ঢাকা ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo একটি কোম্পানির মাধ্যমে সকল রুটে গণপরিবহন পরিচালনা করা হবে : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী Logo বটতলায় জমজমাট ফাইনাল: চ্যাম্পিয়ান ভাতকাঠি একতা ফাউন্ডেশন। Logo সুন্দরগঞ্জে কৃষকদের মাঝে বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ Logo অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল শিশুর Logo জনগণের ভালোবাসা বড় শক্তি, নিরাপত্তা কড়াকড়ি যেন দূরত্ব তৈরি না করে: প্রধানমন্ত্রী Logo রাজাপুর সদর ইউনিয়নে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করলেন ছাত্রনেতা নাফিজ Logo বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল দারাজ Logo বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী Logo বাগেরহাটে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে সনাকের মানববন্ধন ও ১১ দফা সুপারিশ পেশ Logo বিদ্যালয়ে প্রেম নিবেদন, থানায় ৩ কিশোর, বহিষ্কার ২ ছাত্রী

বিএনপিকে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে সরাতে নেতা-কর্মীদের কারাগারে পাঠানো হচ্ছে : ফখরুল

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৪:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন ২০২৩ ২২৯ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
সম্প্রতি বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর সরকারের জুলুম নির্যাতনের নানা কৌশল বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে হত্যা, খুন, মিথ্যা মামলা এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে বিএনপিকে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে সরাতে নেতা-কর্মীদের কারাগারে পাঠাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ভয়াবহ ষড়যন্ত্রের পর বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন ও তার স্ত্রী সাবেক সংসদ সদস্য শিরিন সুলতানাসহ নরসিংদীর প্রায় ৫০ ছাত্রনেতা, যুবনেতা ও বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, চক্রান্তমূলকভাবে খোকনের নরসিংদীর বাসা ও বিএনপি অফিসে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করা হয়। এই ঘটনা সাধারণ কোন ঘটনা নয়। সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রত্যক্ষ যোগসাজশ ও সহায়তায় কিছু সন্ত্রাসী এই হত্যাকাণ্ড এবং পরবর্তীতে অগ্নিসংযোগ করেছে।

নরসিংদী থেকে বিএনপিকে নির্মূল করা এবং খোকনকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়াই এর মূল লক্ষ্য বলে জানান বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

ফখরুল আরও বলেন, ১১ মে রায়পুর থানা বিএনপির সভাপতি এ কে নেছার উদ্দিনের জানাজায় যোগ দিতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শিবপুর ইটাখোলা মোড়ে পৌঁছালে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে ও ককটেল হামলা চালায়। সন্ত্রাসীদের হাত থেকে জীবন বাঁচাতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত পিস্তল থেকে ৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেন তিনি। এ হামলার বিষয়ে খোকন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও পুলিশ তা আমলে নেয়নি। এ ঘটনায় খোকন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও পুলিশ তা আমলে নেয়নি। উল্টো যারা ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের বাদী করে খায়রুল কবির খোকনকে ১ নং আসামি করে বিএনপির ১৮ জন প্রবীণ নেতার বিরুদ্ধে শিবপুর থানায় মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দায়ের করা হয়।

বিএনপিকে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে সরাতে নেতা-কর্মীদের কারাগারে পাঠানো হচ্ছে : ফখরুল

আপডেট সময় : ০৫:৫৪:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:
সম্প্রতি বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর সরকারের জুলুম নির্যাতনের নানা কৌশল বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে হত্যা, খুন, মিথ্যা মামলা এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে বিএনপিকে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে সরাতে নেতা-কর্মীদের কারাগারে পাঠাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ভয়াবহ ষড়যন্ত্রের পর বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন ও তার স্ত্রী সাবেক সংসদ সদস্য শিরিন সুলতানাসহ নরসিংদীর প্রায় ৫০ ছাত্রনেতা, যুবনেতা ও বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, চক্রান্তমূলকভাবে খোকনের নরসিংদীর বাসা ও বিএনপি অফিসে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করা হয়। এই ঘটনা সাধারণ কোন ঘটনা নয়। সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রত্যক্ষ যোগসাজশ ও সহায়তায় কিছু সন্ত্রাসী এই হত্যাকাণ্ড এবং পরবর্তীতে অগ্নিসংযোগ করেছে।

নরসিংদী থেকে বিএনপিকে নির্মূল করা এবং খোকনকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়াই এর মূল লক্ষ্য বলে জানান বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

ফখরুল আরও বলেন, ১১ মে রায়পুর থানা বিএনপির সভাপতি এ কে নেছার উদ্দিনের জানাজায় যোগ দিতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শিবপুর ইটাখোলা মোড়ে পৌঁছালে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে ও ককটেল হামলা চালায়। সন্ত্রাসীদের হাত থেকে জীবন বাঁচাতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত পিস্তল থেকে ৩ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেন তিনি। এ হামলার বিষয়ে খোকন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও পুলিশ তা আমলে নেয়নি। এ ঘটনায় খোকন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও পুলিশ তা আমলে নেয়নি। উল্টো যারা ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের বাদী করে খায়রুল কবির খোকনকে ১ নং আসামি করে বিএনপির ১৮ জন প্রবীণ নেতার বিরুদ্ধে শিবপুর থানায় মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দায়ের করা হয়।