কালাদরাপ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় করিম উদ্দিন চৌধুরী বাবু
- আপডেট সময় : ০৭:৫৫:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ১৮৫ বার পঠিত

মো: কাওসার, নোয়াখালী প্রতিনিধি:
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নোয়াখালী সদর উপজেলার ৯ নং কালাদরাপ ইউনিয়নে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম—সবখানেই এখন নতুন ও যোগ্য নেতৃত্ব নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। এই আলোচনায় কালাদরাপ ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের মুখে এখন একটি নাম বিশেষভাবে উচ্চারিত হচ্ছে, তিনি হলেন তরুণ ও রাজপথের লড়াকু ছাত্রনেতা করিম উদ্দিন চৌধুরী বাবু। আসন্ন নির্বাচনে তিনি কালাদরাপ ইউনিয়ন পরিষদ হতে চেয়ারম্যান পদে দলীয় ও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে জোরালো আলোচনায় রয়েছেন।
করিম উদ্দিন চৌধুরী বাবু কেবল একজন নির্বাচনী পদপ্রার্থী নন, বরং তিনি নোয়াখালী সদর উপজেলা বিএনপির তৃণমূলের এক বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত নাম। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে যখন দলের চরম দুঃসময় যাচ্ছিল, তখন নিজের জীবন ও ক্যারিয়ার বাজি রেখে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন এই তরুণ নেতা। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তাকে অসংখ্যবার জেল, জুলুম, মিথ্যা মামলা ও শারীরিক হামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে। কিন্তু কোনো অত্যাচারই তাকে আদর্শের পথ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। দলের প্রতি এই ত্যাগ ও অবিচল নিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০১৮ এবং ২০২০ সালে পরপর দুইবার নোয়াখালী সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তৃণমূলকে সুসংগঠিত রাখছেন।
এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও করিম উদ্দিন চৌধুরী বাবু একজন মানবিক ও জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে কালাদরাপ ইউনিয়নে অত্যন্ত জনপ্রিয়। নিজ গ্রামের সীমানা পেরিয়ে পুরো ইউনিয়নের যেকোনো প্রান্তের অসহায়, নিগনিগৃহীত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের যেকোনো সমস্যায় তিনি সবার আগে ছুটে যান। নিজের সাধ্যমতো হাত বাড়িয়ে দেন আর্তমানবতার সেবায়।
এলাকার তরুণ ও জ্যেষ্ঠ ভোটারদের একাংশের মতে, কালাদরাপ ইউনিয়নের সামগ্রিক উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন ইউনিয়ন গঠনে করিম উদ্দিন চৌধুরী বাবুর মতো একজন তরুণ, শিক্ষিত ও ত্যাগী নেতার বিকল্প নেই।
নিজের প্রার্থীতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে জানতে চাইলে করিম উদ্দিন চৌধুরী বাবু বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দলের জন্য এবং জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য রাজপথে রক্ত দিয়েছি, জেল খেটেছি। কালাদরাপ ইউনিয়নের মানুষ আমার পরিবার। আমি এই অবহেলিত ইউনিয়নকে একটি আদর্শ, উন্নত, মাদক ও ইভটিজিংমুক্ত আধুনিক ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। দল যদি আমাকে মূল্যায়ন করে এবং কালাদরাপের জনগণ যদি সুযোগ দেয়, তবে আমি আমার জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে তাদের সেবা করে যাব।”তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, আসন্ন নির্বাচনে কালাদরাপ ইউনিয়নে যোগ্য নেতৃত্বের মূল্যায়নে করিম উদ্দিন চৌধুরী বাবু বিপুল সমর্থনে বিজয়ী হয়ে এলাকার উন্নয়নে নেতৃত্ব দেবেন।




















