প্রচণ্ড গরমে এক বিদ্যালয়ের ২৫ ছাত্রী অসুস্থ
- আপডেট সময় : ০৮:০৫:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০২৩ ১৭৮ বার পঠিত

তারেক পাঠান, নরসিংদী প্রতিনিধি:
নরসিংদীর রায়পুরায় প্রচণ্ড গরমে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা চলার সময় তিন শ্রেণির অন্তত ২৫ জন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ৭ জুন বুধবার বেলা তিনটার দিকে উপজেলার চান্দেরকান্দি ইউনিয়নের শতদল বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের উদ্ধার করে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়।
বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির শতাধিক ছাত্রী অর্ধবার্ষিক পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। বেলা তিনটার দিকে প্রচণ্ড গরমের কারণে একের পর এক ছাত্রী অসুস্থ বোধ করতে থাকে। তা দেখে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা শিক্ষকেরা আমাকে ঘটনা জানান। এরই মধ্যে অন্তত ২৫ জন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে সঙ্গে সঙ্গে তাদের হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করি। তাদের তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে তাদের পরিবারের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।’
বিদ্যালয়টির কয়েকজন ছাত্রী জানায়, বেলা দেড়টার দিকে তাদের বাংলা বিষয়ের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল বিকেল সাড়ে চারটায়। বেলা তিনটার দিকে অষ্টম শ্রেণির দুই ছাত্রী প্রথমে জ্ঞান হারায়। তাদের হাসপাতালে পাঠানোর পরপর আরও ১৩ ছাত্রী অসুস্থ বোধ করে মাটিতে পড়ে যায়। তাদের হাসপাতালে পাঠানোর মধ্যেই আরও ১০ ছাত্রী জ্ঞান হারায়।
জানতে চাইলে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক সুমন সরকার জানান, ‘প্রচণ্ড গরমের কারণেই ছাত্রীরা একে একে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এই ঘটনায় অন্তত ২৫ জনকে আমরা চিকিৎসা দিয়েছি। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর সুস্থ বোধ করায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।’
চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা এখন সুস্থ আছে। পরীক্ষার মাঝামাঝি সময়ে এসে ছাত্রীরা একের পর এক অসুস্থ হচ্ছিল, তাই পরীক্ষা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে সুবিধাজনক সময়ে এই পরীক্ষা আবার নেওয়া হবে।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গৌতম মিত্র জানান, প্রচণ্ড গরমের কারণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো গতকাল দেশের সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও ছুটি থাকবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে পাওয়া এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জেলার সব বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
















