ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ত্রিশালে উদ্বোধন হলো ‘নজরুল সিটি শিশুপার্ক’ Logo রাজধানীতে সিএনজি সংকট: এলএনজি সরবরাহ ব্যাহত, ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি Logo দুই পা পঙ্গু, আসাবুদ্দীন বাঁচাতে এগিয়ে আসায় আহ্বান Logo স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন পরিচালক হলেন ডা. নুরুল ইসলাম Logo হামে প্রাণহানি ৮০০ ছাড়াল, একদিনে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু Logo কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন, বেড়েছে গ্যাস সংকট; তিতাস গ্যাস Logo সংকটে সিএনজি স্টেশন : ২৩ আগস্ট থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট Logo আশুগঞ্জে খাল পুনঃখননে সাশ্রয়, ৬৪ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত Logo চট্টগ্রামে অনারের ব্র্যান্ডশপ, উদ্বোধনে দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করল হিউম্যানয়েড রোবট Logo টঙ্গীতে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

দুই পা পঙ্গু, আসাবুদ্দীন বাঁচাতে এগিয়ে আসায় আহ্বান

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ৩৩ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : সমবয়সী অন্যতরুণরা যখন নিজ পায়ে হেঁটে এদিক থেকে সেদিক ঘুরে বেড়ায়,আসাবুদ্দিন তখন হুইল চেয়ারে বসে আকাশের দিকে তাকিয়ে নিজেকে নিয়ে ভাবতে থাকেন। আজ তারও আট-দশটি ছেলেদের মত সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে থাকার কথা ছিল। ৩০ বছর বয়সী টকবকে যুবক আসাবুদ্দীন সুস্থ থাকাকালীন করতেন গিরিল মিস্ত্রীর কাজ। তার উপার্জনের টাকায় চলতো পুরো পরিবার। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সুস্থ স্বাভাবিক আসাবুদ্দিনের আজ কোমরের মেরুদন্ডের হাড়, দুইটি পা ও একটি হাত পঙ্গু হয়ে গেছে। গত সাত বছর ধরে বিছানায় শয্যাশায়ী। প্রতিনিয়তই মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন তিনি। সামান্য ভিটেমাটি ছাড়া যেটুকু জমি ছিলো সব কিছু বিক্রি করে এতোদিন চিকিৎসার খরচ চালিয়েছে পরিবারটি। বর্তমানে টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছে না। পরিবারের এক মাত্র উপার্জনকারী আসাবুদ্দিনের জীবনে এমন দূর্ঘটনা নেমে আসায় চোখে মুখে অন্ধকার দেখছে পরিবারটি । ইতিমধ্যে তার চিকিৎসার জন্য প্রায় ১২ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। চিকিৎসকের