ঢাকা ১২:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকির মুখে বাংলাদেশ, বিশ্বকে প্রধানমন্ত্রীর ৫ বার্তা Logo ডিজিটাল ব্যাংক চালুর সম্মতি পেল বিকাশ, রবি ও বাংলালিংকসহ ৪ প্রতিষ্ঠান Logo বেহেশতের টিকিট বিক্রিকারীরা আবার ফ্যাসিস্টদের সাথে হাত মিলিয়েছে Logo ​কুমিল্লায় ব্র্যাকের কর্মশালা অনুষ্ঠিত-প্রবাসে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে’ জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা। Logo ভ্যান ছিনতাই করতে চালককে হত্যা, মরদেহে ইট বেঁধে ফেলা হয় নদীতে Logo কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল ব্র্যাকের নারী কর্মীর Logo ৫০ শয্যার ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ১৩০ রোগী, মেঝে-বারান্দায় চিকিৎসা Logo নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন Flagship: helio110 Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগুনে পুড়ে ছাই ১০ ঘর, নিঃস্ব ১৪ পরিবার Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার

জলবায়ু সম্পর্কিত প্রকল্পে বার্ষিক ব্যয় ৪৫ শতাংশে বাড়ানোর ঘোষণা:বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৫০:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৩ ৩৭৭ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
জলবায়ু সম্পর্কিত প্রকল্পগুলোতে ৩৫ থেকে বার্ষিক ব্যয় বাড়িয়ে ৪৫ শতাংশে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে (কপ-২৮) এ ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। কপ-২৮ সম্মেলনে বিশ্বব্যাপী জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে বিশ্বব্যাংক জলবায়ু-সংক্রান্ত প্রকল্পে বার্ষিক ব্যয় বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে।

সম্মেলনে অংশ নিয়ে এমন ঘোষণা দেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ। তিনি বলেন, ‘জলবায়ু সংক্রান্ত আরও কর্মকাণ্ডে সাড়া জাগাতে একটি নীতি সংশোধনের অংশ হিসেবে ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের অর্থায়নের জলবায়ু-সম্পর্কিত প্রকল্পগুলোতে বার্ষিক ব্যয় বাড়িয়ে ৪৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে। যা আগে ছিল ৩৫ শতাংশ।’

তিনি বলেন, ‘ওয়াশিংটন ভিত্তিক ব্যাংক এই প্রকল্পে ৪০ বিলিয়ন ব্যয় করবে, যা আগের চেয়ে ৯ বিলিয়ন ডলার বেশি।’

বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি যদি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে না রাখা হয়, তাহলে বিপর্যয় দেখা দেবে। তাই এর বাস্তবায়নের জন্য সময় বেঁধে দেওয়া দরকার। বৈশ্বিকভাবে অবশ্যই ক্ষয়ক্ষতি পোষাতে অর্থ বরাদ্দ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।

১৭৬০ সালের পর ইউরোপে যখন শিল্পবিপ্লবের সূচনা তখন থেকেই প্রকৃতির বিপদের শুরু। তখন থেকেই পৃথিবীতে কার্বন নিঃসরণ শুরু হয়। এর ফলে দিন দিন বাতাসের উষ্ণতা বেড়েছে, হয়েছে বায়ুদূষণ।

পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ২১০০ সাল নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা অন্তত ১ দশমিক ৬২ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে একবিংশ শতাব্দী শেষে পৃথিবীর বুক থেকে প্রায় অর্ধশত দেশ সমুদ্রপৃষ্ঠে তলিয়ে যাবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদীভাঙন, বন্যা, খরা, দাবানল বেশি হচ্ছে। এ কারণে এবারের জলবায়ু সম্মেলনের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।

জলবায়ু সম্পর্কিত প্রকল্পে বার্ষিক ব্যয় ৪৫ শতাংশে বাড়ানোর ঘোষণা:বিশ্বব্যাংক

আপডেট সময় : ০১:৫০:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:
জলবায়ু সম্পর্কিত প্রকল্পগুলোতে ৩৫ থেকে বার্ষিক ব্যয় বাড়িয়ে ৪৫ শতাংশে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে (কপ-২৮) এ ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। কপ-২৮ সম্মেলনে বিশ্বব্যাপী জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে বিশ্বব্যাংক জলবায়ু-সংক্রান্ত প্রকল্পে বার্ষিক ব্যয় বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে।

সম্মেলনে অংশ নিয়ে এমন ঘোষণা দেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ। তিনি বলেন, ‘জলবায়ু সংক্রান্ত আরও কর্মকাণ্ডে সাড়া জাগাতে একটি নীতি সংশোধনের অংশ হিসেবে ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের অর্থায়নের জলবায়ু-সম্পর্কিত প্রকল্পগুলোতে বার্ষিক ব্যয় বাড়িয়ে ৪৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে। যা আগে ছিল ৩৫ শতাংশ।’

তিনি বলেন, ‘ওয়াশিংটন ভিত্তিক ব্যাংক এই প্রকল্পে ৪০ বিলিয়ন ব্যয় করবে, যা আগের চেয়ে ৯ বিলিয়ন ডলার বেশি।’

বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি যদি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে না রাখা হয়, তাহলে বিপর্যয় দেখা দেবে। তাই এর বাস্তবায়নের জন্য সময় বেঁধে দেওয়া দরকার। বৈশ্বিকভাবে অবশ্যই ক্ষয়ক্ষতি পোষাতে অর্থ বরাদ্দ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।

১৭৬০ সালের পর ইউরোপে যখন শিল্পবিপ্লবের সূচনা তখন থেকেই প্রকৃতির বিপদের শুরু। তখন থেকেই পৃথিবীতে কার্বন নিঃসরণ শুরু হয়। এর ফলে দিন দিন বাতাসের উষ্ণতা বেড়েছে, হয়েছে বায়ুদূষণ।

পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ২১০০ সাল নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা অন্তত ১ দশমিক ৬২ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে একবিংশ শতাব্দী শেষে পৃথিবীর বুক থেকে প্রায় অর্ধশত দেশ সমুদ্রপৃষ্ঠে তলিয়ে যাবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদীভাঙন, বন্যা, খরা, দাবানল বেশি হচ্ছে। এ কারণে এবারের জলবায়ু সম্মেলনের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।