ঢাকা ০৭:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ২০২৯ সালের জুনে শেষ হবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেন নির্মাণ : সড়ক ও রেলপথ মন্ত্রী৷ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস গ্যাসের নতুন কুপ খননের উদ্বোধন Logo পপুলার লাইফের খুলনা অঞ্চলের বীমা গ্রাহকের বীমা দাবীর ৩ কোটি ১৭ লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তর Logo রাজাপুরের উত্তমপুর বাজারে পাবলিক টয়লেট নির্মাণের উদ্যোগ দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবের আশায় ব্যবসায়ীরা Logo ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অনারের রোবট ফোন Logo ইরান যুদ্ধে নিহত সেনাদের সংখ্যা গোপন করেছে যুক্তরাষ্ট্র Logo বলিউডে রাজত্ব করেছেন এক যুগ, কিন্তু ভালোবেসেছেন বাংলাকে Logo বিবর্ণ মিরাজ, হেটমায়ারের সেঞ্চুরির পরও গায়ানার বিদায় Logo দুপুরের মধ্যেই প্রকাশ হতে পারে নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন, বেতন নিয়ে যা জানা গেল Logo লংমার্চের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন বিএনপির, নজরও রাখছে

২০২৯ সালের জুনে শেষ হবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেন নির্মাণ : সড়ক ও রেলপথ মন্ত্রী৷

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৭ বার পঠিত

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
২০২৯ সালের জুনের মধ্যে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ করে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার শশই এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। ছয় লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পটি অনেক আগে নেওয়া হলেও সাড়ে চার বছরেও এর অগ্রগতি সন্তোষজনক ছিল না। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, গত ছয় মাসে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে ভূমি অধিগ্রহণের অগ্রগতি প্রায় ৫৬ শতাংশে পৌঁছেছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে শতভাগ ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের ভৌত কাজের অগ্রগতি প্রায় ২৭ শতাংশ।
শেখ রবিউল আলম বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব বিচ্যুতি ও প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সেগুলো অতিক্রম করে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মহাসড়কের ১৩ টি প্যাকেজের মধ্যে পাঁচটির কাজের অগ্রগতি অসন্তোষজনক হলেও বাকি আটটি প্যাকেজের কাজ সন্তোষজনকভাবে এগোচ্ছে। দরপত্র অনুযায়ী ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করে মহাসড়কটি জনগণের জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক হলেও নির্মাণকাজের কারণে কিছুটা জনদুর্ভোগ হচ্ছে। দীর্ঘ সময় প্রকল্পের কাজে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না থাকায় বর্তমানে দ্রুত কাজ এগিয়ে নিতে হচ্ছে। ভূমি অধিগ্রহণ ছিল প্রকল্পের অন্যতম বড় সমস্যা, তবে তা এখন সমাধানের পথে। যেসব এলাকায় ভৌত কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়, সেসব এলাকায় কাজ আরও জোরদার করার চেষ্টা চলছে।
এ সময় প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

২০২৯ সালের জুনে শেষ হবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেন নির্মাণ : সড়ক ও রেলপথ মন্ত্রী৷

আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
২০২৯ সালের জুনের মধ্যে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ করে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার শশই এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক। ছয় লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পটি অনেক আগে নেওয়া হলেও সাড়ে চার বছরেও এর অগ্রগতি সন্তোষজনক ছিল না। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, গত ছয় মাসে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে ভূমি অধিগ্রহণের অগ্রগতি প্রায় ৫৬ শতাংশে পৌঁছেছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে শতভাগ ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের ভৌত কাজের অগ্রগতি প্রায় ২৭ শতাংশ।
শেখ রবিউল আলম বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব বিচ্যুতি ও প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সেগুলো অতিক্রম করে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মহাসড়কের ১৩ টি প্যাকেজের মধ্যে পাঁচটির কাজের অগ্রগতি অসন্তোষজনক হলেও বাকি আটটি প্যাকেজের কাজ সন্তোষজনকভাবে এগোচ্ছে। দরপত্র অনুযায়ী ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করে মহাসড়কটি জনগণের জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক হলেও নির্মাণকাজের কারণে কিছুটা জনদুর্ভোগ হচ্ছে। দীর্ঘ সময় প্রকল্পের কাজে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না থাকায় বর্তমানে দ্রুত কাজ এগিয়ে নিতে হচ্ছে। ভূমি অধিগ্রহণ ছিল প্রকল্পের অন্যতম বড় সমস্যা, তবে তা এখন সমাধানের পথে। যেসব এলাকায় ভৌত কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়, সেসব এলাকায় কাজ আরও জোরদার করার চেষ্টা চলছে।
এ সময় প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।