ঢাকা ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশ আর্চারী ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজিম উদ্দিন Logo হুয়াওয়ে কানেক্ট ২০২৬: বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন, সংযুক্ত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভবিষ্যৎ গঠনে হুয়াওয়ের প্রতিশ্রুতি Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বসত বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি Logo দেশের প্রথম কমিউনিটি ভিত্তিক এগ্রো রিসোর্টের নকশা উন্মোচন করল সুখের খামার Logo শতাব্দীর পুরনো পৈত্রিক ভিটা দখলের পাঁয়তারা, নীরব প্রশাসন: নেত্রকোণায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের মানববন্ধন Logo ইরানের শর্ত না মানা পর্যন্ত হরমুজ বন্ধ থাকবে: গালিবাফ Logo টানা কয়েকটি সিনেমায় ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয়, যা ঘটেছিল রাধিকা আপ্তের সঙ্গে Logo এশিয়ান গেমস নারী ক্রিকেট • লড়াইটাও করতে পারেনি বাংলাদেশ, ১১৪ রানে জিতে ফাইনালে ভারত Logo দেশীয় শিল্প সুরক্ষা ও প্রতিযোগিতা বাড়াতে সরকারি ক্রয় আইনে সংশোধন Logo অপ্রতিম হত্যায় ৪ জন গ্রেফতার, অপরাধ স্বীকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারত থেকে আরও ২ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি পেল বাংলাদেশ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:২৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬ ৪১৮ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। মঙ্গলবার।। ২০.০১.২০২৬

বাংলাদেশ সরকার বেসরকারিভাবে ভারত থেকে আরও দুই লাখ টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এ সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভারতীয় চালকল মালিক ও রপ্তানিকারকরা। তাদের মতে, এই নতুন অনুমতির ফলে পূর্ব ও দক্ষিণ ভারতে চাল রপ্তানির সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।

বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে, ২০২৬ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত ২৩২টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চাল আমদানি করতে পারবে। সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, এই পদক্ষেপ দেশের বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নেওয়া হয়েছে।

২০২৫ সালের আগস্টে বাংলাদেশ প্রথম দফায় চাল আমদানির পরিকল্পনা জানায়। বর্তমানে নতুন অনুমোদিত দুই লাখ টন চাল সেই পূর্ব পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত হলো। আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ মোট ৯ লাখ টন চাল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে, যার মধ্যে পাঁচ লাখ টন বেসরকারিভাবে এবং চার লাখ টন সরকারিভাবে সংগ্রহ করা হবে।

ভারতের চাল রপ্তানিকারকদের সংগঠন আইআরইএফ-এর সভাপতি প্রেম গার্গ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে ভারতের চালের বড় ক্রেতা। তার মতে, ভারতীয় চাল রপ্তানিতে অন্ধ্রপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীরা বিশেষ সুবিধা পাবেন, কারণ ভারতের বাজারে চালের দাম তুলনামূলকভাবে কম।

‘জয় বাবা বাকেশ্বর চাল মিল’-এর পরিচালক রাহুল খৈতান জানিয়েছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চাপ বাড়ার কারণে সরকার বেসরকারিভাবে চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। বিশেষ করে, বাংলাদেশে সিদ্ধ চালের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি ধারণা করছেন।

ভারতের ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, চাল রপ্তানিতে ভারত এখনও বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও সাশ্রয়ী অংশীদার। সাম্প্রতিক বাণিজ্য তথ্য অনুযায়ী, ভারতের সাদা চালের দাম প্রতি টন ৩৫১ থেকে ৩৬০ মার্কিন ডলার, যেখানে পাকিস্তানের চালের দাম প্রায় ৩৯৫ ডলার।

ট্যাগস :

ভারত থেকে আরও ২ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি পেল বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৪:২৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। মঙ্গলবার।। ২০.০১.২০২৬

বাংলাদেশ সরকার বেসরকারিভাবে ভারত থেকে আরও দুই লাখ টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এ সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভারতীয় চালকল মালিক ও রপ্তানিকারকরা। তাদের মতে, এই নতুন অনুমতির ফলে পূর্ব ও দক্ষিণ ভারতে চাল রপ্তানির সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।

বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে, ২০২৬ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত ২৩২টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চাল আমদানি করতে পারবে। সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, এই পদক্ষেপ দেশের বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নেওয়া হয়েছে।

২০২৫ সালের আগস্টে বাংলাদেশ প্রথম দফায় চাল আমদানির পরিকল্পনা জানায়। বর্তমানে নতুন অনুমোদিত দুই লাখ টন চাল সেই পূর্ব পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত হলো। আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ মোট ৯ লাখ টন চাল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে, যার মধ্যে পাঁচ লাখ টন বেসরকারিভাবে এবং চার লাখ টন সরকারিভাবে সংগ্রহ করা হবে।

ভারতের চাল রপ্তানিকারকদের সংগঠন আইআরইএফ-এর সভাপতি প্রেম গার্গ জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে ভারতের চালের বড় ক্রেতা। তার মতে, ভারতীয় চাল রপ্তানিতে অন্ধ্রপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীরা বিশেষ সুবিধা পাবেন, কারণ ভারতের বাজারে চালের দাম তুলনামূলকভাবে কম।

‘জয় বাবা বাকেশ্বর চাল মিল’-এর পরিচালক রাহুল খৈতান জানিয়েছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চাপ বাড়ার কারণে সরকার বেসরকারিভাবে চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। বিশেষ করে, বাংলাদেশে সিদ্ধ চালের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি ধারণা করছেন।

ভারতের ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, চাল রপ্তানিতে ভারত এখনও বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও সাশ্রয়ী অংশীদার। সাম্প্রতিক বাণিজ্য তথ্য অনুযায়ী, ভারতের সাদা চালের দাম প্রতি টন ৩৫১ থেকে ৩৬০ মার্কিন ডলার, যেখানে পাকিস্তানের চালের দাম প্রায় ৩৯৫ ডলার।