তথ্য ডেস্ক:
গত বৃহস্পতি এবং শুক্রবার রাতে পৃথিবীর আকাশ থেকে দেখা গিয়েছে সুপারমুন। নাম হার্ভেস্ট মুন। সুপার এ চাঁদ গোল থালার মতো জ্বলজ্বলে। পৃথিবী থেকেও সবচেয়ে উজ্জ্বল দেখায় এ চাঁদ। বছরের সেরা পূর্ণিমাগুলোর মধ্যে এটিও একটি। ২০২৩ সালের শেষ সুপারমুন এটি।
কিন্তু কেন চাঁদের এই নাম? আসলে যেদিন পূর্ণিমার চাঁদকে সাধারণ আকারের থেকে বড় দেখায় সেদিনের চাঁদকে সুপার মুন নামে ডাকা হয়।
কেন দেখা যায় এমন বড় চাঁদ? আসলে সংশ্লিষ্ট দিনে চাঁদ অন্যান্য দিনের থেকেও বড় আকারে দেখা যায়। দূরত্ব কমতে কমতে পৃথিবীর খুব কাছে চলে আসে চাঁদ। বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে বলা হয় পেরিজি। পূর্ণিমার দিনে গোল থালার মতো চাঁদ দেখা যায় আকাশে। অন্যান্য দিনের তুলনায় এই দিনে চাঁদের ঔজ্জ্বল্য থাকে অনেক বেশি। তবে সুপার মুনের ক্ষেত্রে চাঁদ আরও বেশি উজ্জ্বল থাকে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার জানায়, ২৮ সেপ্টেম্বর সূর্যাস্তের পর সুপারমুন শুরু হয়। আকাশে যে চাঁদ উঠেছে তা স্বাভাবিকের চেয়ে বড় এবং অনেক বেশি উজ্জ্বল ছিল। পৃথিবীবাসীকে এই চাঁদ আবার দেখতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে।
২৮ সেপ্টেম্বর সূর্যাস্ত থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চাঁদের 'সুপার' রূপ দেখা গেছে। বিজ্ঞানী ও মহাকাশ গবেষকরা বলছেন, এ বছর কোনো সুপারমুন হবে না। আগামী বছরের শুরুর দিকেও সেই সম্ভাবনা নেই।
খবরে আরও জানানো হয়েছে যে 'সুপার' চাঁদ আবার দেখা যাবে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে। ১৮ সেপ্টেম্বর একটি সুপারমুন হবে। সে বছর মোট দুটি সুপারমুন দেখা যাবে।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরে চাঁদের বিরল অবস্থান মোট চার বার দেখা গিয়েছে। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে সুপারমুন চার বার দেখা গেল। এর আগে শেষ সুপারমুন হয়েছিল গত ৩১ আগস্ট যেটি ছিল ব্লু সুপারমুন।