ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের DFO আমিনুলের বিরুদ্ধে ১৬ দফা অনিয়মের অভিযোগ, অপসারণসহ পাঁচ দফা দাবি Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী

শীতে জীবাণুবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি দ্বিগুণ!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:২৫:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩ ৪২১ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

শীতকালে শীত অনুভূত হয় কারণ জলবায়ুর তাপমাত্রা শরীরের তাপমাত্রার চেয়ে কম থাকে। শীতকালে শৈত্যপ্রবাহের কারণে সূর্যের তাপও কম থাকে। আর এর কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমতে শুরু করে। ফলে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক ইত্যাদি রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

শীতকালে বিভিন্ন ধরনের জীবাণুবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি দ্বিগুণ হয়ে যায়। বিশেষ করে এ সময় কমবেশি সবাই শারীরিক সমস্যা, চর্মরোগসহ ফুসফুস সংক্রান্ত নানা সমস্যায় ভোগেন। সব মিলিয়ে এই সময়ে সুস্থ থাকাটা বেশ চ্যালেঞ্জের।

শীতে যেসব রোগের ঝুঁকি বেশি-

গলা ব্যথা এবং কাশি: শীতে ঘুমের সময় গলা ব্যথা, সর্দি থেকে শ্বাসরোধের মতো সমস্যা দেখা দেয়। গরম বাষ্প গ্রহণ বা গার্গল করা এবং ঠান্ডা এড়ানো প্রায়ই এটি সমাধান করে।

এলার্জি:শীতকালে শুষ্কতার কারণে শরীরের ত্বকও শুষ্ক হয়ে যায়। ফলে অনেক সময় চুলকানি বা ব্যথা অনুভূত হতে পারে। অ্যালার্জি কখনও কখনও তীব্র শ্বাসকষ্ট হতে পারে। ঠান্ডা বা ডাস্ট অ্যালার্জির সমস্যা ছাড়াও শীতের শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বকের আর্দ্রতা হারিয়ে রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যায়।

নাক থেকে রক্তপাত:শীতকালে বাতাস শুষ্ক হয়ে যায়, শিশুরা বারবার নাকে স্পর্শ করে, ঘন ঘন নাক পরিষ্কার করার কারণে সর্দি হয়। নাক দিয়ে রক্ত পড়লে অভিভাবকদের অবশ্যই ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে হবে।

টনসিল:শীতের ঠাণ্ডা বাতাস টনসিলের ক্ষতি করে, ফলে প্রদাহ ও ফোলাভাব, গলা ব্যথা এবং গিলতে অসুবিধা হয়। টনসিল ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাক দ্বারা সংক্রামিত হয়, প্রচণ্ড ব্যথা এবং পুঁজ সৃষ্টি করে। ঠান্ডা খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

মশাবাহিত রোগ:শীতকালে ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া, ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন ভাইরাল জ্বরের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। ঠাণ্ডা লাগার সঙ্গে উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর, বারবার জ্বর, জয়েন্টে ব্যথা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

মলত্যাগে অসুবিধা:হঠাৎ করে ঠান্ডার কারণে শিশুদের, অনেক সময় বড়দেরও পাতলা পায়খানা হতে দেখা যায়। বিশেষ করে যখন বেশি ঠান্ডা পড়ে, তখন বয়স্কদেরও পাতলা পায়খানা হতে পারে। এই সমস্যা এড়াতে বাইরের খাবার একেবারে খাওয়া উচিত না।

সাইনোসাইটিস:সাইনোসাইটিসের কারণে সাইনাস গ্রন্থিতে শ্লেষ্মা জমে শ্বাসনালী বন্ধ হয়ে যায়। ফলে শ্বাসযন্ত্রের স্বাভাবিক কাজকর্ম বাধাগ্রস্ত হয়। সাইনোসাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি নাক বন্ধ, মাথাব্যথা, চোখে ব্যথা, মুখ ফুলে যাওয়া, শ্বাস নিতে অসুবিধা, গলার স্বর পরিবর্তনে ভুগে থাকেন।

নিউরোসিস:শীতকালে হাত-পা ঠান্ডা হলে রক্ত চলাচল কমে যায়। স্নায়ু ঝুঁকিতে রয়েছে। এছাড়া রক্তশূন্যতা রোগী ও বৃদ্ধরাও শীতে নার্ভের জটিলতায় ভোগেন। অতিরিক্ত ঠান্ডায় স্নায়ু ছাড়াও পেশী ও হাড়ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে স্নায়ু, হাড় ও পেশীর বিভিন্ন রোগ হয়।

শীতে জীবাণুবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি দ্বিগুণ!

