ঢাকা ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহাসড়কে আন্ডারপাস নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন Logo বিশ্বের প্রথম কেইজ ফ্রেম ডিজাইন করা স্মার্টফোন নিয়ে বাজারে এলো আইটেল পাওয়ার ৮০ Logo মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শায়খ ইবরাহিম মারা গেছেন Logo প্রিয় অভিনেত্রীকে দেখতে ভিড়, হুড়োহুড়িতে গাড়িতে পাথর ছুড়ল ভক্তরা Logo এশিয়ান গেমস: মিয়ানমারের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র, বাংলাদেশের বিদায় Logo আইজিপিসহ পুলিশ পদক পাচ্ছেন ৯২ সদস্য Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কাশবনে হাত-মুখ বাঁধা মরদেহ উদ্ধার Logo নজরুলের চেতনায় আলোকিত প্রজন্ম গড়ার আহ্বান Logo সাতক্ষীরার এমপির সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর মূল হোতা শ্যালক ওবায়দুর: মরিয়মের বাবা Logo বাংলাদেশ আর্চারী ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজিম উদ্দিন

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১২:২১:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬ ১৯৫ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। বুধবার।। ২১.০১.২০২৬

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহর ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে হাজার হাজার শ্রমিক, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ নাগরিক বিক্ষোভে অংশ নেন। প্রতিবাদকারীরা ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির তীব্র সমালোচনা করেন, বিশেষ করে সম্প্রতি মিনিয়াপলিসে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) এজেন্টের হাতে ৩৭ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিক রেনি গুডের হত্যার পর এই বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

বিক্ষোভকারীরা ‘নো আইস, নো কেকেকে, নো ফ্যাসিস্ট ইউএসএ’ স্লোগান দিয়ে রাজপথ প্রকম্পিত করেন। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন অভিযানের নিন্দা জানিয়ে তারা অভিযোগ করেন, এই অভিযানগুলো মানবাধিকারের পরিপন্থী এবং মার্কিন মূল্যবোধের পরিপন্থী।

বিশেষ করে মিনিয়াপলিসে ৭ জানুয়ারি এক অভিবাসন অভিযানের সময় রেনি গুডকে গুলি করে হত্যা করা হয়, যার প্রতিবাদে সারা দেশে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগে অভিবাসন প্রত্যাশীদের বিরুদ্ধে অত্যাচার এবং শোষণ বেড়েই চলেছে।

ওহিও, নর্থ ক্যারোলিনা, নিউ মেক্সিকো, সান ফ্রান্সিসকো, সিয়াটেলসহ অন্যান্য শহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এবং বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়নও এই বিক্ষোভে যোগ দিয়েছে। বিক্ষোভকারীরা আইস সন্ত্রাস বন্ধ করার দাবি জানায় এবং অভিবাসী ডিটেনশন ক্যাম্পগুলোর ভয়াবহ পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

ফেডারেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে মাত্র ছয় সপ্তাহের মধ্যে একাধিক ডিটেনশন ক্যাম্পে অন্তত তিনজন আটক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ আমেরিকান নাগরিক এই অভিযানের বিরুদ্ধে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবশ্য দাবি করেছেন, অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়ন করা তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল, এবং তারা শুধু সেই প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করছেন। তবে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই বিক্ষোভ এই ইঙ্গিত দেয় যে, জনগণের মধ্যে এই নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে।

ট্যাগস :

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ১২:২১:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। বুধবার।। ২১.০১.২০২৬

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহর ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে হাজার হাজার শ্রমিক, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ নাগরিক বিক্ষোভে অংশ নেন। প্রতিবাদকারীরা ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির তীব্র সমালোচনা করেন, বিশেষ করে সম্প্রতি মিনিয়াপলিসে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) এজেন্টের হাতে ৩৭ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিক রেনি গুডের হত্যার পর এই বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

বিক্ষোভকারীরা ‘নো আইস, নো কেকেকে, নো ফ্যাসিস্ট ইউএসএ’ স্লোগান দিয়ে রাজপথ প্রকম্পিত করেন। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন অভিযানের নিন্দা জানিয়ে তারা অভিযোগ করেন, এই অভিযানগুলো মানবাধিকারের পরিপন্থী এবং মার্কিন মূল্যবোধের পরিপন্থী।

বিশেষ করে মিনিয়াপলিসে ৭ জানুয়ারি এক অভিবাসন অভিযানের সময় রেনি গুডকে গুলি করে হত্যা করা হয়, যার প্রতিবাদে সারা দেশে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগে অভিবাসন প্রত্যাশীদের বিরুদ্ধে অত্যাচার এবং শোষণ বেড়েই চলেছে।

ওহিও, নর্থ ক্যারোলিনা, নিউ মেক্সিকো, সান ফ্রান্সিসকো, সিয়াটেলসহ অন্যান্য শহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এবং বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়নও এই বিক্ষোভে যোগ দিয়েছে। বিক্ষোভকারীরা আইস সন্ত্রাস বন্ধ করার দাবি জানায় এবং অভিবাসী ডিটেনশন ক্যাম্পগুলোর ভয়াবহ পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

ফেডারেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে মাত্র ছয় সপ্তাহের মধ্যে একাধিক ডিটেনশন ক্যাম্পে অন্তত তিনজন আটক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ আমেরিকান নাগরিক এই অভিযানের বিরুদ্ধে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অবশ্য দাবি করেছেন, অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়ন করা তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল, এবং তারা শুধু সেই প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করছেন। তবে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই বিক্ষোভ এই ইঙ্গিত দেয় যে, জনগণের মধ্যে এই নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে।