ঢাকা ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ২০২৯ সালের জুনে শেষ হবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেন নির্মাণ : সড়ক ও রেলপথ মন্ত্রী৷ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস গ্যাসের নতুন কুপ খননের উদ্বোধন Logo পপুলার লাইফের খুলনা অঞ্চলের বীমা গ্রাহকের বীমা দাবীর ৩ কোটি ১৭ লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তর Logo রাজাপুরের উত্তমপুর বাজারে পাবলিক টয়লেট নির্মাণের উদ্যোগ দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবের আশায় ব্যবসায়ীরা Logo ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অনারের রোবট ফোন Logo ইরান যুদ্ধে নিহত সেনাদের সংখ্যা গোপন করেছে যুক্তরাষ্ট্র Logo বলিউডে রাজত্ব করেছেন এক যুগ, কিন্তু ভালোবেসেছেন বাংলাকে Logo বিবর্ণ মিরাজ, হেটমায়ারের সেঞ্চুরির পরও গায়ানার বিদায় Logo দুপুরের মধ্যেই প্রকাশ হতে পারে নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন, বেতন নিয়ে যা জানা গেল Logo লংমার্চের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন বিএনপির, নজরও রাখছে

রাজধানীতে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪ ১১৩৯ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের তিলপাপাড়ার একটি বাসা থেকে শাহিদা (১৪) নামে এক গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৬ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, ওই কিশোরী মো. নুরুল হায়দারের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিল। গৃহকর্তা নুরুল হায়দারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমরা জানতে পেরেছি ঘটনার সময় নুরুল হায়দার বা তার স্ত্রী কেউই বাড়িতে ছিলেন না। শুধু তাদের এক প্রতিবন্ধী মেয়ে আর ওই কিশোরী ঘরে ছিল। পরে তারা ঘরে এসে দরজা খুলে দেখেন গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছে।

ট্যাগস :

রাজধানীতে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৪:০৪:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের তিলপাপাড়ার একটি বাসা থেকে শাহিদা (১৪) নামে এক গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৬ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, ওই কিশোরী মো. নুরুল হায়দারের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিল। গৃহকর্তা নুরুল হায়দারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমরা জানতে পেরেছি ঘটনার সময় নুরুল হায়দার বা তার স্ত্রী কেউই বাড়িতে ছিলেন না। শুধু তাদের এক প্রতিবন্ধী মেয়ে আর ওই কিশোরী ঘরে ছিল। পরে তারা ঘরে এসে দরজা খুলে দেখেন গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছে।