ঢাকা ০৯:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আইফায় ১২ পুরস্কার জিতল ধুরন্ধর, কার হাতে উঠল কোন পুরস্কার? Logo সাঈদ আনোয়ারের রেকর্ডে ভাগ বসালেন ফখর জামান Logo Logo বিক্ষোভ করা শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করল পুলিশ, যান চলাচল স্বাভাবিক Logo সোমবার থেকে ১৩ সিটি করপোরেশনে ই-রিকশা নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু, ফি ৮-১০ হাজার টাকা Logo প্রেমের আড়ালে প্রতারণার ফাঁদ, বড় পর্দায় আসছে সুমন পলাশের ‘ফিল্টার’ Logo পণ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা বাড়ার শঙ্কা Logo ট্রাম্প কি ক্ষমতা হারাবেন? কতটা গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচন Logo খেলনা বিক্রি করতে গিয়ে গার্মেন্টস কর্মীর সঙ্গে প্রেম, এলো ‘ঝুনঝুনি’ Logo মাও বিতর্কে চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে লা লিগা সভাপতি

মেয়েদের জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়তে পরিবার-সমাজকেও দায়িত্ব নিতে হবে

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩২ বার পঠিত

গাজীপুর প্রতিনিধি :
মেয়েদের জন্য আরও নিরাপদ ও সহায়ক ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি পরিবার ও সমাজকেও দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। তিনি বলেছেন, বাল্যবিবাহ, সহিংসতা ও নানা সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কারণে অনেক মেয়ে উচ্চশিক্ষায় আসার আগেই ঝরে পড়ে। এ পরিস্থিতির পরিবর্তনে মেয়েদের জন্য নিরাপদ ও আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।
গতকাল সোমবার হবিগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আন্তঃকলেজ সাংস্কৃতিক ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর হবিগঞ্জ জেলা পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. আমানুল্লাহ বলেন, সরকারের ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। এর মূল লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের আনন্দময়, মানবিক ও নিরাপদ পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তৈরি করা। শুধু শ্রেণিকক্ষের পড়াশোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, বিতর্ক, খেলাধুলা ও সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মেয়েদের STEM—বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত—শিক্ষায় আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে হবে। ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্র ও শিল্পের চাহিদার সঙ্গে শিক্ষাকে যুক্ত করা প্রয়োজন। ২০২৮ সাল থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন শিক্ষাক্রমে শিল্প ও কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে শিক্ষার সংযোগ আরও জোরদার করা হবে। এই পরিবর্তনের যাত্রায় মেয়েদেরও সমানভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য এমন পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়ে উপাচার্য বলেন, সেখানে শিক্ষার্থীরা আনন্দের সঙ্গে শিখবে, নিজেদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাবে এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত হবে। সাংস্কৃতিক ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার মতো আয়োজন শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, যুক্তিবোধ, সৃজনশীলতা ও দেশপ্রেম বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। হবিগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল মজিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলেজটির প্রাক্তন অধ্যক্ষ অধ্যাপক জাহান আরা খাতুন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল করিম, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. ইলিয়াছ বখত চৌধুরীসহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা, কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অতিথিরা।

##
জাহিদ হাসান ভূঁইয়া
গাজীপুর প্রতিনিধি।
তারিখ- ১৪-০৯-২৬bv

ট্যাগস :

মেয়েদের জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়তে পরিবার-সমাজকেও দায়িত্ব নিতে হবে

আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাজীপুর প্রতিনিধি :
মেয়েদের জন্য আরও নিরাপদ ও সহায়ক ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি পরিবার ও সমাজকেও দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। তিনি বলেছেন, বাল্যবিবাহ, সহিংসতা ও নানা সামাজিক প্রতিবন্ধকতার কারণে অনেক মেয়ে উচ্চশিক্ষায় আসার আগেই ঝরে পড়ে। এ পরিস্থিতির পরিবর্তনে মেয়েদের জন্য নিরাপদ ও আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।
গতকাল সোমবার হবিগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আন্তঃকলেজ সাংস্কৃতিক ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর হবিগঞ্জ জেলা পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. আমানুল্লাহ বলেন, সরকারের ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। এর মূল লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের আনন্দময়, মানবিক ও নিরাপদ পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ তৈরি করা। শুধু শ্রেণিকক্ষের পড়াশোনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, বিতর্ক, খেলাধুলা ও সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মেয়েদের STEM—বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত—শিক্ষায় আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে হবে। ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্র ও শিল্পের চাহিদার সঙ্গে শিক্ষাকে যুক্ত করা প্রয়োজন। ২০২৮ সাল থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাক্রমে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন শিক্ষাক্রমে শিল্প ও কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে শিক্ষার সংযোগ আরও জোরদার করা হবে। এই পরিবর্তনের যাত্রায় মেয়েদেরও সমানভাবে সম্পৃক্ত করতে হবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য এমন পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়ে উপাচার্য বলেন, সেখানে শিক্ষার্থীরা আনন্দের সঙ্গে শিখবে, নিজেদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাবে এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত হবে। সাংস্কৃতিক ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার মতো আয়োজন শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, যুক্তিবোধ, সৃজনশীলতা ও দেশপ্রেম বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। হবিগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল মজিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলেজটির প্রাক্তন অধ্যক্ষ অধ্যাপক জাহান আরা খাতুন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল করিম, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. ইলিয়াছ বখত চৌধুরীসহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা, কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অতিথিরা।

##
জাহিদ হাসান ভূঁইয়া
গাজীপুর প্রতিনিধি।
তারিখ- ১৪-০৯-২৬bv