ঢাকা ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বৃহৎ পরিসরের এআই কম্পিউটিংয়ের জন্য অ্যাটলাস ৯৬০ই সুপারপড উন্মোচন করল হুয়াওয়ে Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থানায় অভিযোগ করায় বাদী পক্ষের ওপর ফের হামলা, ভাঙচুর লুটপাট, আহত ৪ Logo মিউজিক্যাল নাইট নিয়ে আসছে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ প্রেজেন্টস ‘ম্যাক্স রিপাবলিক’ Logo চেয়ারম্যানের নির্দেশে সাংবাদিককে হত্যা মামলায় আসামি করার অভিযোগ, বাদীই বলছেন ‘চিনি না’ Logo অবাধ নৌচলাচলে হরমুজ প্রণালিতে যৌথভাবে কাজ করবে ভারত-ফ্রান্স Logo বাংলাদেশে নিজেকে নিরাপদ মনে করি না: তানজিন তিশা Logo ছয় মাসের জন্য গাড়ি চালানোর নিষেধাজ্ঞায় সালাহ Logo ভারতে বাংলাদেশের পরবর্তী হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন আসাদ আলম সিয়াম Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহাসড়কে আন্ডারপাস নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন Logo বিশ্বের প্রথম কেইজ ফ্রেম ডিজাইন করা স্মার্টফোন নিয়ে বাজারে এলো আইটেল পাওয়ার ৮০

২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ নবম বৃহত্তম ভোক্তা বাজারে পরিণত হবে:প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৩ ২৪১ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে নবম বৃহত্তম ভোক্তা বাজারে পরিণত হবে বলে আমাদের ধারণা। তখন যুক্তরাজ্য এবং জার্মানির মতো প্রতিষ্ঠিত বাজারগুলোকে এবং বর্তমান উচ্চ-প্রবৃদ্ধির ভিয়েতনাম বা থাইল্যান্ডকেও বাংলাদেশ যেন ছাড়িয়ে যেতে পারে সে লক্ষ্য নিয়েই কিন্তু আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সেই প্রচেষ্টাই আমাদের রয়েছে।

রোববার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর হোটেল রেডিসনে ফরেন ইনভেস্টর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফআইসিআই) ৬০তম বার্ষিকী ও বিনিয়োগ এক্সপো ২০২৩-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের বিশাল জনসংখ্যা। আমরা এটির সর্বোচ্চ ব্যবহার করব। তাদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে আমরা গড়ে তুলছি। গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৫তম বৃহত্তম অর্থনীতি।

তিনি বলেন, শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক মৌলিক বিষয়সমূহ ও বাণিজ্য সংহতকরণের ফলে আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭.২৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। আমাদের মাথাপিছু আয় মাত্র এক দশকে তিনগুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৯৩ মার্কিন ডলারে। জিডিপির আকার ২০০৬ সালের ৪ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৫০.৩১ লক্ষ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে দারিদ্র্যের হার প্রায় ৩ গুণ কমে ১৮.৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকারের বিচক্ষণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, অর্থনৈতিক উদারীকরণ এবং বাণিজ্য সংহতকরণের ওপর ভিত্তি করে আজকের এই টেকসই অর্থনীতি ও উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। বাংলাদেশ ২০২১ সালে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে।

২০৩৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের ২০তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন,আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কাঠামোগত উন্নয়ন কর্মসূচি, বিনিয়োগবান্ধব নীতি, বৃহৎ অভ্যন্তরীণ বাজার, কৌশলগত অবস্থান, উচ্চ মুনাফা, কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীসহ বিভিন্ন সুবিধার কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অনেক দেশের কাছে বিনিয়োগ, শিল্পায়ন এবং রপ্তানির জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া, ফিকির প্রেসিডেন্ট নাসের আজাজ বিজয় প্রমুখ।

২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ নবম বৃহত্তম ভোক্তা বাজারে পরিণত হবে:প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে নবম বৃহত্তম ভোক্তা বাজারে পরিণত হবে বলে আমাদের ধারণা। তখন যুক্তরাজ্য এবং জার্মানির মতো প্রতিষ্ঠিত বাজারগুলোকে এবং বর্তমান উচ্চ-প্রবৃদ্ধির ভিয়েতনাম বা থাইল্যান্ডকেও বাংলাদেশ যেন ছাড়িয়ে যেতে পারে সে লক্ষ্য নিয়েই কিন্তু আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সেই প্রচেষ্টাই আমাদের রয়েছে।

রোববার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর হোটেল রেডিসনে ফরেন ইনভেস্টর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফআইসিআই) ৬০তম বার্ষিকী ও বিনিয়োগ এক্সপো ২০২৩-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের বিশাল জনসংখ্যা। আমরা এটির সর্বোচ্চ ব্যবহার করব। তাদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে আমরা গড়ে তুলছি। গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৫তম বৃহত্তম অর্থনীতি।

তিনি বলেন, শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক মৌলিক বিষয়সমূহ ও বাণিজ্য সংহতকরণের ফলে আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭.২৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। আমাদের মাথাপিছু আয় মাত্র এক দশকে তিনগুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৯৩ মার্কিন ডলারে। জিডিপির আকার ২০০৬ সালের ৪ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৫০.৩১ লক্ষ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে দারিদ্র্যের হার প্রায় ৩ গুণ কমে ১৮.৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকারের বিচক্ষণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, অর্থনৈতিক উদারীকরণ এবং বাণিজ্য সংহতকরণের ওপর ভিত্তি করে আজকের এই টেকসই অর্থনীতি ও উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। বাংলাদেশ ২০২১ সালে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে।

২০৩৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের ২০তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন,আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কাঠামোগত উন্নয়ন কর্মসূচি, বিনিয়োগবান্ধব নীতি, বৃহৎ অভ্যন্তরীণ বাজার, কৌশলগত অবস্থান, উচ্চ মুনাফা, কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীসহ বিভিন্ন সুবিধার কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অনেক দেশের কাছে বিনিয়োগ, শিল্পায়ন এবং রপ্তানির জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া, ফিকির প্রেসিডেন্ট নাসের আজাজ বিজয় প্রমুখ।