ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কর্মকর্তাকে জিম্মি করে সরকারি কোয়ার্টার থেকে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট Logo ডাবল রেললাইনে যুক্ত হচ্ছে ঢাকা-সিলেট রুট: প্রধানমন্ত্রীর Logo আইজিপির সঙ্গে ইউনেস্কো প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ Logo লেবাননের সাথে যুদ্ধবিরতির কোনো চুক্তি হবেনা : ইসরায়েলি সেনাপ্রধান Logo ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ ও মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা Logo ৬ বিভাগে প্রবল বর্ষণের পূর্বাভাস, পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা Logo ইরান যুদ্ধ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ‘আসল খরচ’ হতে পারে ৪০–৫০ বিলিয়ন ডলার Logo প্রথম ভোটযুদ্ধেই বাজিমাত করলেন থালাপতি বিজয় Logo ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না বর্তমান সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo নাহিদ ইসলাম দুর্নীতিতে জড়িত না হলেও নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ: রাশেদ খাঁন

করাচির গুল প্লাজায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড; মৃত ১৪

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৪:৫১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬ ১৪১ বার পঠিত

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। সোমবার।। ১৯.০১.২০২৬

পাকিস্তানের বৃহত্তম শহর করাচির গুল প্লাজা শপিং মলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন দমকলকর্মী রয়েছেন। এ ঘটনায় এখনো ৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে আগুন লাগার পর তা নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল বাহিনীর সদস্যদের ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগে যায়। সোমবার পর্যন্ত মলের ধ্বংসাবশেষ থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভবনের বেশিরভাগ অংশ ধসে পড়েছে এবং অবশিষ্ট কাঠামো যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে।

প্রায় ৮ হাজার বর্গফুট আয়তনের গুল প্লাজা শপিং মলে প্রায় ১ হাজার ২০০টি দোকান ছিল। করাচি রেসকিউ ১১২২-এর মুখপাত্র হাসান খান জানান, মলের ভেতরে প্লাস্টিক ফোম, কাপড় ও পারফিউমের মতো দাহ্য সামগ্রী থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় জরুরি পরিষেবা সূত্র জানায়, উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই ভবনের বড় অংশ আগুনে পুড়ে যায়। ধ্বংসস্তূপ ও ঘন ধোঁয়ার কারণে উদ্ধার তৎপরতা জটিল হয়ে উঠেছে। বর্তমানে ক্রেনের সাহায্যে ধ্বংসাবশেষ সরানো হচ্ছে। তবে পুরো ভবন ঠাণ্ডা না হওয়া পর্যন্ত ব্যাপক তল্লাশি শুরু করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকারীরা।

নিখোঁজদের মধ্যে অন্তত ২৬ জন যে অগ্নিকাণ্ডের সময় ভবনের ভেতরে ছিলেন, তা তাদের মোবাইল ফোনের লোকেশন থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এক দোকান মালিক বলেন,
“চোখের সামনে আমার দোকান পুড়ে গেল। তখন অনেক মানুষ ভেতরে ছিল, কিন্তু এখনো অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।”

এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আগুন লাগার পর দোকান মালিকরা ফায়ার এক্সটিংগুইশার ব্যবহার করে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেছিলেন। তবে আগুনের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি। তিনি সিন্ধু প্রাদেশিক সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন, প্রদেশজুড়ে সব বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবনের অগ্নি নিরাপত্তা ও কাঠামোগত ব্যবস্থা পুনঃমূল্যায়ন করার জন্য।

ট্যাগস :

করাচির গুল প্লাজায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড; মৃত ১৪

আপডেট সময় : ০৪:৫১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ কণ্ঠ।। সোমবার।। ১৯.০১.২০২৬

পাকিস্তানের বৃহত্তম শহর করাচির গুল প্লাজা শপিং মলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন দমকলকর্মী রয়েছেন। এ ঘটনায় এখনো ৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাতে আগুন লাগার পর তা নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল বাহিনীর সদস্যদের ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগে যায়। সোমবার পর্যন্ত মলের ধ্বংসাবশেষ থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভবনের বেশিরভাগ অংশ ধসে পড়েছে এবং অবশিষ্ট কাঠামো যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে।

প্রায় ৮ হাজার বর্গফুট আয়তনের গুল প্লাজা শপিং মলে প্রায় ১ হাজার ২০০টি দোকান ছিল। করাচি রেসকিউ ১১২২-এর মুখপাত্র হাসান খান জানান, মলের ভেতরে প্লাস্টিক ফোম, কাপড় ও পারফিউমের মতো দাহ্য সামগ্রী থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় জরুরি পরিষেবা সূত্র জানায়, উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই ভবনের বড় অংশ আগুনে পুড়ে যায়। ধ্বংসস্তূপ ও ঘন ধোঁয়ার কারণে উদ্ধার তৎপরতা জটিল হয়ে উঠেছে। বর্তমানে ক্রেনের সাহায্যে ধ্বংসাবশেষ সরানো হচ্ছে। তবে পুরো ভবন ঠাণ্ডা না হওয়া পর্যন্ত ব্যাপক তল্লাশি শুরু করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকারীরা।

নিখোঁজদের মধ্যে অন্তত ২৬ জন যে অগ্নিকাণ্ডের সময় ভবনের ভেতরে ছিলেন, তা তাদের মোবাইল ফোনের লোকেশন থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এক দোকান মালিক বলেন,
“চোখের সামনে আমার দোকান পুড়ে গেল। তখন অনেক মানুষ ভেতরে ছিল, কিন্তু এখনো অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।”

এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আগুন লাগার পর দোকান মালিকরা ফায়ার এক্সটিংগুইশার ব্যবহার করে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেছিলেন। তবে আগুনের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি। তিনি সিন্ধু প্রাদেশিক সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন, প্রদেশজুড়ে সব বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবনের অগ্নি নিরাপত্তা ও কাঠামোগত ব্যবস্থা পুনঃমূল্যায়ন করার জন্য।