ঢাকা ০৯:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নেশার টাকার জন্য স্ত্রী হত্যা রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার Logo বাক্কোর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি ফয়সল আলিম সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হোসেন Logo আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জিতে নামিবিয়ার ইতিহাস Logo ২০ জনের বেশি নাবিককে হত্যা করেছে ইরান, দাবি সেন্টকমের Logo ভূমিকম্প সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে পুলিশের সতর্ক অবস্থান, যান চলাচল স্বাভাবিক Logo আইফায় ১২ পুরস্কার জিতল ধুরন্ধর, কার হাতে উঠল কোন পুরস্কার? Logo সাঈদ আনোয়ারের রেকর্ডে ভাগ বসালেন ফখর জামান Logo Logo বিক্ষোভ করা শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করল পুলিশ, যান চলাচল স্বাভাবিক

দুদকের মামলায় তারেক-জোবাইদার বিরুদ্ধে ৩ ব্যাংক কর্মকর্তার সাক্ষ্য

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৫:১৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মে ২০২৩ ২৮৭ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলায় পলাতক আসামি তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন তিন ব্যাংক কর্মকর্তা।

সোমবার (২৯ মে) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আসাদুজ্জামানের আদালতে সাক্ষ্য দেন তারা। এতে মামলার ৫৬ সাক্ষীর মধ্যে ছয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। এরপর আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন।

সাক্ষীরা হলেন এবি ব্যাংকের এসএম মুসা করিম, ওবায়দুর রশিদ খান ও ইমরান আহমেদ।

পলাতক তারেক ও জোবাইদার বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ১ নভেম্বর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি গ্রেফতারি পরোয়ানার তামিল প্রতিবেদন গ্রহণ করেন আদালত। এরপর তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেন আদালত। এরপর আদালত গত ১৩ এপ্রিল পলাতক তারেক ও জোবাইদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। গত ২১ মে মামলার বাদী দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল হুদা সাক্ষ্য দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, দুদক ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কাফরুল থানায় ঘোষিত আয়ের বাইরে চার কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া এবং সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলাটি করে। মামলায় তারেক রহমান, জোবাইদা রহমান ও তার মা অর্থাৎ তারেক রহমানের শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়। ২০০৮ সালে তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়। এরপর মামলাটি বাতিলের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করেন জোবাইদা। ওই বছরই এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেন। এর বিরুদ্ধে আপিল করলে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন। এ বিষয়ে চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল হাইকোর্ট জোবাইদার করা মামলা বাতিলের আবেদন খারিজ (রুল ডিসচার্জ) করে রায় দেন।

একইসঙ্গে ওই মামলায় জোবাইদাকে আট সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই বছর হাইকোর্টের বরখাস্তের আদেশের বিরুদ্ধে জোবাইদা লিভ-টু-আপিল করেন। এরপর প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চের লিভ-টু-আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

দুদকের মামলায় তারেক-জোবাইদার বিরুদ্ধে ৩ ব্যাংক কর্মকর্তার সাক্ষ্য

আপডেট সময় : ০৫:১৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ মে ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:
জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলায় পলাতক আসামি তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন তিন ব্যাংক কর্মকর্তা।

সোমবার (২৯ মে) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আসাদুজ্জামানের আদালতে সাক্ষ্য দেন তারা। এতে মামলার ৫৬ সাক্ষীর মধ্যে ছয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। এরপর আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন।

সাক্ষীরা হলেন এবি ব্যাংকের এসএম মুসা করিম, ওবায়দুর রশিদ খান ও ইমরান আহমেদ।

পলাতক তারেক ও জোবাইদার বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ১ নভেম্বর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি গ্রেফতারি পরোয়ানার তামিল প্রতিবেদন গ্রহণ করেন আদালত। এরপর তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেন আদালত। এরপর আদালত গত ১৩ এপ্রিল পলাতক তারেক ও জোবাইদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। গত ২১ মে মামলার বাদী দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল হুদা সাক্ষ্য দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, দুদক ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কাফরুল থানায় ঘোষিত আয়ের বাইরে চার কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া এবং সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলাটি করে। মামলায় তারেক রহমান, জোবাইদা রহমান ও তার মা অর্থাৎ তারেক রহমানের শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়। ২০০৮ সালে তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়। এরপর মামলাটি বাতিলের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করেন জোবাইদা। ওই বছরই এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেন। এর বিরুদ্ধে আপিল করলে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন। এ বিষয়ে চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল হাইকোর্ট জোবাইদার করা মামলা বাতিলের আবেদন খারিজ (রুল ডিসচার্জ) করে রায় দেন।

একইসঙ্গে ওই মামলায় জোবাইদাকে আট সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই বছর হাইকোর্টের বরখাস্তের আদেশের বিরুদ্ধে জোবাইদা লিভ-টু-আপিল করেন। এরপর প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চের লিভ-টু-আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।