সংবাদ শিরোনাম :
র্যাব-৯ এর অভিযানে সরাইলে হত্যার পর লাশ গুমের চেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্ত গ্রেফতার
বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
- আপডেট সময় : ০৫:৩৭:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ৩৬ বার পঠিত

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় এক কিশোরকে হত্যা করে লাশ গুমের চেষ্টার ঘটনায় অভিযুক্ত একজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯। র্যাব জানায়, এলিট ফোর্স হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই র্যাব হত্যা, সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, জঙ্গিবাদ দমনসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের গোয়েন্দা কার্যক্রম ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, নিহত জিহাদ ইসলাম জয় (১৬) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার কুট্টাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। গত ১০ জুলাই ২০২৬ বিকেল প্রায় ৫ টার দিকে তিনি তার বাবার সঙ্গে নাইল্লা ভাঙার মোড়ে মাছ ধরতে যান। পরে তার বাবা কিছু মাছ বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আবার ফিরে আসতে বললে জয় বাড়িতে গিয়ে মাছ দিয়ে পুনরায় বের হয়ে যায়। তবে মাগরিবের নামাজের পরও সে নির্ধারিত স্থানে না পৌঁছালে এবং রাত পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
একপর্যায়ে রাত প্রায় ৯ টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কুট্টাপাড়া মোড় এলাকায় রাস্তার দক্ষিণ পাশে একটি ঝোপের ভেতর জয়ের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। মরদেহের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, দুর্বৃত্তরা জয়কে হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে ঝোপের মধ্যে ফেলে রেখে যায়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে সরাইল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯, সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি আভিযানিক দল, জুলাই ২০২৬ সন্ধ্যায় সরাইল উপজেলার কুট্টাপাড়া কবরস্থান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে সরাইল থানার মামলা নং-২০ (তারিখ: ১৩ জুলাই ২০২৬), পেনাল কোড ১৮৬০-এর ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় দায়ের করা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত অভিযুক্ত সুজন মিয়া (৩৫)-কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত সুজন মিয়া কুট্টাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম জয়নাল মিয়া। র্যাব-৯ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি মামলার অন্যান্য দিক তদন্তে গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-৯-এর অভিযানও চলমান থাকবে।





















