ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের DFO আমিনুলের বিরুদ্ধে ১৬ দফা অনিয়মের অভিযোগ, অপসারণসহ পাঁচ দফা দাবি Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে যেন কথা বলতে না পারে তাই ‘ড্রাকোনিয়ান আইন’ করছে সরকার: রিজভী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:১০:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৪০২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ‘মিথ্যা খবর দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি বন্ধে সংসদে আইন আনা হবে’-সংসদে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের দেওয়া এমন বক্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, এর মাধ্যমে নাগরিকদের ওপর নজরদারি আরও তীব্র হবে। তিনি বলেন, এটি সমগ্র জাতিকে পর্যবেক্ষণে রাখার এক নতুন কালো আইন প্রনয়ণের আলামত। মূলত, বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কেউ যাতে কথা বলতে না পারে সেজন্য সরকার একের পর এক ‘ড্রাকোনিয়ান আইন’ তৈরি করছে।

২৯ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকেলে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি সরকারের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বানও জানান।

রিজভী বলেন, ‘দেশে মতপ্রকাশ বা বাকস্বাধীনতা প্রয়োগের জন্য অনেক মানুষকে মামলা ও জেল-জুলুম ভোগ করতে হয়েছে। এবার জুলুম-নির্যাতনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেবে। সরকারের বিরুদ্ধে কেউ সমালোচনা করতে পারবে না। নির্বাচনী ব্যবস্থা কলুষিত করে সরকার মানুষের ন্যুনতম অধিকার দিতে রাজি নয়। তাদের কাছে জনগণ নিতান্তই গৌণ, উপেক্ষিত তাচ্ছিল্যের একটি বিষয়।’

রিজভী আরও বলেন, ‘জনগণের অবস্থা বিবেচনা না করেই আবারও বিদ্যুতের দাম বাড়াচ্ছে সরকার। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের ক্ষমতা কমিয়ে সরকার যখন খুশি বিদ্যুতের দাম বাড়াতে পারবে। এ আইন অনুমোদন করিয়ে জনগণকে নিপীড়ন ও ফতুর করার নীতি গ্রহণ করেছে সরকার।’

তিনি বলেন, ‘সরকার সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্য বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। গ্যাস সংকট জিইয়ে রেখে এলএনজির ব্যবসার দ্বার খোলা হয়েছে। সরকার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যবসার মাধ্যমে নিজেদের পকেট ভরছেন। এটা স্পষ্ট যে, বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের লোকসান আসলে সংশ্নিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান ও দায?িত্বশীলদের অব্যবস্থাপনা, অবহেলা আর দুর্নীতির ফল। কিন্তু এর দায় মেটাতে হচ্ছে জনগণকে।’

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে যেন কথা বলতে না পারে তাই ‘ড্রাকোনিয়ান আইন’ করছে সরকার: রিজভী

আপডেট সময় : ০৪:১০:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি :

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ‘মিথ্যা খবর দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি বন্ধে সংসদে আইন আনা হবে’-সংসদে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের দেওয়া এমন বক্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, এর মাধ্যমে নাগরিকদের ওপর নজরদারি আরও তীব্র হবে। তিনি বলেন, এটি সমগ্র জাতিকে পর্যবেক্ষণে রাখার এক নতুন কালো আইন প্রনয়ণের আলামত। মূলত, বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কেউ যাতে কথা বলতে না পারে সেজন্য সরকার একের পর এক ‘ড্রাকোনিয়ান আইন’ তৈরি করছে।

২৯ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকেলে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি সরকারের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বানও জানান।

রিজভী বলেন, ‘দেশে মতপ্রকাশ বা বাকস্বাধীনতা প্রয়োগের জন্য অনেক মানুষকে মামলা ও জেল-জুলুম ভোগ করতে হয়েছে। এবার জুলুম-নির্যাতনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেবে। সরকারের বিরুদ্ধে কেউ সমালোচনা করতে পারবে না। নির্বাচনী ব্যবস্থা কলুষিত করে সরকার মানুষের ন্যুনতম অধিকার দিতে রাজি নয়। তাদের কাছে জনগণ নিতান্তই গৌণ, উপেক্ষিত তাচ্ছিল্যের একটি বিষয়।’

রিজভী আরও বলেন, ‘জনগণের অবস্থা বিবেচনা না করেই আবারও বিদ্যুতের দাম বাড়াচ্ছে সরকার। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের ক্ষমতা কমিয়ে সরকার যখন খুশি বিদ্যুতের দাম বাড়াতে পারবে। এ আইন অনুমোদন করিয়ে জনগণকে নিপীড়ন ও ফতুর করার নীতি গ্রহণ করেছে সরকার।’

তিনি বলেন, ‘সরকার সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্য বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। গ্যাস সংকট জিইয়ে রেখে এলএনজির ব্যবসার দ্বার খোলা হয়েছে। সরকার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যবসার মাধ্যমে নিজেদের পকেট ভরছেন। এটা স্পষ্ট যে, বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের লোকসান আসলে সংশ্নিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান ও দায?িত্বশীলদের অব্যবস্থাপনা, অবহেলা আর দুর্নীতির ফল। কিন্তু এর দায় মেটাতে হচ্ছে জনগণকে।’