ঢাকা ১১:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নলছিটির মোল্লারহাট-হদুয়া বাজার পর্যন্ত সড়কের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা Logo পাল্টাপাল্টি উত্তেজনা কমাতে সহযোগীদের ওপর হামলা না করার সিদ্ধান্ত Logo দেশে প্রথম ২৯ কার্যদিবসেই মেহেরপুরের ধর্ষণ মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড Logo রাজাপুরে ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে ১০ কেজি হারে বিনামূল্যে ভিজিএফ চাল বিতরণ Logo ঈদে আইটেল নিয়ে এলো ফিচার ফোনে ১৮০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি Logo তরুণদের স্বপ্নের গল্প বলছে ভিভো বাংলাদেশ Logo ২১ মে শেষ সময়, তবু অনিশ্চয়তা কাটেনি: দোকান ফিরে পাবেন কি প্রতিবন্ধী রাজ্জাক? Logo লেবাননে যুদ্ধ বন্ধ ও সেনা প্রত্যাহারে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের নতুন শর্ত Logo হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১১ শিশুর প্রাণহানি, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭ Logo নিউ এনার্জি মোবিলিটির আগামী বিনির্মানে আরও তিনটি নতুন মডেল নিয়ে এলো বিওয়াইডি

বিতর্কের মধ্যেও বিজেপির রেকর্ড জয়, পেছনে কী কারণ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৬:১৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬ ৬৫ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। মঙ্গলবার ।। ০৫ মে ২০২৬ ।।

