ঢাকা ০৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী Logo মিশিগানে ইতিহাস গড়ে প্রথম মুসলিম সিনেটর আবদুল আল–সাইদ

আবারো সুপারমুনের দেখা মিলবে প্রায় বছর খানেক পরে!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৭:২০:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০২৩ ৩৬১ বার পঠিত

তথ্য ডেস্ক:

গত বৃহস্পতি এবং শুক্রবার রাতে পৃথিবীর আকাশ থেকে দেখা গিয়েছে সুপারমুন। নাম হার্ভেস্ট মুন। সুপার এ চাঁদ গোল থালার মতো জ্বলজ্বলে। পৃথিবী থেকেও সবচেয়ে উজ্জ্বল দেখায় এ চাঁদ। বছরের সেরা পূর্ণিমাগুলোর মধ্যে এটিও একটি। ২০২৩ সালের শেষ সুপারমুন এটি।

কিন্তু কেন চাঁদের এই নাম? আসলে যেদিন পূর্ণিমার চাঁদকে সাধারণ আকারের থেকে বড় দেখায় সেদিনের চাঁদকে সুপার মুন নামে ডাকা হয়।

কেন দেখা যায় এমন বড় চাঁদ? আসলে সংশ্লিষ্ট দিনে চাঁদ অন্যান্য দিনের থেকেও বড় আকারে দেখা যায়। দূরত্ব কমতে কমতে পৃথিবীর খুব কাছে চলে আসে চাঁদ। বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে বলা হয় পেরিজি। পূর্ণিমার দিনে গোল থালার মতো চাঁদ দেখা যায় আকাশে। অন্যান্য দিনের তুলনায় এই দিনে চাঁদের ঔজ্জ্বল্য থাকে অনেক বেশি। তবে সুপার মুনের ক্ষেত্রে চাঁদ আরও বেশি উজ্জ্বল থাকে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার জানায়, ২৮ সেপ্টেম্বর সূর্যাস্তের পর সুপারমুন শুরু হয়। আকাশে যে চাঁদ উঠেছে তা স্বাভাবিকের চেয়ে বড় এবং অনেক বেশি উজ্জ্বল ছিল। পৃথিবীবাসীকে এই চাঁদ আবার দেখতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে।

২৮ সেপ্টেম্বর সূর্যাস্ত থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চাঁদের ‘সুপার’ রূপ দেখা গেছে। বিজ্ঞানী ও মহাকাশ গবেষকরা বলছেন, এ বছর কোনো সুপারমুন হবে না। আগামী বছরের শুরুর দিকেও সেই সম্ভাবনা নেই।

খবরে আরও জানানো হয়েছে যে ‘সুপার’ চাঁদ আবার দেখা যাবে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে। ১৮ সেপ্টেম্বর একটি সুপারমুন হবে। সে বছর মোট দুটি সুপারমুন দেখা যাবে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরে চাঁদের বিরল অবস্থান মোট চার বার দেখা গিয়েছে। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে সুপারমুন চার বার দেখা গেল। এর আগে শেষ সুপারমুন হয়েছিল গত ৩১ আগস্ট যেটি ছিল ব্লু সুপারমুন।

 

আবারো সুপারমুনের দেখা মিলবে প্রায় বছর খানেক পরে!

আপডেট সময় : ০৭:২০:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০২৩

তথ্য ডেস্ক:

গত বৃহস্পতি এবং শুক্রবার রাতে পৃথিবীর আকাশ থেকে দেখা গিয়েছে সুপারমুন। নাম হার্ভেস্ট মুন। সুপার এ চাঁদ গোল থালার মতো জ্বলজ্বলে। পৃথিবী থেকেও সবচেয়ে উজ্জ্বল দেখায় এ চাঁদ। বছরের সেরা পূর্ণিমাগুলোর মধ্যে এটিও একটি। ২০২৩ সালের শেষ সুপারমুন এটি।

কিন্তু কেন চাঁদের এই নাম? আসলে যেদিন পূর্ণিমার চাঁদকে সাধারণ আকারের থেকে বড় দেখায় সেদিনের চাঁদকে সুপার মুন নামে ডাকা হয়।

কেন দেখা যায় এমন বড় চাঁদ? আসলে সংশ্লিষ্ট দিনে চাঁদ অন্যান্য দিনের থেকেও বড় আকারে দেখা যায়। দূরত্ব কমতে কমতে পৃথিবীর খুব কাছে চলে আসে চাঁদ। বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে বলা হয় পেরিজি। পূর্ণিমার দিনে গোল থালার মতো চাঁদ দেখা যায় আকাশে। অন্যান্য দিনের তুলনায় এই দিনে চাঁদের ঔজ্জ্বল্য থাকে অনেক বেশি। তবে সুপার মুনের ক্ষেত্রে চাঁদ আরও বেশি উজ্জ্বল থাকে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার জানায়, ২৮ সেপ্টেম্বর সূর্যাস্তের পর সুপারমুন শুরু হয়। আকাশে যে চাঁদ উঠেছে তা স্বাভাবিকের চেয়ে বড় এবং অনেক বেশি উজ্জ্বল ছিল। পৃথিবীবাসীকে এই চাঁদ আবার দেখতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে।

২৮ সেপ্টেম্বর সূর্যাস্ত থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চাঁদের ‘সুপার’ রূপ দেখা গেছে। বিজ্ঞানী ও মহাকাশ গবেষকরা বলছেন, এ বছর কোনো সুপারমুন হবে না। আগামী বছরের শুরুর দিকেও সেই সম্ভাবনা নেই।

খবরে আরও জানানো হয়েছে যে ‘সুপার’ চাঁদ আবার দেখা যাবে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে। ১৮ সেপ্টেম্বর একটি সুপারমুন হবে। সে বছর মোট দুটি সুপারমুন দেখা যাবে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরে চাঁদের বিরল অবস্থান মোট চার বার দেখা গিয়েছে। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে সুপারমুন চার বার দেখা গেল। এর আগে শেষ সুপারমুন হয়েছিল গত ৩১ আগস্ট যেটি ছিল ব্লু সুপারমুন।