ঢাকা ০৬:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ২০২৯ সালের জুনে শেষ হবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেন নির্মাণ : সড়ক ও রেলপথ মন্ত্রী৷ Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস গ্যাসের নতুন কুপ খননের উদ্বোধন Logo পপুলার লাইফের খুলনা অঞ্চলের বীমা গ্রাহকের বীমা দাবীর ৩ কোটি ১৭ লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তর Logo রাজাপুরের উত্তমপুর বাজারে পাবলিক টয়লেট নির্মাণের উদ্যোগ দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবের আশায় ব্যবসায়ীরা Logo ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অনারের রোবট ফোন Logo ইরান যুদ্ধে নিহত সেনাদের সংখ্যা গোপন করেছে যুক্তরাষ্ট্র Logo বলিউডে রাজত্ব করেছেন এক যুগ, কিন্তু ভালোবেসেছেন বাংলাকে Logo বিবর্ণ মিরাজ, হেটমায়ারের সেঞ্চুরির পরও গায়ানার বিদায় Logo দুপুরের মধ্যেই প্রকাশ হতে পারে নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন, বেতন নিয়ে যা জানা গেল Logo লংমার্চের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন বিএনপির, নজরও রাখছে

ক্ষমতাসীন বিজেপির হাতছাড়া কর্ণাটক

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৫৫:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ মে ২০২৩ ২৮২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:
ক্ষমতাসীন বিজেপির হাতছাড়া হলো কর্ণাটক। কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসভরাজ বোমাই রাজ্যে বিজেপির পরাজয় মেনে নিয়েছেন। স্থানীয় সময় দুপুর পর্যন্ত, কংগ্রেস রাজ্যের ২২৪টি আসনের মধ্যে ১৩১টিতে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন বিজেপি ৬৫টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। খবর এনডিটিভির।

ভোটের ফলাফল প্রসঙ্গে বোমাই বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপি কর্মীদের চেষ্টা সত্ত্বেও আমরা দাগ কাটতে পারিনি।”আমরা সম্পূর্ণ ফলাফল পর্যালোচনা করব যখন সেগুলি প্রকাশিত হবে।’

শনিবার সকাল ৮টা থেকে কর্ণাটকে বিধানসভা নির্বাচনের গণনা শুরু হয়েছে। গত বুধবার বিধানসভা ভোটে মোট ৭৩.২ শতাংশ ভোট পড়েছে। ২০১৮ সালে, ভোটারদের উপস্থিতি প্রায় একই ছিল।

কর্ণাটক কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খার্গের রাজ্য। তিনি এখানে মাটি কামড়ে পড়েছিলেন। রাহুল গান্ধীও কর্ণাটকে ১২ দিনের সময় দিয়েছেন। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ২৬টি জনসভা ও রোড শো করেছেন। এমনকি সোনিয়া গান্ধীও দীর্ঘদিন পর প্রচার শুরু করেছেন।

সবচেয়ে বড় কথা, কর্ণাটকে কংগ্রেসের রাজ্য নেতারা খুবই শক্তিশালী। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শিবকুমার অত্যন্ত দক্ষ সংগঠক। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার জনপ্রিয় ভিত্তি রয়েছে। ভোটের আগে, বিজেপির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জগদীশ শেট্টার এবং উপমুখ্যমন্ত্রী সাভাড়ি কংগ্রেসে যোগ দিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

অন্যদিকে, বিজেপির প্রচারে সবচেয়ে বড় মুখ ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তিনি এবং অমিত শাহ সবচেয়ে বেশি জনসভা ও রোড শো করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শাসকদের হাত থেকে রাজ্য হারিয়ে গেল।

ক্ষমতাসীন বিজেপির হাতছাড়া কর্ণাটক

আপডেট সময় : ০২:৫৫:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ মে ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:
ক্ষমতাসীন বিজেপির হাতছাড়া হলো কর্ণাটক। কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসভরাজ বোমাই রাজ্যে বিজেপির পরাজয় মেনে নিয়েছেন। স্থানীয় সময় দুপুর পর্যন্ত, কংগ্রেস রাজ্যের ২২৪টি আসনের মধ্যে ১৩১টিতে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন বিজেপি ৬৫টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। খবর এনডিটিভির।

ভোটের ফলাফল প্রসঙ্গে বোমাই বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপি কর্মীদের চেষ্টা সত্ত্বেও আমরা দাগ কাটতে পারিনি।”আমরা সম্পূর্ণ ফলাফল পর্যালোচনা করব যখন সেগুলি প্রকাশিত হবে।’

শনিবার সকাল ৮টা থেকে কর্ণাটকে বিধানসভা নির্বাচনের গণনা শুরু হয়েছে। গত বুধবার বিধানসভা ভোটে মোট ৭৩.২ শতাংশ ভোট পড়েছে। ২০১৮ সালে, ভোটারদের উপস্থিতি প্রায় একই ছিল।

কর্ণাটক কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খার্গের রাজ্য। তিনি এখানে মাটি কামড়ে পড়েছিলেন। রাহুল গান্ধীও কর্ণাটকে ১২ দিনের সময় দিয়েছেন। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ২৬টি জনসভা ও রোড শো করেছেন। এমনকি সোনিয়া গান্ধীও দীর্ঘদিন পর প্রচার শুরু করেছেন।

সবচেয়ে বড় কথা, কর্ণাটকে কংগ্রেসের রাজ্য নেতারা খুবই শক্তিশালী। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শিবকুমার অত্যন্ত দক্ষ সংগঠক। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার জনপ্রিয় ভিত্তি রয়েছে। ভোটের আগে, বিজেপির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জগদীশ শেট্টার এবং উপমুখ্যমন্ত্রী সাভাড়ি কংগ্রেসে যোগ দিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

অন্যদিকে, বিজেপির প্রচারে সবচেয়ে বড় মুখ ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তিনি এবং অমিত শাহ সবচেয়ে বেশি জনসভা ও রোড শো করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শাসকদের হাত থেকে রাজ্য হারিয়ে গেল।