আপডেট সময় : ০৭:২৫:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:

শীতকালে শীত অনুভূত হয় কারণ জলবায়ুর তাপমাত্রা শরীরের তাপমাত্রার চেয়ে কম থাকে। শীতকালে শৈত্যপ্রবাহের কারণে সূর্যের তাপও কম থাকে। আর এর কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমতে শুরু করে। ফলে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক ইত্যাদি রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

শীতকালে বিভিন্ন ধরনের জীবাণুবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি দ্বিগুণ হয়ে যায়। বিশেষ করে এ সময় কমবেশি সবাই শারীরিক সমস্যা, চর্মরোগসহ ফুসফুস সংক্রান্ত নানা সমস্যায় ভোগেন। সব মিলিয়ে এই সময়ে সুস্থ থাকাটা বেশ চ্যালেঞ্জের।

শীতে যেসব রোগের ঝুঁকি বেশি-

গলা ব্যথা এবং কাশি: শীতে ঘুমের সময় গলা ব্যথা, সর্দি থেকে শ্বাসরোধের মতো সমস্যা দেখা দেয়। গরম বাষ্প গ্রহণ বা গার্গল করা এবং ঠান্ডা এড়ানো প্রায়ই এটি সমাধান করে।

এলার্জি:শীতকালে শুষ্কতার কারণে শরীরের ত্বকও শুষ্ক হয়ে যায়। ফলে অনেক সময় চুলকানি বা ব্যথা অনুভূত হতে পারে। অ্যালার্জি কখনও কখনও তীব্র শ্বাসকষ্ট হতে পারে। ঠান্ডা বা ডাস্ট অ্যালার্জির সমস্যা ছাড়াও শীতের শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বকের আর্দ্রতা হারিয়ে রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যায়।

নাক থেকে রক্তপাত:শীতকালে বাতাস শুষ্ক হয়ে যায়, শিশুরা বারবার নাকে স্পর্শ করে, ঘন ঘন নাক পরিষ্কার করার কারণে সর্দি হয়। নাক দিয়ে রক্ত পড়লে অভিভাবকদের অবশ্যই ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে হবে।

টনসিল:শীতের ঠাণ্ডা বাতাস টনসিলের ক্ষতি করে, ফলে প্রদাহ ও ফোলাভাব, গলা ব্যথা এবং গিলতে অসুবিধা হয়। টনসিল ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাক দ্বারা সংক্রামিত হয়, প্রচণ্ড ব্যথা এবং পুঁজ সৃষ্টি করে। ঠান্ডা খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

মশাবাহিত রোগ:শীতকালে ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া, ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন ভাইরাল জ্বরের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। ঠাণ্ডা লাগার সঙ্গে উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর, বারবার জ্বর, জয়েন্টে ব্যথা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

মলত্যাগে অসুবিধা:হঠাৎ করে ঠান্ডার কারণে শিশুদের, অনেক সময় বড়দেরও পাতলা পায়খানা হতে দেখা যায়। বিশেষ করে যখন বেশি ঠান্ডা পড়ে, তখন বয়স্কদেরও পাতলা পায়খানা হতে পারে। এই সমস্যা এড়াতে বাইরের খাবার একেবারে খাওয়া উচিত না।

সাইনোসাইটিস:সাইনোসাইটিসের কারণে সাইনাস গ্রন্থিতে শ্লেষ্মা জমে শ্বাসনালী বন্ধ হয়ে যায়। ফলে শ্বাসযন্ত্রের স্বাভাবিক কাজকর্ম বাধাগ্রস্ত হয়। সাইনোসাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি নাক বন্ধ, মাথাব্যথা, চোখে ব্যথা, মুখ ফুলে যাওয়া, শ্বাস নিতে অসুবিধা, গলার স্বর পরিবর্তনে ভুগে থাকেন।

নিউরোসিস:শীতকালে হাত-পা ঠান্ডা হলে রক্ত চলাচল কমে যায়। স্নায়ু ঝুঁকিতে রয়েছে। এছাড়া রক্তশূন্যতা রোগী ও বৃদ্ধরাও শীতে নার্ভের জটিলতায় ভোগেন। অতিরিক্ত ঠান্ডায় স্নায়ু ছাড়াও পেশী ও হাড়ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে স্নায়ু, হাড় ও পেশীর বিভিন্ন রোগ হয়।