকল্পের প্রথম ধাপে শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকটকে প্রায়োরিটি দিয়ে আমরা ৬টি হল নির্মাণ করেছি। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক খাতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের কাজ চলমান। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে এই অভূতপূর্ব সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য আমি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।’

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান অডিটোরিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত হন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নূরুল আলম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোস্তফা ফিরোজ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তন থেকে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।