ঢাকা ১১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল দারাজ Logo বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী Logo বাগেরহাটে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে সনাকের মানববন্ধন ও ১১ দফা সুপারিশ পেশ Logo বিদ্যালয়ে প্রেম নিবেদন, থানায় ৩ কিশোর, বহিষ্কার ২ ছাত্রী Logo বেনজীরকে ফেরাতে দুদকের ৬ মামলার নথি যাচ্ছে দুবাই Logo ফুলবাড়িয়ায় মলঙ্গী খাল পুনঃখননে নতুন প্রাণ ফিরছে রাধাকানাইয়ের কৃষি ও জনজীবনে: Logo ইরান চুক্তির পর হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হবে শুক্রবার: ট্রাম্প Logo দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি শেষ মুহূর্তে মিললেও তা প্রত্যাখ্যান করি: জাহেদ উর রহমান Logo আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া ম্যাচে নজরে থাকবেন যারা, মেসি থেকে মাহরেজ পর্যন্ত Logo রাজাপুর বড়ইয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করলেন ছাত্রনেতা নাফিজ

রাজধানীতে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪ ১০৩৭ বার পঠিত

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের তিলপাপাড়ার একটি বাসা থেকে শাহিদা (১৪) নামে এক গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৬ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, ওই কিশোরী মো. নুরুল হায়দারের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিল। গৃহকর্তা নুরুল হায়দারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমরা জানতে পেরেছি ঘটনার সময় নুরুল হায়দার বা তার স্ত্রী কেউই বাড়িতে ছিলেন না। শুধু তাদের এক প্রতিবন্ধী মেয়ে আর ওই কিশোরী ঘরে ছিল। পরে তারা ঘরে এসে দরজা খুলে দেখেন গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছে।

ট্যাগস :

রাজধানীতে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৪:০৪:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪

বাংলাদেশ কন্ঠ ।।

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের তিলপাপাড়ার একটি বাসা থেকে শাহিদা (১৪) নামে এক গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৬ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, ওই কিশোরী মো. নুরুল হায়দারের বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিল। গৃহকর্তা নুরুল হায়দারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমরা জানতে পেরেছি ঘটনার সময় নুরুল হায়দার বা তার স্ত্রী কেউই বাড়িতে ছিলেন না। শুধু তাদের এক প্রতিবন্ধী মেয়ে আর ওই কিশোরী ঘরে ছিল। পরে তারা ঘরে এসে দরজা খুলে দেখেন গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে আছে।