পরার্মশ, অতি দ্রুত দেশের বাইরে কিংবা উন্নত কোন হাসপাতালে থেরাপিসহ চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তবেই সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে আসাবুদ্দীন। এ জন্য প্রয়োজন আর ও দশ লাখ টাকা যা অসহায় পরিবারটির পক্ষে যোগাড় করা অসম্ভব। আসাবুদ্দীন নরসিংদীর পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের দক্ষিণদেওড়া গ্রামের দিনমুজুর মোহাম্মদ আলীর ছেলে। পরিবারের তেমন কর্মক্ষম কেউ না থাকায় অসুস্থ হওয়ার পর থেকেই তার পরিবারের আয় উপার্জন বন্ধ রয়েছে। ঋণ করে একদিকে চিকিৎসা খরচ অন্যদিকে সাংসারিক খরচ চালাতে গিয়ে এখন দিশেহারা আসাবুদ্দীনের পরিবার। সরেজমিনে আসাবুদ্দীনের বাড়িতে গেলে আবেগাপ্লুত হয়ে তার মা-বাবা ও স্বজনরা জানান, ২০১৯ সালে আগস্ট মাসে পলাশ উপজেলা বাসট্যান্ডে কোন এক নির্মাণাধীন ভবনের চার তলায় কাজ করতে গিয়ে পড়ে যায় আসাবুদ্দীন । পড়ে গিয়ে কোমড়ের মেরুদন্ডের হাড়, দুই পা ও একটি হাত ভেঙ্গে যায় তার। পঙ্গু হাসপাতালসহ বেশ কয়েকটি হাসপাতালে দীর্ঘ দেড় বছর চিকিৎসা করানো হয় তার। মেরুদন্ডের অপারেশন করা হয়। সারাদিন শুয়ে থাকায় চিকিৎসার সময় গায়ে কয়েক বার পচনও ধরে। হাসপাতালে দীর্ঘ দেড় বছর চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে পরিবারটি আজ নিঃস্ব। বর্তমানে কোমরের নিচ থেকে সম্পূর্ণ প্যারালাইজড হয়ে গিয়ে অনুভূতিহীন হয়ে পরেছে। হুইল চেয়ারে বসেই দিন যাচ্ছে তার। চিকিৎসা খরচ বহন করতে না পাড়ায় গত সাত বছর যাবত বিনা চিকিৎসায় আর ও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছে । সমাজের উচ্চবিত্তদের কাছে আকুল আবেদন অসহায় এই পরিবারের জন্য এগিয়ে আসুন। মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন। চিকিৎসার জন্য আসাবুদ্দিনকে সহায়তা করতে চাইলে তার নিজ নামীয় বিকাশে টাকা পাঠানো যাবে। বিকাশ নম্বর ০১৭১৬৬৭৪১২৬ (ব্যক্তিগত) আসাবুদ্দিন : এ ছাড়া আসাবুদ্দিনের ডাচ্ বাংলা ব্যাংক পলাশ-নরসিংদী সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর- ৭০১৭৩২৮২২৫২১০ ব্যাংক হিসাব নাম্বারে টাকা পাঠানো যাবে। নিজে দিতে পারেন কিংবা প্রবাসীসহ বন্ধু বান্ধুবদের থেকে সংগ্রহ করে পাঠাতে পারেন। আপনার একটু সহায়তায় বেঁচে যাবে একটি প্রাণ ও একটি পরিবার। আসুন আমরা সকলে এই মহৎ কর্মে এগিয়ে আসি। বিপদ যে কোন মুহুর্তে আমার/আপনারও হতে পারে। তাই আর চুপ নয় চলুন এগিয়ে যাই মানবতার দূত হয়ে

