চট্টগ্রাম টেস্টের আগে উইকেট নিয়ে অনিশ্চয়তা, বাংলাদেশকে মানিয়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জে দেখছেন শন টেইট
- আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬ ২৮ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।। বুধবার ।। ২২ এপ্রিল ২০২৬ ।।
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে উইকেট কিছুটা অনিয়মিত বাউন্স ও ধীর গতির আচরণ করেছে। সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ম্যাচটি আগামীকাল সকাল ১১টায় চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মাঠে গড়াবে।
ম্যাচের আগে উইকেট দেখে কিছুটা ভালো মনে হলেও, বাংলাদেশের বোলিং কোচ শন টেইট এখনো নিশ্চিত নন এটি কেমন আচরণ করবে। তার মতে, বাংলাদেশের প্রতিটি উইকেটের চরিত্র অনুমান করা সহজ নয়, যা এখানকার ক্রিকেটের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
বুধবার সংবাদ সম্মেলনে টেইট বলেন, উইকেটটি দেখতে ভালো মনে হচ্ছে, তবে এর আচরণ আগে থেকে বোঝা কঠিন। সাধারণত চট্টগ্রামের পিচ ব্যাটিং সহায়ক হলেও মাঝে মাঝে বল নিচু হয়ে আসতে পারে। তিনি জানান, উইকেট নিয়ে অতিরিক্ত বিশ্লেষণে না গিয়ে দল জয় নিয়েই সামনে এগোতে চায় এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সব পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, গত ১২ মাসে চট্টগ্রামে দেখা উইকেটগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে ভালো মনে হচ্ছে। তবে ম্যাচের আগ পর্যন্ত এর প্রকৃত আচরণ বোঝা যাবে না। তার মতে, বাংলাদেশে বিশেষ করে মিরপুরে উইকেট বোঝা সবসময়ই কঠিন, কারণ প্রতিটি ম্যাচে এর চরিত্র ভিন্ন হয়, যা ক্রিকেটকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডেতে ভিন্ন ভিন্ন উইকেটে খেলার অভিজ্ঞতা হয়েছে বাংলাদেশের। সাধারণত চট্টগ্রামের উইকেট ব্যাটিং সহায়ক হিসেবে পরিচিত। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পেসাররা এখন বিভিন্ন কন্ডিশনে মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করেছে বলে মনে করেন টেইট।
তিনি বলেন, দলের পেসাররা পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। গত দুই ম্যাচে তারা ভিন্ন কন্ডিশনে ভালো বোলিং করেছে এবং সফলভাবে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে। তাই আগামী ম্যাচেও একইভাবে ভালো করার সক্ষমতা তাদের রয়েছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
টেইট আরও যোগ করেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের উইকেটে খেলতে হয়, যা খেলাটির সৌন্দর্য। তরুণ ফাস্ট বোলারদের জন্য এটি বিভিন্ন কন্ডিশনে খেলার ও পারফর্ম করার গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা তৈরি করে।

























