ঢাকা ১১:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশ আর্চারী ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজিম উদ্দিন Logo হুয়াওয়ে কানেক্ট ২০২৬: বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন, সংযুক্ত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভবিষ্যৎ গঠনে হুয়াওয়ের প্রতিশ্রুতি Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বসত বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি Logo দেশের প্রথম কমিউনিটি ভিত্তিক এগ্রো রিসোর্টের নকশা উন্মোচন করল সুখের খামার Logo শতাব্দীর পুরনো পৈত্রিক ভিটা দখলের পাঁয়তারা, নীরব প্রশাসন: নেত্রকোণায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের মানববন্ধন Logo ইরানের শর্ত না মানা পর্যন্ত হরমুজ বন্ধ থাকবে: গালিবাফ Logo টানা কয়েকটি সিনেমায় ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয়, যা ঘটেছিল রাধিকা আপ্তের সঙ্গে Logo এশিয়ান গেমস নারী ক্রিকেট • লড়াইটাও করতে পারেনি বাংলাদেশ, ১১৪ রানে জিতে ফাইনালে ভারত Logo দেশীয় শিল্প সুরক্ষা ও প্রতিযোগিতা বাড়াতে সরকারি ক্রয় আইনে সংশোধন Logo অপ্রতিম হত্যায় ৪ জন গ্রেফতার, অপরাধ স্বীকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপে দৃষ্টিশক্তিও হারাতে পারেন!

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ ২৬৯ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি:

উচ্চ রক্তচাপ শুধু হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায় না, রক্তনালীরও ক্ষতি করে। এর ফলে চোখের গুরুতর সমস্যা হতে পারে। এর প্রভাবগুলি সাবকঞ্জাক্টিভাল হেমোরেজ থেকে রেটিনা শিরা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং দৃষ্টিশক্তি নষ্ট করার মতো সমস্যাও হতে পারে।

এতে করে মানুষ দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারে। হাইপারটেনশন থেকে হতে পারে হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি। দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ রেটিনায় রক্ত পরিবহনকারী রক্তবাহিকাগুলোর ক্ষতি করতে পারে। সমস্যা তৈরি হতে পারে চোখের পেছনের স্পর্শকাতর পর্দায়। পরিবর্তন ঘটাতে পারে। রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ফ্লুইড বেরিয়ে আসে।
এর ফলে রেটিনার টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কখনও কখনও অল্প অল্প করে রক্তপাতও হতে পারে। এর ফলে দৃষ্টি ঝাপসা হতে পারে।

১. রেটিনাল শিরা এবং ধমনী ব্লকেজ– এই সমস্যাটি রেটিনাল স্ট্রোকের কারণ।

২. ইস্কেমিক অপটিক নিউরোপ্যাথি– এই অবস্থায় চোখের সাথে মস্তিষ্কের সংযোগকারী স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উচ্চ রক্তচাপ এই স্নায়ুতে রক্ত প্রবাহ কমাতে পারে, যার ফলে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পায়।

৩. উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ডায়াবেটিক আই ডিজিজ হতে পারে।

৪. সাবকনজাংটিভাল হেমোরেজ– রক্তচাপের হঠাৎ পরিবর্তনের ফলে চোখের সাদা অংশের সূক্ষ্ম রক্তনালী ফেটে যেতে পারে এবং আশেপাশের এলাকায় রক্তপাত হতে পারে।

এটি চোখের টকটকে লালভাব সৃষ্টি করে, যা খুবই উদ্বেগজনক। তবে এই সমস্যা তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিকারক এবং নিজে থেকেই সেরে যায়। সামান্য ঔষধ বা কোনো চিকিৎসা ছাড়াই ২-৪ সপ্তাহের মধ্যে লালভাব চলে যায়।

৫. উচ্চ রক্তচাপ দ্রুত গ্লুকোমা সৃষ্টি করে। বার্ধক্যে গ্লুকোমা ও চোখের রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় হাইপারটেনশন।

