ঢাকা ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ৯ম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে স্বীকৃতি পেল ৮৯টি ক্যাম্পেইন Logo মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী Logo ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, চাপে রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা Logo হেলিও স্মার্টফোনের নতুন সেনসেশন, হেলিও ৪৬ Logo গাজীপুরে জিয়াউর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন Logo গাজীপুরে বহুতল ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধায় বিদায় নিলেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশিদ Logo সাবেক এমপি হারুন আল রশিদের মৃত্যুতে সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শোক  Logo বেনজীরকে ফেরাতে সব নথি পাঠানো হয়েছে, দ্রুত প্রত্যর্পণের আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo একটি কোম্পানির মাধ্যমে সকল রুটে গণপরিবহন পরিচালনা করা হবে : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লাভ-লোকসান যাই হোক কর নেবে সরকার:অর্থ উপদেষ্টা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:২৬:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫ ৪০৬ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ ।।

আগে ব্যবসায় লাভ হলে তার ওপরে কর নিতো সরকার। এখন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের লাভ-লোকসান যাই হোক, শতকে এক টাকা করে কর দিতে হবে। আগামী ২০২৫–২৬ অর্থবছরের বাজেটে এ কর বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।বাজেটে বলা হয়েছে, কোনো প্রতিষ্ঠানের টার্নওভার ট্যাক্স বা লেনদেন কর হবে ১ শতাংশ, যা শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ আছে। লাভ ও লোকসান নির্বিশেষে এ কর দিতে হবে।

সাধারণভাবে ১০০ টাকার বিপরীতে ১ টাকাকে কম মনে হতে পারে। তবে মূল্য সংযোজন কর (মূসক/ভ্যাট) ও অন্যান্য করের বাইরে সরকার এই ১ শতাংশ অর্থ নেবে আয়কর হিসেবে। এটা ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের জন্য কঠিন হবে। বড় প্রতিষ্ঠানগুলোও যেহেতু প্রচুর কেনাবেচা করছে, তাদেরও ব্যয় বাড়বে অনেক।এ বিষয়ে টিকে গ্রুপের পরিচালক শফিউল আতাহার তসলিম জাগো নিউজকে বলেন, সাধারণভাবে ব্যবসায়ীরা লাভের উপরে কর দিতো। এখন লোকসান করলেও দিতে হবে। অর্থাৎ একটি পণ্য ১০০ টাকায় কিনে ৯৯ টাকা বিক্রি করে লোকসান হলেও সরকার কর নেবে-এটা যুক্তিযোগ্য মনে হচ্ছে না। এতে অনেক ব্যবসায়ী নিরুৎসাহীত হবে। এটা ব্যাংকের সুদের মতো হয়ে যাচ্ছে, যেমন লোন নিলে শোধ না করা পর্যন্ত অনবরত সেটা দিতে হয়। তেমন ব্যবসা করলে কর নিবেই সরকার।এ ছাড়া শিল্পের কর অবকাশ সুবিধাও বাতিল করা হয়েছে। বর্তমানে ৩১টি শিল্প খাত ১০ বছরের জন্য অঞ্চলভেদে ক্রমহ্রাসমান হারে কর অবকাশ সুবিধা ভোগ করছে। শিল্প খাতগুলো হচ্ছে, অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যালস ইনগ্রিডিয়েন্ট, কৃষি যন্ত্রপাতি, ব্যারিয়ার কন্ট্রাসেপটিভ ও রাবার ল্যাটেক্স, ইলেকট্রনিক্সের মৌলিক উপাদান (রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর, ট্রানজিটর, ইন্ট্রিগ্রেটেড সার্কিট ও মাল্টিলেয়ার পিভিসি); বাইসাইকেল ও এর যন্ত্রাংশ, বায়ো ফার্টিলাইজার; বায়োটেকনলজিভিত্তিক কৃষি পণ্য, বয়লারের খুচরা যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জামসহ, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, আসবাবপত্র, হোম অ্যাপ্লায়েন্স (ব্লেন্ডার, রাইস কুকার, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ইলেকট্রিক ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, ইনডাকশন কুকার, ওয়াটার ফিল্টার), কীটনাশক ও বালাইনাশক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, এলইডি টিভি, ফলমূল ও শাকসবজি প্রক্রিয়াকরণ, মোবাইল ফোন, পেট্রোকেমিক্যাল; ফার্মাসিউটিক্যালস; প্লাস্টিক রিসাইক্লিং; টেক্সটাইল মেশিনারি; টিস্যু গ্রাফটিং; খেলনা উৎপাদন; টায়ার ম্যানুফেকচারিং, ইলেকট্রিক্যাল ট্রান্সফরমার, ম্যানমেইড ফাইবার উৎপাদন, অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ম্যানুফেকচারিং, রোবটিক্স ডিজাইন, এআইভিত্তিক সিস্টেম ডিজাইন, ম্যানুফেকচারিং, ন্যানোটেকনোলজিভিত্তিক পণ্য ম্যানুফেকচারিং এবং এয়ারক্রাফট হেভি মেইনটেন্যান্স সার্ভিস ও খুচরা যন্ত্রাংশ ম্যানুফেকচারিং।

