ঢাকা ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo একটি কোম্পানির মাধ্যমে সকল রুটে গণপরিবহন পরিচালনা করা হবে : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী Logo বটতলায় জমজমাট ফাইনাল: চ্যাম্পিয়ান ভাতকাঠি একতা ফাউন্ডেশন। Logo সুন্দরগঞ্জে কৃষকদের মাঝে বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ Logo অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল শিশুর Logo জনগণের ভালোবাসা বড় শক্তি, নিরাপত্তা কড়াকড়ি যেন দূরত্ব তৈরি না করে: প্রধানমন্ত্রী Logo রাজাপুর সদর ইউনিয়নে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করলেন ছাত্রনেতা নাফিজ Logo বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল দারাজ Logo বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী Logo বাগেরহাটে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে সনাকের মানববন্ধন ও ১১ দফা সুপারিশ পেশ Logo বিদ্যালয়ে প্রেম নিবেদন, থানায় ৩ কিশোর, বহিষ্কার ২ ছাত্রী

জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার নিশ্চিত করেছে আ.লীগ:প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:১৩:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২৭১ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাংলাদেশের মানুষ ভোট ও ভাতের অধিকার ফিরে পেয়েছে।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) শহীদ ছাত্রনেতা সেলিম ও দেলোয়ারের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বানীতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে সেলিম, দেলোয়ারসহ যারা প্রাণ উৎসর্গ করেছেন তাদের রক্তের ঋণ কখনো শোধ হবার নয়।

তিনি বলেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও বহু তাজা প্রাণের বিনিময়ে অবশেষে স্বৈরশাসকের পতন ঘটে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়। আবারো আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই বাংলাদেশের মানুষ ভোট ও ভাতের অধিকার ফিরে পেয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির জন্য নিজের জীবনকে বিপন্ন করে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। স্বাধীনতা অর্জনের পর শূন্য হাতে তিনি একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন, যখন ব্যাংকে কোনো রিজার্ভ মানি ছিল না এবং কোনো কারেন্সি নোট ছিল না।

তিনি বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকবাহিনী ২৭৮টি রেলসেতু ও ২৭০টি সড়ক সেতু ধ্বংস করে, দুটি সমুদ্র বন্দরে মাইন পুঁতে এবং সড়কসহ সব স্থাপনা ধ্বংস করে রাখে। বঙ্গবন্ধুর সাড়ে তিন বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে দেশের অর্থনীতিতে রেকর্ড ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে এবং জাতিসংঘ বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতি হিসেবে এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক যে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আমাদের মহান নেতা বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের প্রায় সকল সদস্যকে পাকিস্তানিদের এদেশীয় দোসরদের হাতে প্রাণ বিসর্জন দিতে হয়েছে। ফলে বাঙালিরা তাদের আত্মমর্যাদা হারিয়েছিল, হারিয়েছিল আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং সেই সঙ্গে তাদের সোনালী ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের সকল সম্ভাবনা।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের লড়াই-সংগ্রাম শুরু করি। দেশে স্বৈরতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেই। বাঙালিরা বাংলা ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছে, স্বাধিকার আন্দোলনে আত্মোৎসর্গ করেছে, ৩০ লাখ শহিদের রক্ত ও ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষা ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে কত তাঁজা প্রাণ ঝরে পড়েছে হিসেব নেই।

তিনি বলেন, ১৯৮৪ সালের এই দিনেও ছাত্রলীগ নেতা এইচ. এম. ইব্রাহিম সেলিম এবং কাজী দেলোয়ার হোসেনের রক্তে ঢাকার রাজপথ রঞ্জিত হয়েছিল। আমি তাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।

জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার নিশ্চিত করেছে আ.লীগ:প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:১৩:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি :

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাংলাদেশের মানুষ ভোট ও ভাতের অধিকার ফিরে পেয়েছে।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) শহীদ ছাত্রনেতা সেলিম ও দেলোয়ারের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বানীতে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে সেলিম, দেলোয়ারসহ যারা প্রাণ উৎসর্গ করেছেন তাদের রক্তের ঋণ কখনো শোধ হবার নয়।

তিনি বলেন, দীর্ঘ সংগ্রাম ও বহু তাজা প্রাণের বিনিময়ে অবশেষে স্বৈরশাসকের পতন ঘটে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়। আবারো আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই বাংলাদেশের মানুষ ভোট ও ভাতের অধিকার ফিরে পেয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির জন্য নিজের জীবনকে বিপন্ন করে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। স্বাধীনতা অর্জনের পর শূন্য হাতে তিনি একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন, যখন ব্যাংকে কোনো রিজার্ভ মানি ছিল না এবং কোনো কারেন্সি নোট ছিল না।

তিনি বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকবাহিনী ২৭৮টি রেলসেতু ও ২৭০টি সড়ক সেতু ধ্বংস করে, দুটি সমুদ্র বন্দরে মাইন পুঁতে এবং সড়কসহ সব স্থাপনা ধ্বংস করে রাখে। বঙ্গবন্ধুর সাড়ে তিন বছরের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে দেশের অর্থনীতিতে রেকর্ড ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে এবং জাতিসংঘ বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতি হিসেবে এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক যে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আমাদের মহান নেতা বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের প্রায় সকল সদস্যকে পাকিস্তানিদের এদেশীয় দোসরদের হাতে প্রাণ বিসর্জন দিতে হয়েছে। ফলে বাঙালিরা তাদের আত্মমর্যাদা হারিয়েছিল, হারিয়েছিল আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং সেই সঙ্গে তাদের সোনালী ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের সকল সম্ভাবনা।

শেখ হাসিনা বলেন, আমি ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের লড়াই-সংগ্রাম শুরু করি। দেশে স্বৈরতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেই। বাঙালিরা বাংলা ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছে, স্বাধিকার আন্দোলনে আত্মোৎসর্গ করেছে, ৩০ লাখ শহিদের রক্ত ও ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষা ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে কত তাঁজা প্রাণ ঝরে পড়েছে হিসেব নেই।

তিনি বলেন, ১৯৮৪ সালের এই দিনেও ছাত্রলীগ নেতা এইচ. এম. ইব্রাহিম সেলিম এবং কাজী দেলোয়ার হোসেনের রক্তে ঢাকার রাজপথ রঞ্জিত হয়েছিল। আমি তাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।