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাটি এখন আর শুধু বয়স্কদের অসুখ নয়। বর্তমান ট্রেন্ড কিন্তু ভয়ংকর দিকে গড়াচ্ছে। ২০-২৫ বছর বয়সেই এই সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই।

আসলে ক্রমাগত চাপ ও মানসিক চাপের কারণে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বাড়ছে। চিকিৎসকরা বলছেন যে যাদের উচ্চ রক্তচাপের পারিবারিক ইতিহাস রয়েছে তাদের ২০ বছর বয়সের পরে বিপি পর্যবেক্ষণ শুরু করা উচিত।

অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপে দৃষ্টিশক্তিও হারাতে পারেন!

আপডেট সময় : ০২:৩৫:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি:

উচ্চ রক্তচাপ শুধু হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায় না, রক্তনালীরও ক্ষতি করে। এর ফলে চোখের গুরুতর সমস্যা হতে পারে। এর প্রভাবগুলি সাবকঞ্জাক্টিভাল হেমোরেজ থেকে রেটিনা শিরা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং দৃষ্টিশক্তি নষ্ট করার মতো সমস্যাও হতে পারে।

এতে করে মানুষ দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারে। হাইপারটেনশন থেকে হতে পারে হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি। দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ রেটিনায় রক্ত পরিবহনকারী রক্তবাহিকাগুলোর ক্ষতি করতে পারে। সমস্যা তৈরি হতে পারে চোখের পেছনের স্পর্শকাতর পর্দায়। পরিবর্তন ঘটাতে পারে। রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ফ্লুইড বেরিয়ে আসে।
এর ফলে রেটিনার টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কখনও কখনও অল্প অল্প করে রক্তপাতও হতে পারে। এর ফলে দৃষ্টি ঝাপসা হতে পারে।

১. রেটিনাল শিরা এবং ধমনী ব্লকেজ– এই সমস্যাটি রেটিনাল স্ট্রোকের কারণ।

২. ইস্কেমিক অপটিক নিউরোপ্যাথি– এই অবস্থায় চোখের সাথে মস্তিষ্কের সংযোগকারী স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। উচ্চ রক্তচাপ এই স্নায়ুতে রক্ত প্রবাহ কমাতে পারে, যার ফলে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পায়।

৩. উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ডায়াবেটিক আই ডিজিজ হতে পারে।

৪. সাবকনজাংটিভাল হেমোরেজ– রক্তচাপের হঠাৎ পরিবর্তনের ফলে চোখের সাদা অংশের সূক্ষ্ম রক্তনালী ফেটে যেতে পারে এবং আশেপাশের এলাকায় রক্তপাত হতে পারে।

এটি চোখের টকটকে লালভাব সৃষ্টি করে, যা খুবই উদ্বেগজনক। তবে এই সমস্যা তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিকারক এবং নিজে থেকেই সেরে যায়। সামান্য ঔষধ বা কোনো চিকিৎসা ছাড়াই ২-৪ সপ্তাহের মধ্যে লালভাব চলে যায়।

৫. উচ্চ রক্তচাপ দ্রুত গ্লুকোমা সৃষ্টি করে। বার্ধক্যে গ্লুকোমা ও চোখের রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় হাইপারটেনশন।

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাটি এখন আর শুধু বয়স্কদের অসুখ নয়। বর্তমান ট্রেন্ড কিন্তু ভয়ংকর দিকে গড়াচ্ছে। ২০-২৫ বছর বয়সেই এই সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই।

আসলে ক্রমাগত চাপ ও মানসিক চাপের কারণে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বাড়ছে। চিকিৎসকরা বলছেন যে যাদের উচ্চ রক্তচাপের পারিবারিক ইতিহাস রয়েছে তাদের ২০ বছর বয়সের পরে বিপি পর্যবেক্ষণ শুরু করা উচিত।