ঢাকা ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ৯ম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডে স্বীকৃতি পেল ৮৯টি ক্যাম্পেইন Logo মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী Logo ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, চাপে রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা Logo হেলিও স্মার্টফোনের নতুন সেনসেশন, হেলিও ৪৬ Logo গাজীপুরে জিয়াউর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন Logo গাজীপুরে বহুতল ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধায় বিদায় নিলেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশিদ Logo সাবেক এমপি হারুন আল রশিদের মৃত্যুতে সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শোক  Logo বেনজীরকে ফেরাতে সব নথি পাঠানো হয়েছে, দ্রুত প্রত্যর্পণের আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo একটি কোম্পানির মাধ্যমে সকল রুটে গণপরিবহন পরিচালনা করা হবে : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

দেশি কাঁচা মরিচের দাম কমতে শুরু করেছে

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুলাই ২০২৩ ২০৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বাজারে ভারতীয় কাঁচা মরিচ আসায় দেশি কাঁচা মরিচের দাম কমতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (৩ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দেশি মরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। তবে ভারত থেকে আমদানি করা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৮০-২০০ টাকায়। বিক্রেতারা বলছেন, বাংলাদেশের বাজারে ভারতীয় মরিচ প্রবেশের কারণে ভারতীয় মরিচের দাম কমেছে। গতকাল (রোববার) কারওয়ান বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়। আগের দিন মরিচ বিক্রি হয়েছিল প্রতি কেজি ৬০০ টাকায়।

পাইকারি মরিচ বিক্রেতা হরিশ চন্দ্র বলেন, দেশি মরিচের দাম আরও কমতে পারে। আজ (সোমবার) স্থানীয় বাজারে মরিচ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। অন্যান্য খরচের পাশাপাশি দাম পড়বে ১২০-১৩০ টাকা। বাজারে বিক্রি হবে ১৪০-১৫০ টাকায়।

দাউদ নামের এক মরিচ ব্যবসায়ী বলেন, এক হাজার কেজি কাঁচা মরিচ আনার পর আজ (সোমবার) প্রতি কেজি ১৫০ টাকায় বিক্রি করছেন। এখন প্রায় ২০ কেজি আছে। গতকাল বিক্রি হয়েছে ৫০০ টাকা কেজি। দাম কমার কারণে বিক্রিও বেড়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে মরিচের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। দেশের কোনো কোনো স্থানে প্রতি কেজি মরিচ এক হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে।

গতকাল (রোববার) বাগেরহাটে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৬০০ টাকায়। পাবনায় ৪০০-৬০০ টাকা, বগুড়ায় কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ২৫০-৩৫০ টাকা, ফরিদপুরে ৬০০ টাকা, রাজবাড়ীতে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ৫০০ টাকা কেজি দরে। ঝিনাইদহের ৫টি উপজেলায় কাঁচা মরিচ বিক্রি হয় ৭০০ টাকায়। কিন্তু শৈলকুপায় বিক্রি হয় ৮০০-১০০০ টাকায়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্র জানায়, এ বছর ২৮ হাজার ৪১০ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

দেশি কাঁচা মরিচের দাম কমতে শুরু করেছে

আপডেট সময় : ০১:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুলাই ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বাজারে ভারতীয় কাঁচা মরিচ আসায় দেশি কাঁচা মরিচের দাম কমতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (৩ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দেশি মরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। তবে ভারত থেকে আমদানি করা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৮০-২০০ টাকায়। বিক্রেতারা বলছেন, বাংলাদেশের বাজারে ভারতীয় মরিচ প্রবেশের কারণে ভারতীয় মরিচের দাম কমেছে। গতকাল (রোববার) কারওয়ান বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়। আগের দিন মরিচ বিক্রি হয়েছিল প্রতি কেজি ৬০০ টাকায়।

পাইকারি মরিচ বিক্রেতা হরিশ চন্দ্র বলেন, দেশি মরিচের দাম আরও কমতে পারে। আজ (সোমবার) স্থানীয় বাজারে মরিচ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। অন্যান্য খরচের পাশাপাশি দাম পড়বে ১২০-১৩০ টাকা। বাজারে বিক্রি হবে ১৪০-১৫০ টাকায়।

দাউদ নামের এক মরিচ ব্যবসায়ী বলেন, এক হাজার কেজি কাঁচা মরিচ আনার পর আজ (সোমবার) প্রতি কেজি ১৫০ টাকায় বিক্রি করছেন। এখন প্রায় ২০ কেজি আছে। গতকাল বিক্রি হয়েছে ৫০০ টাকা কেজি। দাম কমার কারণে বিক্রিও বেড়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে মরিচের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। দেশের কোনো কোনো স্থানে প্রতি কেজি মরিচ এক হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে।

গতকাল (রোববার) বাগেরহাটে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৬০০ টাকায়। পাবনায় ৪০০-৬০০ টাকা, বগুড়ায় কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ২৫০-৩৫০ টাকা, ফরিদপুরে ৬০০ টাকা, রাজবাড়ীতে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ৫০০ টাকা কেজি দরে। ঝিনাইদহের ৫টি উপজেলায় কাঁচা মরিচ বিক্রি হয় ৭০০ টাকায়। কিন্তু শৈলকুপায় বিক্রি হয় ৮০০-১০০০ টাকায়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্র জানায়, এ বছর ২৮ হাজার ৪১০ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।