ট্যাগস :

দুই পা পঙ্গু, আসাবুদ্দীন বাঁচাতে এগিয়ে আসায় আহ্বান

আপডেট সময় : ০৪:৪৬:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার : সমবয়সী অন্যতরুণরা যখন নিজ পায়ে হেঁটে এদিক থেকে সেদিক ঘুরে বেড়ায়,আসাবুদ্দিন তখন হুইল চেয়ারে বসে আকাশের দিকে তাকিয়ে নিজেকে নিয়ে ভাবতে থাকেন। আজ তারও আট-দশটি ছেলেদের মত সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে থাকার কথা ছিল। ৩০ বছর বয়সী টকবকে যুবক আসাবুদ্দীন সুস্থ থাকাকালীন করতেন গিরিল মিস্ত্রীর কাজ। তার উপার্জনের টাকায় চলতো পুরো পরিবার। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সুস্থ স্বাভাবিক আসাবুদ্দিনের আজ কোমরের মেরুদন্ডের হাড়, দুইটি পা ও একটি হাত পঙ্গু হয়ে গেছে। গত সাত বছর ধরে বিছানায় শয্যাশায়ী। প্রতিনিয়তই মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন তিনি। সামান্য ভিটেমাটি ছাড়া যেটুকু জমি ছিলো সব কিছু বিক্রি করে এতোদিন চিকিৎসার খরচ চালিয়েছে পরিবারটি। বর্তমানে টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছে না। পরিবারের এক মাত্র উপার্জনকারী আসাবুদ্দিনের জীবনে এমন দূর্ঘটনা নেমে আসায় চোখে মুখে অন্ধকার দেখছে পরিবারটি । ইতিমধ্যে তার চিকিৎসার জন্য প্রায় ১২ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। চিকিৎসকের পরার্মশ, অতি দ্রুত দেশের বাইরে কিংবা উন্নত কোন হাসপাতালে থেরাপিসহ চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তবেই সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে আসাবুদ্দীন। এ জন্য প্রয়োজন আর ও দশ লাখ টাকা যা অসহায় পরিবারটির পক্ষে যোগাড় করা অসম্ভব। আসাবুদ্দীন নরসিংদীর পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের দক্ষিণদেওড়া গ্রামের দিনমুজুর মোহাম্মদ আলীর ছেলে। পরিবারের তেমন কর্মক্ষম কেউ না থাকায় অসুস্থ হওয়ার পর থেকেই তার পরিবারের আয় উপার্জন বন্ধ রয়েছে। ঋণ করে একদিকে চিকিৎসা খরচ অন্যদিকে সাংসারিক খরচ চালাতে গিয়ে এখন দিশেহারা আসাবুদ্দীনের পরিবার। সরেজমিনে আসাবুদ্দীনের বাড়িতে গেলে আবেগাপ্লুত হয়ে তার মা-বাবা ও স্বজনরা জানান, ২০১৯ সালে আগস্ট মাসে পলাশ উপজেলা বাসট্যান্ডে কোন এক নির্মাণাধীন ভবনের চার তলায় কাজ করতে গিয়ে পড়ে যায় আসাবুদ্দীন । পড়ে গিয়ে কোমড়ের মেরুদন্ডের হাড়, দুই পা ও একটি হাত ভেঙ্গে যায় তার। পঙ্গু হাসপাতালসহ বেশ কয়েকটি হাসপাতালে দীর্ঘ দেড় বছর চিকিৎসা করানো হয় তার। মেরুদন্ডের অপারেশন করা হয়। সারাদিন শুয়ে থাকায় চিকিৎসার সময় গায়ে কয়েক বার পচনও ধরে। হাসপাতালে দীর্ঘ দেড় বছর চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে পরিবারটি আজ নিঃস্ব। বর্তমানে কোমরের নিচ থেকে সম্পূর্ণ প্যারালাইজড হয়ে গিয়ে অনুভূতিহীন হয়ে পরেছে। হুইল চেয়ারে বসেই দিন যাচ্ছে তার। চিকিৎসা খরচ বহন করতে না পাড়ায় গত সাত বছর যাবত বিনা চিকিৎসায় আর ও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছে । সমাজের উচ্চবিত্তদের কাছে আকুল আবেদন অসহায় এই পরিবারের জন্য এগিয়ে আসুন। মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন। চিকিৎসার জন্য আসাবুদ্দিনকে সহায়তা করতে চাইলে তার নিজ নামীয় বিকাশে টাকা পাঠানো যাবে। বিকাশ নম্বর ০১৭১৬৬৭৪১২৬ (ব্যক্তিগত) আসাবুদ্দিন : এ ছাড়া আসাবুদ্দিনের ডাচ্ বাংলা ব্যাংক পলাশ-নরসিংদী সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর- ৭০১৭৩২৮২২৫২১০ ব্যাংক হিসাব নাম্বারে টাকা পাঠানো যাবে। নিজে দিতে পারেন কিংবা প্রবাসীসহ বন্ধু বান্ধুবদের থেকে সংগ্রহ করে পাঠাতে পারেন। আপনার একটু সহায়তায় বেঁচে যাবে একটি প্রাণ ও একটি পরিবার। আসুন আমরা সকলে এই মহৎ কর্মে এগিয়ে আসি। বিপদ যে কোন মুহুর্তে আমার/আপনারও হতে পারে। তাই আর চুপ নয় চলুন এগিয়ে যাই মানবতার দূত হয়ে