সংবাদ শিরোনাম :
বিজয়নগরে হাঁসের বাচ্চা ফেরত দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক ব্যাক্তিকে খুনের অভিযোগ
বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
- আপডেট সময় : ০৮:৫২:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ ৭১ বার পঠিত

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগর উপজেলায় খরিদকৃত হাঁসের বাচ্চা ফেরত দেওয়াকে কেন্দ্র করে মোহাম্মদ আলী নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ২০ শে জুলাই সোমবার সকাল ১১ টায় উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়নের সাতগাঁও গ্রামের মাদ্রাসা পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মোহাম্মদ আলী (৪০) সাতগাঁও গ্রামের মৃত কলমউদ্দিনের ছেলে। সে তিন সন্তানের জনক। অভিযুক্ত দুধ মিয়া (৪৫) মৃত নূর মোহাম্মদের ছেলে একই গ্রামের নেজের বাড়ির বাসিন্দা। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, ঘটনার আগের দিন অভিযুক্ত দুধ মিয়া ও তার স্ত্রী, নিহত মোহাম্মদ আলীর কাছে ৬ টি হাঁসের বাচ্চা বিক্রি করেন। বাচ্চা বাড়িতে নেওয়ার সাথে সাথে দুটি বাচ্চা মরে যায়। নিহত মোহাম্মদ আলী ও তার স্ত্রী আরো কয়েকজন সাথে নিয়ে অবশিষ্ট বাচ্চাগুলোকে ফেরত দিয়ে টাকা চাওয়ায় উভয় পক্ষে বাকবিতন্ডায় এক পর্যায়ে অভিযুক্ত দুধ মিয়া তার বসতঘর হতে লাঠি দিয়ে নিহতের কোমরে আঘাত করেন। পরবর্তীতে দুধ মিয়ার স্ত্রী স্বামীর হাতের লাঠি নিয়ে মাতা ও ঘাড়ে আঘাত করলে ঘটনাস্থলে মোহাম্মদ আলী মাটিতে লুটে পড়েন। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে তিনি মারা যান। মনের সন্দেহে বিজয়নগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শিরা সাংবাদিকদের জানান, দুধ মিয়ার স্ত্রী খুবই খারাপ আচরণ প্রকৃতির মানুষ, হাঁসের বাচ্চা নিয়ে বাকবিতণ্ডায় এক পর্যায়ে দুধ মিয়া নিহতের গায়ে আঘাত করার সাথে সাথে তার স্ত্রী নিহতের মাথায় ও ঘাড়ে লাঠি দিয়ে আঘাত করলে ঘটনাস্থলে মোহাম্মদ আলী মাটিতে পড়ে ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরণ করেন। এ সময় অভিযুক্তরা নিজেরাই স্থানীয় চিকিৎসকদের কাছে নিয়ে যান বলে ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত দুধ মিয়ার মা, হাঁসের বাচ্চা নিয়ে ঝামেলার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মোহাম্মদ আলী হাঁসের বাচ্চা ফেরত দিতে আসছিল সত্য কিন্তু আমি ঘরে ছিলাম মারামারি করতে দেখিনি। এ বিষয়ে বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, হাঁস নিয়ে ঝামেলার কথা শুনেছি। নিহতের মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।




















