ঢাকাকে বসবাসের উপযোগী নগরীতে গড়তে পরিকল্পিত উন্নয়নের ওপর জোর প্রধানমন্ত্রীর
- আপডেট সময় : ০৩:২৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ৩১ বার পঠিত

রাজধানী ঢাকাকে বিশ্বের কম বসবাসযোগ্য শহরের তালিকা থেকে বের করে আনতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, পরিকল্পনাহীন নগরায়ণ, পরিবেশ দূষণ এবং যেখানে-সেখানে শিল্পকারখানা স্থাপনের প্রবণতা বন্ধ না হলে রাজধানীর বাসযোগ্যতা আরও সংকটের মুখে পড়তে পারে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূচকে ঢাকার বর্তমান অবস্থান উদ্বেগজনক। তাই নগর পরিকল্পনায় পরিবেশবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
তিনি বলেন, দেশের মানুষের মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে সচেতনতা এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। পরিবেশ রক্ষাকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে সরকার, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে।
নির্বাচনী অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যে সরকার ধারাবাহিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না; স্থানীয় পরিবেশ ও জলবায়ুর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ গাছ নির্বাচন করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে তিনি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে বিবেচিত ইউক্যালিপটাসের মতো গাছ লাগানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় তিনজন ব্যক্তি ও তিনটি প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পরিবেশ পদকে সম্মানিত করা হয়। এছাড়া বৃক্ষরোপণ ও সবুজায়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাতটি বিভাগে মোট ২১ জনকে জাতীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, গত সোমবার (৬ জুলাই) প্রকাশিত ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের ২০২৬ সালের গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্সে বিশ্বের ১৭৩টি শহরের মধ্যে সবচেয়ে কম বসবাসযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান তৃতীয়। একই অবস্থানে ছিল রাজধানী ২০২৫ সালের সূচকেও।





















