ঢাকা ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের DFO আমিনুলের বিরুদ্ধে ১৬ দফা অনিয়মের অভিযোগ, অপসারণসহ পাঁচ দফা দাবি Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী

৫ পুষ্টির ঘাটতির ফলে বাড়তে পারে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৯:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩ ২৮৭ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :

বর্তমানে কমবয়সীদের মধ্যেও হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বাড়ছে। এখন হৃদরোগের সমস্যা ঘরে ঘরে। বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও ডায়াবেটিসের মতো রোগের কারণে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, ভাজা-ভুজি ও তৈলাক্ত-মসলাযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। এ ছাড়া শরীরে কিছু পুষ্টির ঘাটতিও হৃদরোগের কারণ হতে পারে।

বিশেষ করে ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে হার্টের সমস্যাও হয়। শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা কমে গেলে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দেয়, হৃদস্পন্দন বেড়ে যেতে পারে। ম্যাগনেসিয়াম শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমের সঠিক ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে। শরীরে এই খনিজটির ঘাটতি হলে ক্লান্তি, প্রদাহ, মাইগ্রেনের মতো সমস্যা হতে পারে।

ডাক্তারি পরিভাষায় এই রোগটি ‘অ্যারিথমিয়া’ নামে পরিচিত। এই সমস্ত লক্ষণ হৃদরোগের অন্যতম কারণ। তাই ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া খুবই জরুরি। পালং শাক, স্যামন, অ্যাভোকাডো, কলা, দই, বিভিন্ন বাদাম এবং বীজ আপনার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করুন।

পটাসিয়াম গবেষণা পরামর্শ দেয় যে পটাসিয়ামের অভাবে অনিয়মিত হৃদস্পন্দন বা অ্যারিথমিয়াস হতে পারে। হাড় ও পেশীর সমস্যাও দেখা দেয়।

পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন আলু, কিডনি বিনস, কলা, অ্যাভোকাডো, দুধ, স্যামন এবং টুনা অবশ্যই নিয়মিত খাবেন। তবে শরীরে পটাশিয়াম বেশি থাকলেও তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

ভিটামিন ডি শরীরে অপর্যাপ্ত ভিটামিন ডি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। ডিমের কুসুম, স্যামন, টুনা এবং ফোর্টিফাইড কমলার রসের মতো খাবার ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ।

প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্টও খেতে পারেন। ক্যালসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ক্যালসিয়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এই খনিজটির অভাব রক্তচাপ বাড়াতে পারে, যা হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। আপনার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন দই, দুধ, ফোর্টিফাইড সিরিয়াল এবং সয়াবিন অন্তর্ভুক্ত করুন।

ভিটামিন বি গবেষণায় দেখা গেছে যে শরীরে পর্যাপ্ত ফোলেট এবং ভিটামিন বি-৬ থাকলে স্ট্রোক এবং হৃদরোগে মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক কম থাকে।

ভিটামিন বি-১২ এবং বি-৯ হার্টকে সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে। বি ভিটামিন শরীরে নতুন লাল রক্ত কণিকা তৈরি করতে সাহায্য করে।

৫ পুষ্টির ঘাটতির ফলে বাড়তে পারে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা!

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি :

বর্তমানে কমবয়সীদের মধ্যেও হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বাড়ছে। এখন হৃদরোগের সমস্যা ঘরে ঘরে। বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও ডায়াবেটিসের মতো রোগের কারণে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, ভাজা-ভুজি ও তৈলাক্ত-মসলাযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। এ ছাড়া শরীরে কিছু পুষ্টির ঘাটতিও হৃদরোগের কারণ হতে পারে।

বিশেষ করে ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে হার্টের সমস্যাও হয়। শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা কমে গেলে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দেয়, হৃদস্পন্দন বেড়ে যেতে পারে। ম্যাগনেসিয়াম শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমের সঠিক ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে। শরীরে এই খনিজটির ঘাটতি হলে ক্লান্তি, প্রদাহ, মাইগ্রেনের মতো সমস্যা হতে পারে।

ডাক্তারি পরিভাষায় এই রোগটি ‘অ্যারিথমিয়া’ নামে পরিচিত। এই সমস্ত লক্ষণ হৃদরোগের অন্যতম কারণ। তাই ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া খুবই জরুরি। পালং শাক, স্যামন, অ্যাভোকাডো, কলা, দই, বিভিন্ন বাদাম এবং বীজ আপনার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করুন।

পটাসিয়াম গবেষণা পরামর্শ দেয় যে পটাসিয়ামের অভাবে অনিয়মিত হৃদস্পন্দন বা অ্যারিথমিয়াস হতে পারে। হাড় ও পেশীর সমস্যাও দেখা দেয়।

পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন আলু, কিডনি বিনস, কলা, অ্যাভোকাডো, দুধ, স্যামন এবং টুনা অবশ্যই নিয়মিত খাবেন। তবে শরীরে পটাশিয়াম বেশি থাকলেও তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

ভিটামিন ডি শরীরে অপর্যাপ্ত ভিটামিন ডি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। ডিমের কুসুম, স্যামন, টুনা এবং ফোর্টিফাইড কমলার রসের মতো খাবার ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ।

প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্টও খেতে পারেন। ক্যালসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ক্যালসিয়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এই খনিজটির অভাব রক্তচাপ বাড়াতে পারে, যা হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। আপনার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন দই, দুধ, ফোর্টিফাইড সিরিয়াল এবং সয়াবিন অন্তর্ভুক্ত করুন।

ভিটামিন বি গবেষণায় দেখা গেছে যে শরীরে পর্যাপ্ত ফোলেট এবং ভিটামিন বি-৬ থাকলে স্ট্রোক এবং হৃদরোগে মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক কম থাকে।

ভিটামিন বি-১২ এবং বি-৯ হার্টকে সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে। বি ভিটামিন শরীরে নতুন লাল রক্ত কণিকা তৈরি করতে সাহায্য করে।