ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে পদ্মা ব্যারাজের উদ্বোধন: পানিসম্পদমন্ত্রী Logo ফেরারির ডিজাইন নিয়ে ইনফিনিক্সের নতুন স্মার্টফোন নোট ৬০ আলট্রা Logo রাজাপুরের পুটিয়াখালীকে ৭নং স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ঘোষণার দাবিতে মানববন্ধন Logo ময়মনসিংহে প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে ৭-০ গোলে চ্যাম্পিয়ন ‘The King of Sportiva’ Logo প্রথম দেশ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে নেপাল Logo ফ্রান্সের রাজপথ কাঁপাচ্ছে ক্যাপ্টেন আমেরিকা-স্পাইডারম্যানরা Logo ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে লিটনকে না পাওয়ার শঙ্কা Logo এনসিপির জাতীয় নারী শক্তির আহ্বায়ক হলেন মাহমুদা মিতু Logo বিতর্কিত কর্মকাণ্ড, প্রশাসন নিয়ে সমালোচনায় অস্বস্তিতে সরকার Logo বিএনপি নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের ভোট ভিক্ষা চেয়েছেন: জামায়াতের আমির

রমজানের রোজা নবিজি (সা.) কতবার রেখেছিলেন?

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০১:৪৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩ ১১৫৮ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে পবিত্র রমজানের রোজা ফরজ। রোজা ফরজ হওয়ার পর থেকেই পালন করা হয়েছে। কিন্তু রোজা ফরজ হওয়ার পর নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানে কতবার রোজা রেখেছিলেন?

দ্বিতীয় হিজরী শাবান মাসে রমজানের রোজা ফরজ হয়। তারপর থেকে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাসের ফরজ রোজা পালন করতেন। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ৯ বার রমজানের ফরজ রোজা রেখেছিলেন ।

ইমাম নবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোট ৯ বছর রমজানের রোজা রেখেছেন। কারণ এটি দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে ফরজ হয়। এবং মহানবী (সা.) ইন্তেকাল করেছেন রবিউল আউয়াল মাসে, ১১ হিজরি।’ (আল-মাজমুআ ৬/২৫০)

রমজানের আগে মুসলমানরা রোজা রাখে-
বিভিন্ন বর্ণনায় বর্ণিত হয়েছে যে, রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে মুসলমানরা প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখতেন। তবে অধিকাংশ ফকিহ ও মুহাদ্দিসের মতে, রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে আশুরার রোজা ওয়াজিব ছিল, যা পরে নফল হয়ে যায়।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনায় আসেন, তখন তিনি ইহুদিদের আশুরার দিনে রোজা রাখতে দেখেন। তাদেরকে রোযা রাখার কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তারা বলেন, এই দিনে আল্লাহ মুসা (আঃ) ও বনী ইসরাইলকে ফেরাউনের উপর বিজয় দান করেছিলেন। তাই আমরা সেদিনের সম্মানে রোজা রাখি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমরা তোমাদের চেয়ে মুসা আলাইহিস সালামের অধিক নিকটবর্তী। অতঃপর তিনি (আশুরার) সিয়াম পালনের নির্দেশ দিলেন’। (বুখারি ৩৯৪৩)

প্রতি মাসের ১৩, ১৪ এবং ১৫ তারিখে বিজ রোজা রাখার নিয়ম সবসময়ই মুস্তাহাব ছিল। হাদিসেও বিজের রোজার বিশেষ তাগিদ রয়েছে।
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘আমার বন্ধু রাসূল (সা.) আমাকে তিনটি বিষয়ে অসিয়ত করেছেন। মৃত্যু পর্যন্ত আমি তা ত্যাগ করব না। তা হলো- ১. প্রতি মাসে তিন দিন (আইয়ামে বিজ) রোজা রাখা, চাশতের নামায পড়া এবং বিতরের নামায পড়ে বিছানায় যাওয়া।’ (বুখারী ১১৭৮)

রমজানের রোজা নবিজি (সা.) কতবার রেখেছিলেন?

আপডেট সময় : ০১:৪৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে পবিত্র রমজানের রোজা ফরজ। রোজা ফরজ হওয়ার পর থেকেই পালন করা হয়েছে। কিন্তু রোজা ফরজ হওয়ার পর নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানে কতবার রোজা রেখেছিলেন?

দ্বিতীয় হিজরী শাবান মাসে রমজানের রোজা ফরজ হয়। তারপর থেকে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাসের ফরজ রোজা পালন করতেন। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ৯ বার রমজানের ফরজ রোজা রেখেছিলেন ।

ইমাম নবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোট ৯ বছর রমজানের রোজা রেখেছেন। কারণ এটি দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে ফরজ হয়। এবং মহানবী (সা.) ইন্তেকাল করেছেন রবিউল আউয়াল মাসে, ১১ হিজরি।’ (আল-মাজমুআ ৬/২৫০)

রমজানের আগে মুসলমানরা রোজা রাখে-
বিভিন্ন বর্ণনায় বর্ণিত হয়েছে যে, রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে মুসলমানরা প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখতেন। তবে অধিকাংশ ফকিহ ও মুহাদ্দিসের মতে, রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার আগে আশুরার রোজা ওয়াজিব ছিল, যা পরে নফল হয়ে যায়।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনায় আসেন, তখন তিনি ইহুদিদের আশুরার দিনে রোজা রাখতে দেখেন। তাদেরকে রোযা রাখার কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তারা বলেন, এই দিনে আল্লাহ মুসা (আঃ) ও বনী ইসরাইলকে ফেরাউনের উপর বিজয় দান করেছিলেন। তাই আমরা সেদিনের সম্মানে রোজা রাখি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমরা তোমাদের চেয়ে মুসা আলাইহিস সালামের অধিক নিকটবর্তী। অতঃপর তিনি (আশুরার) সিয়াম পালনের নির্দেশ দিলেন’। (বুখারি ৩৯৪৩)

প্রতি মাসের ১৩, ১৪ এবং ১৫ তারিখে বিজ রোজা রাখার নিয়ম সবসময়ই মুস্তাহাব ছিল। হাদিসেও বিজের রোজার বিশেষ তাগিদ রয়েছে।
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘আমার বন্ধু রাসূল (সা.) আমাকে তিনটি বিষয়ে অসিয়ত করেছেন। মৃত্যু পর্যন্ত আমি তা ত্যাগ করব না। তা হলো- ১. প্রতি মাসে তিন দিন (আইয়ামে বিজ) রোজা রাখা, চাশতের নামায পড়া এবং বিতরের নামায পড়ে বিছানায় যাওয়া।’ (বুখারী ১১৭৮)