ঢাকা ০৬:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের DFO আমিনুলের বিরুদ্ধে ১৬ দফা অনিয়মের অভিযোগ, অপসারণসহ পাঁচ দফা দাবি Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী

অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপে দৃষ্টিশক্তিও হারাতে পারেন!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ ২৯০ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

উচ্চ রক্তচাপ শুধু হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায় না, রক্তনালীরও ক্ষতি করে। এর ফলে চোখের গুরুতর সমস্যা হতে পারে। এর প্রভাবগুলি সাবকঞ্জাক্টিভাল হেমোরেজ থেকে রেটিনা শিরা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং দৃষ্টিশক্তি নষ্ট করার মতো সমস্যাও হতে পারে।

এতে করে মানুষ দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারে। হাইপারটেনশন থেকে হতে পারে হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি। দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ রেটিনায় রক্ত পরিবহনকারী রক্তবাহিকাগুলোর ক্ষতি করতে পারে। সমস্যা তৈরি হতে পারে চোখের পেছনের স্পর্শকাতর পর্দায়। পরিবর্তন ঘটাতে পারে। রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ফ্লুইড বেরিয়ে আসে।
এর ফলে রেটিনার টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কখনও কখনও অল্প অল্প করে রক্তপাতও হতে পারে। এর ফলে দৃষ্টি ঝাপসা হতে পারে।

১. রেটিনাল শিরা এবং ধমনী ব্লকেজ– এই সমস্যাটি রেটিনাল স্ট্রোকের কারণ।

২. ইস্কেমিক অপটিক নিউরোপ্যাথি– এই অবস্থায় চোখের সাথে মস্তিষ্কের সংযোগকারী স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উচ্চ রক্তচাপ এই স্নায়ুতে রক্ত প্রবাহ কমাতে পারে, যার ফলে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পায়।

৩. উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ডায়াবেটিক আই ডিজিজ হতে পারে।

৪. সাবকনজাংটিভাল হেমোরেজ– রক্তচাপের হঠাৎ পরিবর্তনের ফলে চোখের সাদা অংশের সূক্ষ্ম রক্তনালী ফেটে যেতে পারে এবং আশেপাশের এলাকায় রক্তপাত হতে পারে।

এটি চোখের টকটকে লালভাব সৃষ্টি করে, যা খুবই উদ্বেগজনক। তবে এই সমস্যা তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিকারক এবং নিজে থেকেই সেরে যায়। সামান্য ঔষধ বা কোনো চিকিৎসা ছাড়াই ২-৪ সপ্তাহের মধ্যে লালভাব চলে যায়।

৫. উচ্চ রক্তচাপ দ্রুত গ্লুকোমা সৃষ্টি করে। বার্ধক্যে গ্লুকোমা ও চোখের রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় হাইপারটেনশন।

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাটি এখন আর শুধু বয়স্কদের অসুখ নয়। বর্তমান ট্রেন্ড কিন্তু ভয়ংকর দিকে গড়াচ্ছে। ২০-২৫ বছর বয়সেই এই সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই।

আসলে ক্রমাগত চাপ ও মানসিক চাপের কারণে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বাড়ছে। চিকিৎসকরা বলছেন যে যাদের উচ্চ রক্তচাপের পারিবারিক ইতিহাস রয়েছে তাদের ২০ বছর বয়সের পরে বিপি পর্যবেক্ষণ শুরু করা উচিত।

অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপে দৃষ্টিশক্তিও হারাতে পারেন!

আপডেট সময় : ০২:৩৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি:

উচ্চ রক্তচাপ শুধু হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায় না, রক্তনালীরও ক্ষতি করে। এর ফলে চোখের গুরুতর সমস্যা হতে পারে। এর প্রভাবগুলি সাবকঞ্জাক্টিভাল হেমোরেজ থেকে রেটিনা শিরা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং দৃষ্টিশক্তি নষ্ট করার মতো সমস্যাও হতে পারে।

এতে করে মানুষ দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারে। হাইপারটেনশন থেকে হতে পারে হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি। দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ রেটিনায় রক্ত পরিবহনকারী রক্তবাহিকাগুলোর ক্ষতি করতে পারে। সমস্যা তৈরি হতে পারে চোখের পেছনের স্পর্শকাতর পর্দায়। পরিবর্তন ঘটাতে পারে। রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ফ্লুইড বেরিয়ে আসে।
এর ফলে রেটিনার টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কখনও কখনও অল্প অল্প করে রক্তপাতও হতে পারে। এর ফলে দৃষ্টি ঝাপসা হতে পারে।

১. রেটিনাল শিরা এবং ধমনী ব্লকেজ– এই সমস্যাটি রেটিনাল স্ট্রোকের কারণ।

২. ইস্কেমিক অপটিক নিউরোপ্যাথি– এই অবস্থায় চোখের সাথে মস্তিষ্কের সংযোগকারী স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উচ্চ রক্তচাপ এই স্নায়ুতে রক্ত প্রবাহ কমাতে পারে, যার ফলে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পায়।

৩. উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ডায়াবেটিক আই ডিজিজ হতে পারে।

৪. সাবকনজাংটিভাল হেমোরেজ– রক্তচাপের হঠাৎ পরিবর্তনের ফলে চোখের সাদা অংশের সূক্ষ্ম রক্তনালী ফেটে যেতে পারে এবং আশেপাশের এলাকায় রক্তপাত হতে পারে।

এটি চোখের টকটকে লালভাব সৃষ্টি করে, যা খুবই উদ্বেগজনক। তবে এই সমস্যা তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিকারক এবং নিজে থেকেই সেরে যায়। সামান্য ঔষধ বা কোনো চিকিৎসা ছাড়াই ২-৪ সপ্তাহের মধ্যে লালভাব চলে যায়।

৫. উচ্চ রক্তচাপ দ্রুত গ্লুকোমা সৃষ্টি করে। বার্ধক্যে গ্লুকোমা ও চোখের রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় হাইপারটেনশন।

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাটি এখন আর শুধু বয়স্কদের অসুখ নয়। বর্তমান ট্রেন্ড কিন্তু ভয়ংকর দিকে গড়াচ্ছে। ২০-২৫ বছর বয়সেই এই সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই।

আসলে ক্রমাগত চাপ ও মানসিক চাপের কারণে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বাড়ছে। চিকিৎসকরা বলছেন যে যাদের উচ্চ রক্তচাপের পারিবারিক ইতিহাস রয়েছে তাদের ২০ বছর বয়সের পরে বিপি পর্যবেক্ষণ শুরু করা উচিত।