আসন ভাগাভাগি নিয়ে শরিক দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা শিগগিরই:তথ্যমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৪:২৪:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৯৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন ভাগাভাগি নিয়ে শরিক দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাসান মাহমুদ।
সোমবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
শরিক ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগির বিষয়ে কী ধরনের সিদ্ধান্ত হবে এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, খুব শিগগিরই শরিকদের সঙ্গে সমঝোতা হবে বলে আশা করছি। তাদের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত আলোচনা চলছে। খুব শিগগিরই ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে সমঝোতা হবে। আর স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সব সময়ই নির্বাচনে থাকে।
তিনি বলেন, আমাদের দল থেকে অনেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। আবার আমাদের দল করে না এমন অনেকেই হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। এ প্রার্থীদের অনেকেই বাতিল হয়েছিলেন। দেখা যাচ্ছে যে প্রথমদিন আপিলের পর ৫০ শতাংশের বেশি প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। আমি মনে করি, তাদের অংশগ্রহণ নির্বাচনকে উৎসবমুখর করার ক্ষেত্রে সহায়ক হচ্ছে।
বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে দলের অবস্থান জানতে চাইলে তিনি বলেন, দলের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা হয়নি। প্রয়োজনে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে এবং পরে অনেকেই শঙ্কা-আশঙ্কার কথা বলেছেন। বিদেশি পর্যবেক্ষকরা আসবেন কি না? সেটা নিয়ে নানা জনের নানা মত ছিল। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে বিদেশি পর্যবেক্ষক পাঠানোর জন্য অনেক দেশ সম্মত হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ দেশি-বিদেশি সংস্থা, ভারত, জাপান, ফিলিস্তিন, ওয়াইসি পর্যবেক্ষক পাঠাবে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জানিয়েছে। সব সময় পর্যবেক্ষকরা যেভাবে আসেন, ঠিক সেভাবেই তারা আসবেন। এতে প্রমাণিত, নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। মানুষ এবং দেশ পুরোপুরিভাবে নির্বাচনমুখী।
তিনি বলেন, যারা নির্বাচনে পর্যবেক্ষকদল পাঠাবে কি পাঠাবে না এ নিয়ে দোলাচলে ছিল, তারা এখন সিদ্ধান্ত নিয়ে পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে। আমি মনে করি, নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক্ষকরা আসা মানেই একটি সুষ্ঠু-সুন্দর ভালো নির্বাচন করার ক্ষেত্রে সহায়ক। প্রধানমন্ত্রী বার বার ব্যক্ত করেছেন নির্বাচন কমিশনকে সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তা করা হবে। যাতে করে সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর নির্বাচন হয়।






