ভারতের কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন ঘিরে। এবারের ভোটে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) রেকর্ড সংখ্যক আসনে জয় পেয়ে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে। ২৯৪ সদস্যের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিজেপি জয় পেয়েছে ২০৭টি আসনে। ২০২১ সালের নির্বাচনে দলটি পেয়েছিল ৭৭টি আসন, যা সে সময় তাদের সর্বোচ্চ অর্জন ছিল। এর আগে ২০১৬ সালে বিজেপির দখলে ছিল মাত্র তিনটি আসন। অন্যদিকে বড় ধাক্কা খেয়েছে মমতা ব্যানার্জীর নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস। এবারের নির্বাচনে দলটি মাত্র ৮০টি আসনে জয় পেয়েছে। অথচ ২০২১ সালে তাদের আসন ছিল ২১৫টি এবং ২০১৬ সালে ২১১টি। নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিতে নারাজ মমতা ব্যানার্জী। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে কারচুপি ও ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগ এনেছেন। তার দাবি, শতাধিক আসন পরিকল্পিতভাবে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও। পশ্চিমবঙ্গে তার দল মাত্র দুটি আসনে জয় পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন নির্বাচনে ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে এবং বিরোধীদের অভিযোগ— নির্বাচন কমিশন ও শাসক দলের ভূমিকা নিরপেক্ষ ছিল না। রাহুলের মতে, আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন বিশেষভাবে প্রভাবিত হয়েছে। তিনি মমতা ব্যানার্জীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত প্রকাশ করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে ১০০টির বেশি আসন কার্যত হাতছাড়া করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সামাজিক মাধ্যমে বিজেপির এই জয়কে ‘জনতার বিজয়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে “পদ্ম ফুটেছে” এবং ২০২৬ সালের নির্বাচন দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তবে পুরো নির্বাচন ঘিরে বিতর্কের বড় অংশ জুড়ে রয়েছে এসআইআর (বিশেষ নিবিড় সংশোধন) প্রক্রিয়া এবং বিপুলসংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার তালিকা হালনাগাদের অংশ হিসেবে মৃত, অনুপস্থিত ও ডুপ্লিকেট ভোটার বাদ দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ৯৫ লাখ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যা মোট ভোটারের প্রায় ১২ শতাংশ। তাদের দাবি, মুসলিম অধ্যুষিত জেলাগুলোতেই সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে। উদাহরণ হিসেবে মুর্শিদাবাদে প্রায় ৪ লাখ ৬০ হাজার, উত্তর ২৪ পরগনায় ৩ লাখ ৩০ হাজার এবং মালদায় প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়ার তথ্য সামনে এসেছে। বিশ্লেষকদের মতে, কিছু এলাকায় বাদ পড়াদের বড় অংশই মুসলিম ভোটার। বিরোধীদের অভিযোগ, এর মাধ্যমে তৃণমূলের ভোটব্যাংক দুর্বল করার চেষ্টা হয়েছে। কারণ অতীতের ভোট বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মুসলিম ভোটের বড় অংশ সাধারণত তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে যায়। নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিপুল উপস্থিতি নিয়েও সরব ছিলেন মমতা ব্যানার্জী। তার অভিযোগ, দুই লক্ষাধিক কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েনের মাধ্যমে ভোটার ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টি করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এই বাহিনী কার্যত বিজেপির পক্ষেই কাজ করেছে। মমতা নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে বলেন, অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন নির্বাচনী পরিবেশকে প্রভাবিত করেছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শুধু প্রশাসনিক বিতর্কই নয়— এবারের ফলাফলে মুসলিম ভোটের বিভাজনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আগে যেখানে মুসলিম ভোটের বড় অংশ তৃণমূলের দিকে যেত, এবার সেই ভোট বিভিন্ন দলে ভাগ হয়েছে। তৃণমূল ছাড়াও কংগ্রেস, নওশাদ সিদ্দিকীর বাম জোট এবং হুমায়ন কবিরের মতো নেতারাও মুসলিম ভোটের একটি অংশ টানতে সক্ষম হয়েছেন। ফলে বিরোধী ভোট ছড়িয়ে পড়েছে। এদিকে দীর্ঘ ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার কারণে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, বেকারত্ব ও প্রত্যাশিত উন্নয়ন না হওয়ার অভিযোগও জনমনে প্রভাব ফেলেছে। একই সঙ্গে বিজেপির হিন্দু ভোট একত্র করার কৌশলও ফলাফলে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে। দলটির নেতারা দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলকে “মুসলিম তোষণ”-এর অভিযোগে আক্রমণ করে এসেছে। তাদের প্রচারে দাবি করা হয়েছে, রাজ্যের সরকার মুসলিমদের বেশি সুবিধা দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে রাজ্যের জনসংখ্যাগত ভারসাম্য বদলে যেতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, হিন্দু ভোটের সংহতি, মুসলিম ভোটের বিভাজন এবং নির্বাচন ঘিরে বিতর্ক— সব মিলিয়েই পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচনকে ভারতের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত নির্বাচনে পরিণত করেছে।

ট্যাগস :

বিতর্কের মধ্যেও বিজেপির রেকর্ড জয়, পেছনে কী কারণ

আপডেট সময় : ০৬:১৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। মঙ্গলবার ।। ০৫ মে ২০২৬ ।।

