ভক্তদের স্মৃতিতে আজও জীবিত হুমায়ুন ফরীদি
- আপডেট সময় : ০৬:২৭:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২৬১ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি :
“পাখি উড়ে যায়, পালক পড়ে রয়”। অভিনয়গুরু হুমায়ুন ফরীদি আজ আমাদের মাঝে না থাকলেও, রয়ে গেছে তার স্মৃতি।
মৃত্যুর পরও এই অভিনেতা তুমুল জনপ্রিয়। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) তার মৃত্যুবার্ষিকী। এই কিংবদন্তি আজকের দিনেই ২০১২ সালে মারা যান।
তিন দশকেরও বেশি সময় মঞ্চ, টেলিভিশন আর চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে রং ছড়িয়েছেন নন্দিত ও বরেণ্য এই অভিনেতা। হুমায়ুন ফরীদির দেহ বিদায় নিলেও তার স্মৃতি এখনও ভক্তদের চোখ অশ্রুসিক্ত করে।
হুমায়ুন ফরীদি ১৯৫২ সালের ২৯ মে ঢাকার নারিন্দায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম এটিএম নুরুল ইসলাম, মাতার নাম বেগম ফরিদা ইসলাম। চার ভাইবোনের মধ্যে ফরিদি ছিলেন দ্বিতীয়।
১৯৮২ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত ‘নীল নকশার সন্ধ্যায়’ ও ‘দূরবীন দিয়ে দেখুন’ নাটকে অভিনয় করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন তিনি। ধারাবাহিক নাটক ‘সংশপ্তক’কে কানকাটা রমজান চরিত্রে অভিনয় করে নিজেকে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যান।
হুমায়ুন ফরীদি অভিনীত নাটকের তালিকার মধ্যে রয়েছে- ‘ভাঙনের শব্দ শুনি’, ‘বকুলপুর কতদূর’, ‘দুই ভুবনের দুই বাসিন্দা’, ‘এক লাল শাড়ি’, ‘মহুয়ার মন’, ‘সাত আসমানের সিঁড়ি’, ‘একদিন হঠাৎ’, ‘অযাত্রা’, ‘পাথর সময়’, ‘দুই ভাই’, ‘শীতের পাখি’, ‘কোথাও কেউ নেই’, ‘তিনি একজন’, ‘চন্দ্রগ্রস্ত’, ‘কাছের মানুষ’, ‘মোহনা’, ‘শৃঙ্খল’, ‘প্রিয়জন নিবাস’। তার পরিচালিত সর্বশেষ নাটক ‘তখন হেমন্ত’ এবং অভিনীত ‘পূর্ণ চাঁদের অপূর্ণতায়’।
হুমায়ুন ফরীদির বড় পর্দায় অভিষেক তানভীর মোকাম্মেলের হুলিয়া সিনেমার মাধ্যমে। নব্বইয়ের দশকে তিনি শহিদুল ইসলাম খোকনের বাণিজ্যিক চলচ্চিত্র পরিচালক শহিদুল ইসলাম খোকনের ‘সন্ত্রাস’, ‘দিনমজুর’, ‘বীরপুরুষ’ এবং ‘লড়াকু’ চলচ্চিত্রে নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করেন। এরপর দেশীয় চলচ্চিত্রে খলনায়ক হিসেবে প্রশংসিত হন তিনি।
হুমায়ুন ফরীদি ২০০৪ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। প্রকৃতিতে তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে তাকে পুরস্কৃত করে।

















