জাতীয় সংসদে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বাজেট পাস
- আপডেট সময় : ০১:৩৫:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জুন ২০২৩ ৩২৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
বিশ্বব্যাপী মহামারীর পরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবেলা করে চলমান উন্নয়ন অব্যাহত রাখা এবং উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বাজেট জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।
‘উন্নয়নের অভিযাত্রার দেড় দশক পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা’ প্রতিপাদ্য নিয়ে গত ১ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। সোমবার(২৬ জুন) জাতীয় সংসদে তিনি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট (নির্দিষ্টকরণ বিল) পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।বিরোধীদের ছাটাই প্রস্তাবগুলো ভোটে নাকচ হয়ে যায়।
বাজেট পাসের প্রক্রিয়ায় মন্ত্রীরা নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের ব্যয়ের যৌক্তিকতা তুলে ধরে সংসদে মোট ৫৯টি মঞ্জুরি দাবি উত্থাপন করেন। এই মঞ্জুরি দাবিগুলি সংসদে কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়।
এই মঞ্জুরি দাবির যৌক্তিকতার সাথে, বিরোধী দল এবং স্বতন্ত্রদের সাথে ১০ জন সংসদ সদস্য মোট ৫০২টি ছাঁটাইয়ের প্রস্তাব করেছিলেন। এর মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আনা ছাঁটাই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেন বিরোধী দলের সদস্যরা। ছাটাইয়ের প্রস্তাবগুলি পরে কণ্ঠভোটে প্রত্যাখ্যান করা হয়।
ছাঁটাই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেন জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম, কাজী ফিরোজ রশীদ, রুস্তম আলী ফরাজী, রওশন আরা মান্নান, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, পীর ফজলুর রহমান, গণফোরামের মোক্কাব্বির খান ও স্বতন্ত্র সদস্য রেজাউল করিম বাবলু।
এরপর সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে নির্দিষ্টকরণ বিল-২০২৩ পাসের মাধ্যমে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন করেন। এর আগে গতকাল ২৫ জুন, সংসদ অর্থ বিল ২০২৩ পাস করে এবং বাজেটের আর্থিক ও কর প্রস্তাব সংক্রান্তবিধি-বিধান অনুমোদন করা হয়।
এদিকে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ২৮১ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা। নতুন অর্থবছরে জিডিপির হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। মোট জিডিপির পরিমাণ ধরা হয়েছে ৫০ লাখ ৬ হাজার ৭৮২ কোটি টাকা।
এবারের বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির ৫ দশমিক ২ শতাংশ। ঘাটতি মেটাতে বিদেশি উৎস থেকে ১ লাখ ২ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা সংগ্রহের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।






















