ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo উদ্ভাবন ও বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় ‘ফরচুন গ্লোবাল ৫০০’-এ ২৩২তম শাওমি Logo আখাউড়ায় খড়মপুর মাজারের দান বাক্সে এক কোটির বেশি টাকা, সোনা-রূপা ও বিদেশি মুদ্রা Logo ধামরাইয়ে প্রশ্নপত্র সংকটে শতাধিক স্কুলে পরীক্ষা শুরু এক ঘণ্টা দেরিতে Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রাফিক পুলিশের সহায়তায় হারানো টাকা ফিরে পেলেন তাজুল মিয়া Logo আল-কায়েদা নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা অনুমাননির্ভর, আমলে নিচ্ছে না সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্মাষ্টমীর পরামর্শ সভা ডাকাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের সদস্য সচিবের নেতৃত্বে হামলা ও ভাঙচুরের  অভিযোগ Logo আখাউড়ায় দেশীয় তৈরি মদসহ মাদক কারবারী গ্রেফতার Logo মাছের উৎপাদন বাড়াতে হবে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মৎস্য পক্ষের আলোচনা সভায়  এমপি শ্যামল Logo ধামরাইয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত : মো: শাকিল হোসাইন Logo এক মাসের জল্পনার অবসান, নতুন গল্প নিয়ে ফিরছে ‘গোপাল ভাঁড়’

আখাউড়ায় খড়মপুর মাজারের দান বাক্সে এক কোটির বেশি টাকা, সোনা-রূপা ও বিদেশি মুদ্রা

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:৫০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ৮৯ বার পঠিত

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার খড়মপুর শাহ সৈয়দ আহাম্মদ গেছুদারাজ (রহঃ) ওরফে কেল্লা শাহ খড়মপুর মাজারের ওরসে স্থাপন করা চারটি দানবাক্স থেকে ১২ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। গণনা শেষে এসব দানবাক্সে নগদ ১ কোটি ৩ লাখ ৬৫১ টাকা পাওয়া যায়। নগদ অর্থের পাশাপাশি দান হিসেবে মিলেছে সোনা-রূপা ও বিভিন্ন দেশের বিদেশি মুদ্রা। সোমবার সকাল থেকে শুরু হয়ে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত দানবাক্সগুলো খুলে টাকা গণনার কাজ চলে। সোনালী ব্যাংকের প্রায় ৫০ জন কর্মকর্তা এবং মাজার শরীফ মাদরাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত অর্ধশতাধিক স্বেচ্ছাসেবী টাকা গণনায় অংশ নেন। মাজার পরিচালনা কমিটির সূত্রে জানা গেছে, দেশ-বিদেশ থেকে আসা ভক্ত-আশেকানরা ওরস চলাকালে চারটি দানবাক্সে নগদ টাকা ছাড়াও সোনা, রূপা ও বিভিন্ন দেশের বিদেশি মুদ্রা দান করেন। এসব সোনা-রূপা ও বিদেশি মুদ্রা পৃথকভাবে সংরক্ষণ করে হিসাব করা হচ্ছে। এ ছাড়া মাজার প্রাঙ্গণে ভক্তদের দেয়া বিভিন্ন পশুপাখি ও অন্যান্য সামগ্রীর হিসাবও করা হচ্ছে। এসব সামগ্রী মাজার কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রাখা হয়েছে। খড়মপুর মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খাদেম মিন্টু জানান, গত ১০ আগস্ট সোমবার থেকে আখাউড়ার খড়মপুর শাহ সৈয়দ আহাম্মদ গেছুদারাজ (রহ.) ওরফে শাহ পীর কেল্লা বাবার মাজারের সাত দিনব্যাপী ওরস শুরু হয়। ১৬ আগস্ট রোববার দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত ওরসের আনুষ্ঠানিকতা চলে। এ সময় দেশ-বিদেশ থেকে আগত মাজারের ভক্ত-আশেকানরা চারটি দান বাক্সে নগদ টাকা, সোনা-রূপা ও বিদেশি মুদ্রা দান করেন। মাজার পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি ও আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, চারটি দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে ১ কোটি ৩ লাখ ৬৫১ টাকা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া দানবাক্সে পাওয়া সোনা-রূপা ও বিদেশি মুদ্রারও হিসাব করা হচ্ছে। সবকিছুর হিসাব-নিকাশ শেষে মাজারের সার্বিক আয়-ব্যয়ের বিষয়টি জানানো হবে।

ট্যাগস :

আখাউড়ায় খড়মপুর মাজারের দান বাক্সে এক কোটির বেশি টাকা, সোনা-রূপা ও বিদেশি মুদ্রা

আপডেট সময় : ০৭:৫০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

মনিরুজ্জামান মনির, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার খড়মপুর শাহ সৈয়দ আহাম্মদ গেছুদারাজ (রহঃ) ওরফে কেল্লা শাহ খড়মপুর মাজারের ওরসে স্থাপন করা চারটি দানবাক্স থেকে ১২ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। গণনা শেষে এসব দানবাক্সে নগদ ১ কোটি ৩ লাখ ৬৫১ টাকা পাওয়া যায়। নগদ অর্থের পাশাপাশি দান হিসেবে মিলেছে সোনা-রূপা ও বিভিন্ন দেশের বিদেশি মুদ্রা। সোমবার সকাল থেকে শুরু হয়ে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত দানবাক্সগুলো খুলে টাকা গণনার কাজ চলে। সোনালী ব্যাংকের প্রায় ৫০ জন কর্মকর্তা এবং মাজার শরীফ মাদরাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত অর্ধশতাধিক স্বেচ্ছাসেবী টাকা গণনায় অংশ নেন। মাজার পরিচালনা কমিটির সূত্রে জানা গেছে, দেশ-বিদেশ থেকে আসা ভক্ত-আশেকানরা ওরস চলাকালে চারটি দানবাক্সে নগদ টাকা ছাড়াও সোনা, রূপা ও বিভিন্ন দেশের বিদেশি মুদ্রা দান করেন। এসব সোনা-রূপা ও বিদেশি মুদ্রা পৃথকভাবে সংরক্ষণ করে হিসাব করা হচ্ছে। এ ছাড়া মাজার প্রাঙ্গণে ভক্তদের দেয়া বিভিন্ন পশুপাখি ও অন্যান্য সামগ্রীর হিসাবও করা হচ্ছে। এসব সামগ্রী মাজার কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রাখা হয়েছে। খড়মপুর মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খাদেম মিন্টু জানান, গত ১০ আগস্ট সোমবার থেকে আখাউড়ার খড়মপুর শাহ সৈয়দ আহাম্মদ গেছুদারাজ (রহ.) ওরফে শাহ পীর কেল্লা বাবার মাজারের সাত দিনব্যাপী ওরস শুরু হয়। ১৬ আগস্ট রোববার দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত ওরসের আনুষ্ঠানিকতা চলে। এ সময় দেশ-বিদেশ থেকে আগত মাজারের ভক্ত-আশেকানরা চারটি দান বাক্সে নগদ টাকা, সোনা-রূপা ও বিদেশি মুদ্রা দান করেন। মাজার পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি ও আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, চারটি দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে ১ কোটি ৩ লাখ ৬৫১ টাকা পাওয়া গেছে। এ ছাড়া দানবাক্সে পাওয়া সোনা-রূপা ও বিদেশি মুদ্রারও হিসাব করা হচ্ছে। সবকিছুর হিসাব-নিকাশ শেষে মাজারের সার্বিক আয়-ব্যয়ের বিষয়টি জানানো হবে।