প্যারাশুটের মাধ্যমে সাগরে ফেলা ত্রাণ আনতে গিয়ে ডুবলো ১২ ফিলিস্তিনি!
- আপডেট সময় : ০১:৫৯:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ ২০২৪ ৩৫২ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
বিমান থেকে প্যারাসুটে করে সাগরে ত্রাণ আনতে গিয়ে অন্তত ১২ ফিলিস্তিনি ডুবে মারা গেছে। স্থানীয় প্যারামেডিকরা জানিয়েছেন যে গত সোমবার (২৫ মার্চ) বেইট লাহিয়া উপকূলে এমন একটি ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর মুহুর্মুহু রকেট হামলায় একজন নিহত হয়েছে। হামাস নেতা বলেছেন, ইসরাইল বিশ্বব্যাপী সমর্থন হারাচ্ছে। অন্যদিকে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, গাজার পরিস্থিতি নারকীয়।
মিডিয়া জানিয়েছে যে একটি ভিডিওতে দেখা গেছে সাগরে ত্রাণ ফেলার পর সেগুলো আনতে দৌড়াদৌড়ি করছেন সাধারণ ফিলিস্তিনিরা। অপর একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ডুবে যাওয়া মানুষদের উদ্ধার করে তীরে আনা হয়েছে এবং তাদের বাঁচাতে আপ্রাণ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এদিকে, ইরান-সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ সীমান্ত-সংলগ্ন ইসরায়েল শহর কিরিয়াত শোমোনাতে রকেট হামলা চালায়। গোষ্ঠীটি বলেছে যে বুধবার ভোরে দক্ষিণ লেবাননের একটি গ্রামে ইসরায়েলি সামরিক হামলার প্রতিক্রিয়ায় এই হামলা চালানো হয়েছিল। হামলায় অন্তত একজন ইসরায়েলি নিহত হয়েছে। হিজবুল্লাহর ছোড়া রকেটের আঘাতে উত্তর ইসরায়েলের কিরিয়াতে একটি ধসে পড়া ভবনের নিচে চাপা পড়ে তিনি নিহত হন। এর আগে, মঙ্গলবার ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের হাব্বারিয়াহ গ্রামে ভয়াবহ বিমান হামলা চালায়।
এছাড়াও, মঙ্গলবার ইসরায়েলি সেনাবাহিনী উত্তর লেবাননের দুটি শহরের কাছে বেশ কয়েকটি বিমান হামলা চালিয়েছে। হামলায় অন্তত তিন হিজবুল্লাহ যোদ্ধা নিহত হয়েছে, সশস্ত্র গোষ্ঠীটি টেলিগ্রাম পোস্টে জানিয়েছে।
এদিকে গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে কোনো আশার আলো নেই। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে মঙ্গলবার বলা হয়েছে, হামাস চুক্তির শর্ত হিসেবে ‘বিভ্রান্তিকর’ সব দাবি জানিয়েছে। যাতে বোঝাই যাচ্ছে, ফিলিস্তিনিরা একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে উপনীত হতে আগ্রহী নয়। তাছাড়া ইসরায়েল যেমন যুদ্ধবিরতি চুক্তির আলোচনা আটকে যাওয়ার জন্য হামাসকে দায়ী করছে। তেমনি হামাস বলছে, আলোচনা চলাকালেও ইসরায়েল গাজায় হামলা চালিয়ে আলোচনার পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করেছে।



















