ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরী Logo নেই উৎসবের আমেজ, ভোগান্তি নিয়ে শুরু হচ্ছে সাফ Logo মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে Logo এআই যেন মানুষকে নিয়ন্ত্রণ না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo গাজীপুরে সকালে মহাসড়কে সংঘর্ষ-বিক্ষোভ, বিকেলে স্বাভাবিক; ৩৫ কারখানায় ছুটি Logo গাজীপুরে একজনকে আটকের পর আরেক অভিযান, ২৪৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ Logo দেশে অনার ৬০০এসের বিক্রি শুরু, পাওয়া যাবে ড্যাজলে Logo নওগাঁয় জমির শ্রেণি পরিবর্তনের অভিযোগ, রাজস্ব হারানোর শঙ্কা ১০ কোটি টাকা Logo নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে: বিসিবির আইনজীবী Logo মিশিগানে ইতিহাস গড়ে প্রথম মুসলিম সিনেটর আবদুল আল–সাইদ

মাদারীপুরে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে দু’পা ভেঙ্গে দেয়ার ঘটনায় গ্রেফতার ৭

বাংলাদেশ কণ্ঠ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৮:১৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৪০০ বার পঠিত

পি.এম. সবুজ, মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

মাদারীপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে খোয়াজপুর টেকেরহাট এলাকায় হোসেন সরদার নামে এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে দুই পা ভেঙে দেয়া মামলায় অভিযুক্ত ৭ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ।

আজ বেলা দেড়টার দিকে মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান। এসময় সাত আসামীকে মাদারীপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়। এর আগে সোমবার দুপুরে ঢাকায় বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ করে আসামীদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন কালকিনি উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের দাঁতপুর গ্রামের মৃত আজিবর সর্দারের ছেলে সাইফুল সর্দার, আতাউর সর্দার, অলিল সর্দার, একই গ্রামের সেকান্দার সর্দারের ছেলে মানিক সর্দার, সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের আব্দুস ছালাম হাওলাদারের ছেলে রাশেদ হাওলাদার, চরখোয়াজপুর গ্রামের মান্নান সর্দারের ছেলে তুরান সর্দার ও একই গ্রামের সালাম হাওলাদারের ছেলে আপেল হাওলাদার।

সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, গত ১ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকালে খোয়াজপুর-টেকেরহাট বাজারে ১০ থেকে ১৫ জন লোক নিয়ে প্রতিপক্ষ সাইফুল সরদারের নেতৃত্বে হোসেন সর্দারের ওপর হামলা চালানো হয়। এসময় তারা হোসেন সর্দারের দুই পা পিটিয়ে ভেঙ্গে ফেলে। পরে তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তির পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই দিনই রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এঘটনায় একটি সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হয়। যেখানে ঘর থেকে বের করে পিটিয়ে দুই পা ভাঙ্গার দৃশ্য দেখা যায়। এঘটনায় ১৩ জনকে আসামী করে আহতের পরিবার একটি মামলা দায়ের করে।

এএসপি আরো বলেন, জেলা পুলিশ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে মোট ১০ আসামীকে বিভিন্ন সময়ে গ্রেফতার করেন। এতে ঘটনার মূলক হোতা সাইফুল সর্দারসহ তার গ্রুপের লোকজনকে গ্রেফতার করা হয়। বাকি আসামীদের গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে। এছাড়া সাইফুর সর্দার ও আতাউর সর্দারের বিরুদ্ধে ৮টি করে মামলা রয়েছে।

মাদারীপুরে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে দু’পা ভেঙ্গে দেয়ার ঘটনায় গ্রেফতার ৭

আপডেট সময় : ০৮:১৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

পি.এম. সবুজ, মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

মাদারীপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে খোয়াজপুর টেকেরহাট এলাকায় হোসেন সরদার নামে এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে দুই পা ভেঙে দেয়া মামলায় অভিযুক্ত ৭ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ।

আজ বেলা দেড়টার দিকে মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান। এসময় সাত আসামীকে মাদারীপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়। এর আগে সোমবার দুপুরে ঢাকায় বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ করে আসামীদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন কালকিনি উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়নের দাঁতপুর গ্রামের মৃত আজিবর সর্দারের ছেলে সাইফুল সর্দার, আতাউর সর্দার, অলিল সর্দার, একই গ্রামের সেকান্দার সর্দারের ছেলে মানিক সর্দার, সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের আব্দুস ছালাম হাওলাদারের ছেলে রাশেদ হাওলাদার, চরখোয়াজপুর গ্রামের মান্নান সর্দারের ছেলে তুরান সর্দার ও একই গ্রামের সালাম হাওলাদারের ছেলে আপেল হাওলাদার।

সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, গত ১ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকালে খোয়াজপুর-টেকেরহাট বাজারে ১০ থেকে ১৫ জন লোক নিয়ে প্রতিপক্ষ সাইফুল সরদারের নেতৃত্বে হোসেন সর্দারের ওপর হামলা চালানো হয়। এসময় তারা হোসেন সর্দারের দুই পা পিটিয়ে ভেঙ্গে ফেলে। পরে তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তির পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই দিনই রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এঘটনায় একটি সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হয়। যেখানে ঘর থেকে বের করে পিটিয়ে দুই পা ভাঙ্গার দৃশ্য দেখা যায়। এঘটনায় ১৩ জনকে আসামী করে আহতের পরিবার একটি মামলা দায়ের করে।

এএসপি আরো বলেন, জেলা পুলিশ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে মোট ১০ আসামীকে বিভিন্ন সময়ে গ্রেফতার করেন। এতে ঘটনার মূলক হোতা সাইফুল সর্দারসহ তার গ্রুপের লোকজনকে গ্রেফতার করা হয়। বাকি আসামীদের গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে। এছাড়া সাইফুর সর্দার ও আতাউর সর্দারের বিরুদ্ধে ৮টি করে মামলা রয়েছে।