ভারতের কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন ঘিরে। এবারের ভোটে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) রেকর্ড সংখ্যক আসনে জয় পেয়ে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে। ২৯৪ সদস্যের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিজেপি জয় পেয়েছে ২০৭টি আসনে। ২০২১ সালের নির্বাচনে দলটি পেয়েছিল ৭৭টি আসন, যা সে সময় তাদের সর্বোচ্চ অর্জন ছিল। এর আগে ২০১৬ সালে বিজেপির দখলে ছিল মাত্র তিনটি আসন। অন্যদিকে বড় ধাক্কা খেয়েছে মমতা ব্যানার্জীর নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস। এবারের নির্বাচনে দলটি মাত্র ৮০টি আসনে জয় পেয়েছে। অথচ ২০২১ সালে তাদের আসন ছিল ২১৫টি এবং ২০১৬ সালে ২১১টি। নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিতে নারাজ মমতা ব্যানার্জী। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে কারচুপি ও ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগ এনেছেন। তার দাবি, শতাধিক আসন পরিকল্পিতভাবে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। একই ধরনের অভিযোগ তুলেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও। পশ্চিমবঙ্গে তার দল মাত্র দুটি আসনে জয় পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন নির্বাচনে ভোট প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে এবং বিরোধীদের অভিযোগ— নির্বাচন কমিশন ও শাসক দলের ভূমিকা নিরপেক্ষ ছিল না। রাহুলের মতে, আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন বিশেষভাবে প্রভাবিত হয়েছে। তিনি মমতা ব্যানার্জীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত প্রকাশ করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে ১০০টির বেশি আসন কার্যত হাতছাড়া করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সামাজিক মাধ্যমে বিজেপির এই জয়কে ‘জনতার বিজয়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে “পদ্ম ফুটেছে” এবং ২০২৬ সালের নির্বাচন দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তবে পুরো নির্বাচন ঘিরে বিতর্কের বড় অংশ জুড়ে রয়েছে এসআইআর (বিশেষ নিবিড় সংশোধন) প্রক্রিয়া এবং বিপুলসংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার তালিকা হালনাগাদের অংশ হিসেবে মৃত, অনুপস্থিত ও ডুপ্লিকেট ভোটার বাদ দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ৯৫ লাখ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যা মোট ভোটারের প্রায় ১২ শতাংশ। তাদের দাবি, মুসলিম অধ্যুষিত জেলাগুলোতেই সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে। উদাহরণ হিসেবে মুর্শিদাবাদে প্রায় ৪ লাখ ৬০ হাজার, উত্তর ২৪ পরগনায় ৩ লাখ ৩০ হাজার এবং মালদায় প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়ার তথ্য সামনে এসেছে। বিশ্লেষকদের মতে, কিছু এলাকায় বাদ পড়াদের বড় অংশই মুসলিম ভোটার। বিরোধীদের অভিযোগ, এর মাধ্যমে তৃণমূলের ভোটব্যাংক দুর্বল করার চেষ্টা হয়েছে। কারণ অতীতের ভোট বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মুসলিম ভোটের বড় অংশ সাধারণত তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে যায়। নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিপুল উপস্থিতি নিয়েও সরব ছিলেন মমতা ব্যানার্জী। তার অভিযোগ, দুই লক্ষাধিক কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েনের মাধ্যমে ভোটার ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টি করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এই বাহিনী কার্যত বিজেপির পক্ষেই কাজ করেছে। মমতা নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে বলেন, অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন নির্বাচনী পরিবেশকে প্রভাবিত করেছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শুধু প্রশাসনিক বিতর্কই নয়— এবারের ফলাফলে মুসলিম ভোটের বিভাজনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আগে যেখানে মুসলিম ভোটের বড় অংশ তৃণমূলের দিকে যেত, এবার সেই ভোট বিভিন্ন দলে ভাগ হয়েছে। তৃণমূল ছাড়াও কংগ্রেস, নওশাদ সিদ্দিকীর বাম জোট এবং হুমায়ন কবিরের মতো নেতারাও মুসলিম ভোটের একটি অংশ টানতে সক্ষম হয়েছেন। ফলে বিরোধী ভোট ছড়িয়ে পড়েছে। এদিকে দীর্ঘ ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার কারণে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, বেকারত্ব ও প্রত্যাশিত উন্নয়ন না হওয়ার অভিযোগও জনমনে প্রভাব ফেলেছে। একই সঙ্গে বিজেপির হিন্দু ভোট একত্র করার কৌশলও ফলাফলে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে। দলটির নেতারা দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলকে “মুসলিম তোষণ”-এর অভিযোগে আক্রমণ করে এসেছে। তাদের প্রচারে দাবি করা হয়েছে, রাজ্যের সরকার মুসলিমদের বেশি সুবিধা দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে রাজ্যের জনসংখ্যাগত ভারসাম্য বদলে যেতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, হিন্দু ভোটের সংহতি, মুসলিম ভোটের বিভাজন এবং নির্বাচন ঘিরে বিতর্ক— সব মিলিয়েই পশ্চিমবঙ্গের এবারের নির্বাচনকে ভারতের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত নির্বাচনে পরিণত করেছে।