ঢাকা ০৩:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকির মুখে বাংলাদেশ, বিশ্বকে প্রধানমন্ত্রীর ৫ বার্তা Logo ডিজিটাল ব্যাংক চালুর সম্মতি পেল বিকাশ, রবি ও বাংলালিংকসহ ৪ প্রতিষ্ঠান Logo বেহেশতের টিকিট বিক্রিকারীরা আবার ফ্যাসিস্টদের সাথে হাত মিলিয়েছে Logo ​কুমিল্লায় ব্র্যাকের কর্মশালা অনুষ্ঠিত-প্রবাসে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে’ জেলা প্রশাসক, কুমিল্লা। Logo ভ্যান ছিনতাই করতে চালককে হত্যা, মরদেহে ইট বেঁধে ফেলা হয় নদীতে Logo কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল ব্র্যাকের নারী কর্মীর Logo ৫০ শয্যার ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ১৩০ রোগী, মেঝে-বারান্দায় চিকিৎসা Logo নতুন প্রজন্মের জন্য নতুন Flagship: helio110 Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগুনে পুড়ে ছাই ১০ ঘর, নিঃস্ব ১৪ পরিবার Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার

জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় রেকর্ড ১০ বিলিয়ন ডলার প্রতিশ্রুতি এডিবির

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৭:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৩২৯ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) বাংলাদেশসহ সদস্য দেশগুলোর জন্য ২০২৩ সালে রেকর্ড পরিমাণ ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সংস্থাটি জলবায়ু খাতে কখনও এমন প্রতিশ্রুতি দেয়নি। তহবিলটি এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উন্নয়নশীল সদস্য দেশগুলিকে (ডিএমসিএস) সাহায্য করার জন্য। এই অর্থায়ন ২০২২ সালের তুলনায় প্রায় ৪৬ শতাংশ বেশি।

বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ম্যানিলায় এডিবির প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ২০২৩ সালের মধ্যে রেকর্ড পরিমাণ জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পৃথিবীকে উষ্ণতা থেকে কিছুটা হলেই পরিত্রাণ দিতেই এডিবির এ উদ্যোগ। সেজন্য ৯ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেকর্ড প্রতিশ্রুতি। এর মধ্যে সংগঠনের নিজস্ব সম্পদ ৫.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং বিভিন্ন উৎস থেকে সংস্থাটি ৪.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহ ও অর্থায়ন করেছে।

গত চার বছরে (২০১৯-২০২৩), এডিবি জলবায়ু খাতে ১০.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন করেছে, যখন এই সময়ের মধ্যে প্রতিশ্রুতি ছিল ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রতিশ্রুতির চেয়ে বেশি অর্থায়ন করেছে সংস্থাটি।

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে জলবায়ু খাতে অর্থায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই অঞ্চলে প্রচণ্ড তাপ, খরা ও অতিবৃষ্টি।

সংগঠনটির সভাপতি মাসাতসুগু আসাকাওয়া বলেন, বিভিন্ন কারণে জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে, যা ভবিষ্যৎকে হুমকির মুখে ফেলছে। ২০২৩ ছিল সর্বকালের উষ্ণতম বছর। আমাদের অঞ্চলে প্রচণ্ড গরমের অভিজ্ঞতা হয়েছে, তীব্র জলবায়ুর প্রভাব জনজীবনকেও প্রভাবিত করেছে। এই সংকট জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে এবং আর্থিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে জীবাশ্মমুক্ত জ্বালানি প্রয়োজন। আমাদের অবশ্যই জলবায়ু পরিবর্তন বন্ধ করে এবং কার্বন নিঃসরণ শূন্যে কমিয়ে অগ্রগতি করতে হবে। আমরা এই লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার জন্য গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় রেকর্ড ১০ বিলিয়ন ডলার প্রতিশ্রুতি এডিবির

আপডেট সময় : ০৪:৪৭:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি:

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) বাংলাদেশসহ সদস্য দেশগুলোর জন্য ২০২৩ সালে রেকর্ড পরিমাণ ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সংস্থাটি জলবায়ু খাতে কখনও এমন প্রতিশ্রুতি দেয়নি। তহবিলটি এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উন্নয়নশীল সদস্য দেশগুলিকে (ডিএমসিএস) সাহায্য করার জন্য। এই অর্থায়ন ২০২২ সালের তুলনায় প্রায় ৪৬ শতাংশ বেশি।

বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) ম্যানিলায় এডিবির প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ২০২৩ সালের মধ্যে রেকর্ড পরিমাণ জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পৃথিবীকে উষ্ণতা থেকে কিছুটা হলেই পরিত্রাণ দিতেই এডিবির এ উদ্যোগ। সেজন্য ৯ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেকর্ড প্রতিশ্রুতি। এর মধ্যে সংগঠনের নিজস্ব সম্পদ ৫.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং বিভিন্ন উৎস থেকে সংস্থাটি ৪.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংগ্রহ ও অর্থায়ন করেছে।

গত চার বছরে (২০১৯-২০২৩), এডিবি জলবায়ু খাতে ১০.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন করেছে, যখন এই সময়ের মধ্যে প্রতিশ্রুতি ছিল ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। প্রতিশ্রুতির চেয়ে বেশি অর্থায়ন করেছে সংস্থাটি।

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে জলবায়ু খাতে অর্থায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই অঞ্চলে প্রচণ্ড তাপ, খরা ও অতিবৃষ্টি।

সংগঠনটির সভাপতি মাসাতসুগু আসাকাওয়া বলেন, বিভিন্ন কারণে জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে, যা ভবিষ্যৎকে হুমকির মুখে ফেলছে। ২০২৩ ছিল সর্বকালের উষ্ণতম বছর। আমাদের অঞ্চলে প্রচণ্ড গরমের অভিজ্ঞতা হয়েছে, তীব্র জলবায়ুর প্রভাব জনজীবনকেও প্রভাবিত করেছে। এই সংকট জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে এবং আর্থিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে জীবাশ্মমুক্ত জ্বালানি প্রয়োজন। আমাদের অবশ্যই জলবায়ু পরিবর্তন বন্ধ করে এবং কার্বন নিঃসরণ শূন্যে কমিয়ে অগ্রগতি করতে হবে। আমরা এই লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার জন্য গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।