১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে দেওয়া নোটিশটি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বরাবর পাঠানো হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, প্রবীর কুমার গোস্বামী এর আগে কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডে নির্বাহী প্রকৌশলী এবং পরবর্তীতে সিলেট পানি উন্নয়ন সার্কেলে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তৎকালীন সরকারের বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়ন এবং সরকারদলীয় লোকজনকে বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন বলে নোটিশে দাবি করা হয়েছে।
এছাড়া কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সিলেট পানি উন্নয়ন সার্কেলের অর্থ ব্যয় করে শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল নির্মাণের অভিযোগও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় এসব স্থাপনায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে এবং এর পেছনে প্রবীর কুমার গোস্বামীর রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতাকে দায়ী করা হয়েছে বলে নোটিশে দাবি করা হয়।
নোটিশে আরও বলা হয়, বিভিন্ন সময়ে তৎকালীন ফ্যাসিবাদী সরকারের অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা এবং বিভিন্ন মনগড়া প্রকল্প অনুমোদনের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর এবং ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারত ভ্রমণের জন্য তিনি মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি নেন বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদের অর্থ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যয় এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রবীর কুমার গোস্বামীর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। নোটিশে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দাখিলের অনুরোধ করা হয়েছে।
তবে নোটিশে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রবীর কুমার গোস্বামীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।