ট্যাগস :

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লাভ-লোকসান যাই হোক কর নেবে সরকার:অর্থ উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০২:২৬:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

বাংলাদেশ কণ্ঠ ।।

আগে ব্যবসায় লাভ হলে তার ওপরে কর নিতো সরকার। এখন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের লাভ-লোকসান যাই হোক, শতকে এক টাকা করে কর দিতে হবে। আগামী ২০২৫–২৬ অর্থবছরের বাজেটে এ কর বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।বাজেটে বলা হয়েছে, কোনো প্রতিষ্ঠানের টার্নওভার ট্যাক্স বা লেনদেন কর হবে ১ শতাংশ, যা শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ আছে। লাভ ও লোকসান নির্বিশেষে এ কর দিতে হবে।

সাধারণভাবে ১০০ টাকার বিপরীতে ১ টাকাকে কম মনে হতে পারে। তবে মূল্য সংযোজন কর (মূসক/ভ্যাট) ও অন্যান্য করের বাইরে সরকার এই ১ শতাংশ অর্থ নেবে আয়কর হিসেবে। এটা ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের জন্য কঠিন হবে। বড় প্রতিষ্ঠানগুলোও যেহেতু প্রচুর কেনাবেচা করছে, তাদেরও ব্যয় বাড়বে অনেক।এ বিষয়ে টিকে গ্রুপের পরিচালক শফিউল আতাহার তসলিম জাগো নিউজকে বলেন, সাধারণভাবে ব্যবসায়ীরা লাভের উপরে কর দিতো। এখন লোকসান করলেও দিতে হবে। অর্থাৎ একটি পণ্য ১০০ টাকায় কিনে ৯৯ টাকা বিক্রি করে লোকসান হলেও সরকার কর নেবে-এটা যুক্তিযোগ্য মনে হচ্ছে না। এতে অনেক ব্যবসায়ী নিরুৎসাহীত হবে। এটা ব্যাংকের সুদের মতো হয়ে যাচ্ছে, যেমন লোন নিলে শোধ না করা পর্যন্ত অনবরত সেটা দিতে হয়। তেমন ব্যবসা করলে কর নিবেই সরকার।এ ছাড়া শিল্পের কর অবকাশ সুবিধাও বাতিল করা হয়েছে। বর্তমানে ৩১টি শিল্প খাত ১০ বছরের জন্য অঞ্চলভেদে ক্রমহ্রাসমান হারে কর অবকাশ সুবিধা ভোগ করছে। শিল্প খাতগুলো হচ্ছে, অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যালস ইনগ্রিডিয়েন্ট, কৃষি যন্ত্রপাতি, ব্যারিয়ার কন্ট্রাসেপটিভ ও রাবার ল্যাটেক্স, ইলেকট্রনিক্সের মৌলিক উপাদান (রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর, ট্রানজিটর, ইন্ট্রিগ্রেটেড সার্কিট ও মাল্টিলেয়ার পিভিসি); বাইসাইকেল ও এর যন্ত্রাংশ, বায়ো ফার্টিলাইজার; বায়োটেকনলজিভিত্তিক কৃষি পণ্য, বয়লারের খুচরা যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জামসহ, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, আসবাবপত্র, হোম অ্যাপ্লায়েন্স (ব্লেন্ডার, রাইস কুকার, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ইলেকট্রিক ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, ইনডাকশন কুকার, ওয়াটার ফিল্টার), কীটনাশক ও বালাইনাশক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, এলইডি টিভি, ফলমূল ও শাকসবজি প্রক্রিয়াকরণ, মোবাইল ফোন, পেট্রোকেমিক্যাল; ফার্মাসিউটিক্যালস; প্লাস্টিক রিসাইক্লিং; টেক্সটাইল মেশিনারি; টিস্যু গ্রাফটিং; খেলনা উৎপাদন; টায়ার ম্যানুফেকচারিং, ইলেকট্রিক্যাল ট্রান্সফরমার, ম্যানমেইড ফাইবার উৎপাদন, অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ম্যানুফেকচারিং, রোবটিক্স ডিজাইন, এআইভিত্তিক সিস্টেম ডিজাইন, ম্যানুফেকচারিং, ন্যানোটেকনোলজিভিত্তিক পণ্য ম্যানুফেকচারিং এবং এয়ারক্রাফট হেভি মেইনটেন্যান্স সার্ভিস ও খুচরা যন্ত্রাংশ ম্যানুফেকচারিং।